Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
৫ হাজার কবর খুঁড়েছেন আলী হোসেন
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

রামিসা বিচার পেল বাকিদের কী হবে

মঈন উদ্দিন খান
agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:২৭
রামিসা বিচার পেল বাকিদের কী হবে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রামিসার হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের রায় নিঃসন্দেহে স্বস্তির। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত, বিচারিক প্রক্রিয়ার গতি এবং রায়ের মাধ্যমে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে— শিশু হত্যার মতো নৃশংস অপরাধের বিচার বিলম্বিত হবে না। এমন একটি রায় মানুষের ভেতরে অন্তত এই বিশ্বাস জাগায় যে, অপরাধী শেষ পর্যন্ত আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না। কিন্তু এ স্বস্তির মধ্যেই একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে আসে— অন্যদের বেলায় কী হবে?

রামিসার হত্যাকাণ্ড দেশ জুড়ে আলোড়ন তুলেছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উত্তাল হয়েছিল, রাজনৈতিক দলগুলো বিবৃতি দিয়েছিল, রাস্তায় প্রতিবাদ হয়েছিল। জনমতের চাপ ছিল প্রবল। কিন্তু একই সময়ে, একই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আরও কয়েকটি শিশু ভয়াবহ নৃশংসতার শিকার হয়েছে। তাদের কি আমরা মনে রেখেছি? তাদের জন্য কি একই রকম ক্ষোভ, চাপ কিংবা দ্রুত বিচারের দাবি গড়ে উঠেছে?

সিলেটের জালালাবাদে চার বছরের ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দূরসম্পর্কের এক চাচা তাকে হত্যার পর দুদিন নিজের ঘরের খাটের নিচে স্যুটকেসে লুকিয়ে রাখে। পরে মরদেহ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে ডোবায় ফেলে দেয়। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়— শিশুটিকে খোঁজার নাটকে সেও অংশ নেয়। এমন এক শীতল, নির্মম অপরাধ সমাজকে কাঁপিয়ে দেওয়ার মতোই ছিল।

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে চার বছরের লামিয়া আক্তারের মরদেহ মিলেছে ভুট্টাক্ষেতে। অভিযোগ— ধর্ষণের পর হত্যা। অভিযুক্ত একজন কিশোর। প্রশ্ন জাগে, আমাদের সমাজে সহিংসতার বীজ কত গভীরে পৌঁছেছে যে কৈশোরও আজ এমন অপরাধ থেকে মুক্ত নয়? মুন্সীগঞ্জে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই সৎমামার বিরুদ্ধে। পরিবারের আস্থার ভেতরেই লুকিয়ে ছিল ভয়ংকর শিকারি। যে ঘর শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হওয়ার কথা, সেই ঘরই হয়ে উঠেছে মৃত্যুফাঁদ।

এসব ঘটনা আলাদা নয়; এগুলো একই সামাজিক ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ। এবং এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— কেন কিছু ঘটনা জাতীয় ক্ষোভ তৈরি করে, আর কিছু ঘটনা কয়েক দিনের সংবাদ হয়ে হারিয়ে যায়? ন্যায়বিচারের গতি কি জনমত, রাজনৈতিক আগ্রহ কিংবা মিডিয়ার আলোচনার ওপর নির্ভর করবে? রামিসার বিচার দ্রুত হয়েছে— এটি অবশ্যই নজির হওয়া উচিত। কিন্তু নজির তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা ব্যতিক্রম নয়, নিয়মে পরিণত হয়। যদি শুধু আলোচিত ঘটনার বিচার দ্রুত হয় আর বাকিগুলো বছরের পর বছর তদন্ত ও আদালতের ফাইলে আটকে থাকে এবং ক্ষেত্রবিশেষে হারিয়ে যায়... তবে সেটি ন্যায়বিচার নয়; সেটি বৈষম্য।

প্রশ্নটি আরও তীব্র হয়— রাষ্ট্র কি কেবল আলোচিত ঘটনার ক্ষেত্রেই দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাবে, নাকি প্রতিটি ঘটনার জন্য সমান ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা তৈরি করবে?

একটি শিশুর জীবন আরেকটি শিশুর চেয়ে কম মূল্যবান হতে পারে না। ফাহিমা, লামিয়া কিংবা মুন্সীগঞ্জের সেই শিশুটির পরিবারও একই রকম রাষ্ট্রীয় মনোযোগ পাওয়ার অধিকার রাখে। তাদের কান্না কম নয়, তাদের ক্ষতি কম নয়, তাদের জন্য বিচারও কম জরুরি হতে পারে না। রাষ্ট্রের কাছে তাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ— রামিসার বিচারের গতিকে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে না রেখে সেটি একটি মানদণ্ডে পরিণত করা। তদন্তের দীর্ঘসূত্রতা কমাতে হবে, ফরেনসিক ও বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুত করতে হবে এবং শিশু নির্যাতন ও হত্যার মামলাগুলো বিশেষ অগ্রাধিকার পেতে হবে।

