Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
কিরণের যৌতুকবিরোধী লড়াই
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম কেন

মুফতি সাইফুল ইসলাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০০:৩৯
হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম কেন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

অনেকের ধারণা, মহানবী (সা.)-এর মদিনায় হিজরতের বছর থেকেই হিজরি সন চালু হয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস বলে খলিফা উমর (রা.)-এর হাতে এর সূচনা হয়।

হিজরি বর্ষপঞ্জিতে গণনার সূচনাবিন্দু মক্কায় দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও প্রতিকূলতার পর মুসলমানদের ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় গমন ছিল ইসলামের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। সেখানে তারা প্রথমবারের মতো একটি সুসংগঠিত সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুযোগ লাভ করেন।

তাই হিজরত ছিল একটি সভ্যতা রূপান্তরের সূচনা। এ কারণেই মুসলিমরা তাদের সময় গণনার সূচনাবিন্দু হিসেবে হিজরতকে নির্বাচন করেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবদ্দশায় কোনো পৃথক ইসলামি বর্ষপঞ্জি চালু ছিল না। প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর (রা.)-এর সময়েও একই অবস্থা ছিল। তখন বিভিন্ন ঘটনা দ্বারা বছর চিহ্নিত করা হতো।

কিন্তু খলিফা উমর (রা.)-এর শাসনামলে ইসলামি রাষ্ট্র দ্রুত সম্প্রসারিত হয়। ইরাক, শাম ও মিসরের মতো অঞ্চল মুসলিম শাসনের অধীনে আসে। রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, চিঠিপত্র, চুক্তি ও নথিপত্র সংরক্ষণের জন্য একটি নির্দিষ্ট সাল গণনার প্রয়োজন দেখা দেয়।

ইমাম বুখারি (রহ.) বর্ণনা করেছেন, বসরার গভর্নর আবু মুসা আল-আশআরি (রা.) খলিফা উমর (রা.)-এর কাছে লিখে জানান যে, তারিখবিহীন চিঠির কারণে প্রশাসনিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এরপর উমর (রা.) সাহাবিদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। সেখানে বিভিন্ন মতামত আসে। কেউ নবীজি (সা.)-এর জন্ম থেকে, কেউ নবুওয়াতের সূচনা থেকে গণনার প্রস্তাব দেন। পরে সবার মতামতের আলোকে হিজরতকে ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। উমর (রা.) বলেছেন, ‘হিজরত সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করেছে, তাই হিজরত থেকেই গণনা শুরু করা হবে।’ (ইবনু হাজর আল-আসকালানি, ফাতহুল বারি, ৭/২৬৮) বুখারির ৩৯৩৪ হাদিসেও এমন ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

হিজরত সংঘটিত হয়েছিল রবিউল আউয়াল মাসে, তাহলে হিজরি বছরের প্রথম মাস মহররম কেন? ঐতিহাসিকদের মতে, হিজরি সনের সূচনা হিজরতের বছর থেকে হলেও মাসের বিন্যাসে আরবদের প্রচলিত মাসক্রম বজায় রাখা হয়। এ ছাড়া ইসলাম-পূর্ব আরব সমাজেও মহররম ছিল সম্মানিত মাসগুলোর একটি। হজের পর আরবরা জিলহজ মাস শেষে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যেত এবং মহররম ছিল নতুন যাত্রা ও কার্যক্রম সূচনার সময়।

হিজরি সন ধর্মীয় মাস নির্ধারণের পাশাপাশি মুসলিম সভ্যতার ঐতিহাসিক স্মৃতি বহনকারী সময় পদ্ধতি

ইবনে হাজার (রহ.) উল্লেখ করেছেন, সাহাবিরা বছরের প্রথম মাস হিসেবে মহররমকে গ্রহণ করেন। কারণ এটি ছিল হজের পর মানুষের ফিরে আসার সময় এবং আগে থেকেই এটি সম্মানিত মাস হিসেবে পরিচিত ছিল। (ফাতহুল বারি, খণ্ড ৭)

ইসলামি দর্শনেও মহররম একটি মর্যাদাপূর্ণ মাস। পবিত্র কোরআনে এসেছে— ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা ১২টি, যেদিন তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্যে চারটি সম্মানিত মাস।’ (সুরা আত-তাওবা, আয়াত: ৩৬) এই চার মাসের একটি হচ্ছে মহররম।

হিজরি সনের বৈশিষ্ট্য হলো, এটি চন্দ্রভিত্তিক বর্ষপঞ্জি। এতে পৃথিবীকে চাঁদের প্রদক্ষিণ চক্রের ওপর ভিত্তি করে মাস নির্ধারিত হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব মতে, নতুন চাঁদ থেকে পরবর্তী নতুন চাঁদ পর্যন্ত সময়কে সিনোডিক মাস বলা হয়, যার গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ২৯ দশমিক ৫৩ দিন। ১২টি চন্দ্রমাসে মোট সময় দাঁড়ায় প্রায় ৩৫৪ দিন ৮ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট। ফলে হিজরি বছর সৌর বছরের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন ছোট। এ কারণে রমজান, হজ বা অন্যান্য ইসলামি মাস প্রতি বছর সৌর ক্যালেন্ডারের তুলনায় কিছুটা আগে আসে এবং প্রায় ৩৩ বছরে সব ঋতু অতিক্রম করে।

পবিত্র কোরআনেও সূর্য ও চাঁদের গতিকে সময় গণনার মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘তিনিই সূর্যকে করেছেন দীপ্তিমান এবং চাঁদকে করেছেন আলোকময় এবং তার জন্য নির্ধারণ করেছেন বিভিন্ন অবস্থান, যাতে তোমরা বছরের গণনা ও সময়ের হিসাব জানতে পার।’ (সুরা ইউনুস, আয়াত: ৫)