সাম্প্রতিক সময়ের আরও কিছু ঘটনাও এ বাস্তবতাকে নতুন করে সামনে আনে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রকাশিত খবরে দেখা গেছে, শিশু ও কিশোরী নির্যাতন-হত্যার একের পর এক ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রে তদন্তের গতি ধীর, প্রমাণ সংগ্রহে দুর্বলতা এবং আদালতে দীর্ঘসূত্রতা রয়ে যাচ্ছে। কোথাও ভিকটিম পরিবার ন্যায়বিচারের আশায় মাসের পর মাস অপেক্ষা করছে, আবার কোথাও আলোচনার ঝড় থেমে যাওয়ার পর মামলাগুলো ধীরে ধীরে সংবাদপত্রের পাতা থেকেও হারিয়ে যাচ্ছে। এই ‘অদৃশ্য হয়ে যাওয়া’ই অনেক সময় ন্যায়বিচারের সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধের প্রকৃতি যত ভয়াবহই হোক না কেন, বিচার যদি নিয়মিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে শুধু জনমতের চাপের ওপর নির্ভর করে, তবে পুরো ব্যবস্থার ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে একদিকে কিছু মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, অন্যদিকে বহু মামলা বছরের বছর ঝুলে থাকে। এই বৈষম্যই শেষ পর্যন্ত বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থাকে ক্ষয় করে।

সম্প্রতি টিআইবির এক প্রতিবেদনেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক দুর্বলতার দিক উঠে এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে, তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের অভাব এবং জবাবদিহির ঘাটতি অপরাধ নিয়ন্ত্রণকে আরও জটিল করে তুলছে। এসব কাঠামোগত দুর্বলতা শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং বাস্তব জীবনের প্রত্যেক ভুক্তভোগী পরিবারের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার নাম।

এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্নটি আরও তীব্র হয়— রাষ্ট্র কি কেবল আলোচিত ঘটনার ক্ষেত্রেই দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাবে, নাকি প্রতিটি ঘটনার জন্য সমান ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা তৈরি করবে? বিচার যদি শুধু আলোচনার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তবে তা আইনের শাসনের ধারণাকেই দুর্বল করে দেয়। ফলে প্রয়োজন শুধু কঠোর শাস্তি নয়; বরং একটি কার্যকর, দ্রুত এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য বিচার কাঠামো। যেখানে কোনো শিশুর মৃত্যু আরেকটি শিশুর মৃত্যুর চেয়ে কম বা বেশি আলোচিত হওয়ার কারণে তার ন্যায়বিচারের গতি নির্ধারিত হবে না। সেই কাঠামো গড়ে উঠলেই শুধু রামিসার রায় একটি বিচ্ছিন্ন উদাহরণ না হয়ে সত্যিকারের জাতীয় মানদণ্ডে পরিণত হবে।

লেখক: উপসম্পাদক, আগামীর সময়

 

রামিসারামিসা হত্যাআদালতবিচার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    বিয়ে করা যেন লিটনের নেশা, রয়েছে নির্যাতন-যৌতুকের অভিযোগও

    বিয়ে করা যেন লিটনের নেশা, রয়েছে নির্যাতন-যৌতুকের অভিযোগও

    ০৯ জুন ২০২৬, ০০:০৭

    মৃত্যুর গুজবে বাসে আগুন, এক ঘণ্টা বন্ধ যান চলাচল

    মৃত্যুর গুজবে বাসে আগুন, এক ঘণ্টা বন্ধ যান চলাচল

    ০৯ জুন ২০২৬, ০০:২০

    রুয়েটের হলে গাঁজা সেবনের অভিযোগে চার শিক্ষার্থী আটক

    রুয়েটের হলে গাঁজা সেবনের অভিযোগে চার শিক্ষার্থী আটক

    ০৯ জুন ২০২৬, ০০:২৭

    জামালপুর এক্সপ্রেস নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

    জামালপুর এক্সপ্রেস নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

    ০৯ জুন ২০২৬, ০০:৫৪

    রামিসার এলাকা থেকে নিখোঁজ ৫ বছরের শিশু

    রামিসার এলাকা থেকে নিখোঁজ ৫ বছরের শিশু

    ০৯ জুন ২০২৬, ০০:৪৭

    ১০৪ বার পেছানো হয়েছে তারিখ, জমা পড়েনি অভিযোগপত্র

    ১০৪ বার পেছানো হয়েছে তারিখ, জমা পড়েনি অভিযোগপত্র

    ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১৮

    কোরাল ট্রায়াঙ্গেল দিবস ২০২৬ : প্রবালপ্রাচীরের ভবিষ্যৎ ও আমাদের দায়িত্ব

    কোরাল ট্রায়াঙ্গেল দিবস ২০২৬ : প্রবালপ্রাচীরের ভবিষ্যৎ ও আমাদের দায়িত্ব

    ০৯ জুন ২০২৬, ০১:৩২

    কথা কাটাকাটির জেরে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

    কথা কাটাকাটির জেরে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

    ০৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৮

    স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পেলেন কুলাউড়ার নন্দলাল ও রিদি

    স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পেলেন কুলাউড়ার নন্দলাল ও রিদি

    ০৯ জুন ২০২৬, ০২:৪৫

    যুক্তরাষ্ট্রকে অবিশ্বস্ত বলল ইরান, শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    যুক্তরাষ্ট্রকে অবিশ্বস্ত বলল ইরান, শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:১৩

    টেকনাফে ৮০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

    টেকনাফে ৮০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

    ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:০০

    যুবদল নেতা বহিষ্কার, রমনা থানা কমিটি বিলুপ্ত

    যুবদল নেতা বহিষ্কার, রমনা থানা কমিটি বিলুপ্ত

    ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:২৭

    জামালপুরে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীর ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা

    জামালপুরে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীর ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা

    ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:২৬

    আমদানিতে উদারতা রপ্তানিতে সতর্কতা

    আমদানিতে উদারতা রপ্তানিতে সতর্কতা

    ০৯ জুন ২০২৬, ০৪:১১

    রিজার্ভের লক্ষ্য অর্জন কঠিন

    রিজার্ভের লক্ষ্য অর্জন কঠিন

    ০৯ জুন ২০২৬, ০৪:১৫

    advertiseadvertise