রাসুলুল্লাহ (সা.) চন্দ্রমাস নির্ধারণের ক্ষেত্রে চাঁদ দেখার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখবে এবং চাঁদ দেখে রোজা শেষ করবে। যদি তা তোমাদের কাছে অস্পষ্ট হয়, তবে মাসের সংখ্যা ৩০ পূর্ণ করো।’ (বুখারি, হাদিস: ১৯০০)

আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানও বলে, চাঁদ দেখা শুধু গাণিতিক হিসাব নয়, এটি বাস্তব পর্যবেক্ষণের সঙ্গেও সম্পর্কিত।

ইতিহাস থেকে প্রমাণিত যে, মুসলিম বিজ্ঞানীরা ইতিহাসে জ্যোতির্বিজ্ঞানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। আবু রাইহান আল-বিরুনি তার আল-আসার আল-বাকিয়া গ্রন্থে বিভিন্ন জাতির ক্যালেন্ডার, চন্দ্র-সৌর হিসাব এবং সময় গণনার পদ্ধতি বিশদভাবে আলোচনা করেছেন। (আল-বিরুনি, দ্য ক্রোনোলজি অব এন্সিয়েন্ট নেশনস, অনুবাদ: সি. এডওয়ার্ড সাখাউ)

মুসলিম সভ্যতা ও সময়চেতনা হিজরি সন মুসলিম সভ্যতার প্রশাসন, ইতিহাসচর্চা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিল। ইবনে খালদুনসহ মুসলিম ঐতিহাসিকরা তাদের গ্রন্থে হিজরি সাল ব্যবহার করেছেন, যা প্রমাণ করে যে, হিজরি সন শুধু ধর্মীয় মাস নির্ধারণের পাশাপাশি মুসলিম সভ্যতার ঐতিহাসিক স্মৃতি বহনকারী সময় পদ্ধতি।

হিজরি সনকে শুধু একটি ক্যালেন্ডার হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত গুরুত্ব বোঝা যাবে না। এর মধ্যে রয়েছে হিজরতের ত্যাগ ও পরিবর্তনের ইতিহাস, সাহাবায়ে কেরামের দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, চন্দ্রভিত্তিক সময় গণনার বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা এবং মুসলিম সভ্যতার দীর্ঘ ঐতিহ্য, যা মুসলমানদের ধর্মীয় জীবন ও ঐতিহাসিক পরিচয়ের একটি অপরিহার্য অংশ।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক

 

হিজরি সনমহররমখলিফা উমরইসলাম
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৯ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    বসনিয়া-হার্জেগোভিনা
    ০
    ১৯ জুন ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    কানাডা
    ০
    কাতার
    ০
    ১৯ জুন ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    মেক্সিকো
    ০
    দক্ষিণ কোরিয়া
    ০
    চেকদের থেকে পয়েন্ট আদায় করল দক্ষিণ আফ্রিকা

    চেকদের থেকে পয়েন্ট আদায় করল দক্ষিণ আফ্রিকা

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:৩১

    ঝুঁকিপূর্ণ দেয়াল কেড়ে নিল বৃদ্ধ কৃষকের শেষ সম্বল

    ঝুঁকিপূর্ণ দেয়াল কেড়ে নিল বৃদ্ধ কৃষকের শেষ সম্বল

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:৫৪

    ভালো নেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কোচ পাহেইরা

    ভালো নেই ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কোচ পাহেইরা

    ১৯ জুন ২০২৬, ০১:০৯

    কেন্দুয়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১০

    কেন্দুয়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১০

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:০০

    বাবার বিক্রি করা শিশুকে উদ্ধার, ফিরে পেল মায়ের বুক

    বাবার বিক্রি করা শিশুকে উদ্ধার, ফিরে পেল মায়ের বুক

    ১৯ জুন ২০২৬, ০১:৩৫

    সবার আগে আমার এলাকা

    সবার আগে আমার এলাকা

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:২৪

    পরীক্ষার আর দরকার কী!

    পরীক্ষার আর দরকার কী!

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:৩১

    কিরণের আলো

    কিরণের আলো

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:২৯

    হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম কেন

    হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম কেন

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:৩৯

    মার্কিন পণ্য কেনার কড়া  শর্তে ছাড় ৬ বিলিয়ন ডলার

    মার্কিন পণ্য কেনার কড়া শর্তে ছাড় ৬ বিলিয়ন ডলার

    ১৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৭

    চতুর্থ বর্ষে ডিজিটাল মিডিয়া ফোরাম

    চতুর্থ বর্ষে ডিজিটাল মিডিয়া ফোরাম

    ১৯ জুন ২০২৬, ০০:৫৯

    বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ টিকিয়ে রেখেছিল সৌদি পাইপলাইন

    বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ টিকিয়ে রেখেছিল সৌদি পাইপলাইন

    ১৯ জুন ২০২৬, ০১:৫১

    সুখের দেশের সেই রূপসী রিসোর্ট যেন দুর্গ

    সুখের দেশের সেই রূপসী রিসোর্ট যেন দুর্গ

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:০০

    জেকোর রেকর্ড, প্রথমার্ধে গোলহীন সুইজারল্যান্ড–বসনিয়া

    জেকোর রেকর্ড, প্রথমার্ধে গোলহীন সুইজারল্যান্ড–বসনিয়া

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:০১

    হরমুজ শান্তির রুট নাকি  নতুন সমীকরণের পথ?

    হরমুজ শান্তির রুট নাকি নতুন সমীকরণের পথ?

    ১৯ জুন ২০২৬, ০২:০৫

    advertiseadvertise