Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
শিশুদের স্বপ্ন ফেরাচ্ছেন ইদ্রিস আলী
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

ফিরবে কি দুরন্ত ডানার উড়ন্ত টাকা

আলম রায়হান
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১
ফিরবে কি দুরন্ত ডানার উড়ন্ত টাকা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

প্রায়ই দুটি প্রবাদ বেশ শুনতে পাওয়া যায়– ‘ঢাকায় টাকা ওড়ে’, ‘টাকার পাখা আছে’। বাস্তবে ঢাকায় টাকা ওড়ে না; আর টাকারও পাখা নেই। তবে দ্বিতীয় প্রবাদটি বাস্তবে রূপ নিয়েছে বলা চলে। অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। গড় হিসাবে বছরে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে।

পাচার হওয়া অর্থের বড় অংশই ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া। এর সঙ্গে রয়েছে দুর্নীতির অর্থ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পাচারের সেই অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। যার নেতৃত্বে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোন দেশে কী পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে, সেটি তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা শাখা ‘বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট’ (বিএফআইইউ)। অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাইপ্রাস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুরসহ দেড় ডজনের মতো দেশের নাম পেয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। এসব দেশে চিঠি পাঠিয়ে অভিযুক্তদের সম্পদ জব্দের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য, আইল অব ম্যান এবং সাইপ্রাসে অভিযুক্তদের কিছু সম্পদ জব্দও করা হয়েছে।

এদিকে, দেশের অর্থ বিদেশে পাচারের ঘটনায় প্রথম ধাপে অভিযুক্ত ছয়টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে করা মামলার কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ টাস্কফোর্স। এ তালিকায় প্রথম দিকেই সাইফুল আলম চৌধুরীর এস আলম গ্রুপ এবং ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর আরামিট গ্রুপের নাম রয়েছে। এর বাইরে বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা এবং ওরিয়ন গ্রুপের বিরুদ্ধেও মামলা চলবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। সম্প্রতি সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এরই মধ্যে মামলাগুলোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ওই সব দেশের আদালতে প্রমাণ করতে হবে, সম্পদগুলো বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয়েছিল।

পাচারের অর্থকে আইনের আওতায় ওয়েলকাম জানানো হয়ে থাকে তাহলে সেই অর্থ ফেরত আনার ক্ষেত্রে শুধু আইনি প্রক্রিয়াই যথেষ্ট নয়। সেখানে আমাদের ডিপ্লোম্যাসিকেও যথেষ্ট কার্যকর থাকতে হবে

পাচারের সম্পদ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জের জায়গা হচ্ছে, দুদেশের আইনগত ভিন্নতা। এ ক্ষেত্রে গন্তব্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আইনগত সহায়তা চুক্তি না থাকলে পাচারের অর্থ ফেরানো কঠিন হবে বলে মনে করেন কর্মকর্তারা। সেজন্য পাচারের অর্থ যাওয়া শীর্ষ ১০টি গন্তব্য দেশ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড সরকার এবং হংকংয়ের প্রশাসনের কাছে এরই মধ্যে চুক্তির প্রস্তাবও পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও হংকং ইতিবাচক সাড়া দিলেও বাকি দেশগুলো একক চুক্তির বিষয়ে আগ্রহ দেখায়নি বলে জানাচ্ছেন কর্মকর্তারা। কারণ, বাংলাদেশের দৃষ্টিতে অবৈধ হলেও বিনিয়োগ হিসেবে নেওয়ায় তাদের দৃষ্টিতে ওই অর্থ অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এই দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা এবং ওই সব দেশে যদি পাচারের অর্থকে আইনের আওতায় ওয়েলকাম জানানো হয়ে থাকে, তাহলে সেই অর্থ ফেরত আনার ক্ষেত্রে শুধু আইনি প্রক্রিয়াই যথেষ্ট নয়। সেখানে আমাদের ডিপ্লোম্যাসিকেও যথেষ্ট কার্যকর থাকতে হবে।

বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, পাচার হওয়া অর্থের মাত্র ১ শতাংশই দেশে ফেরত আসে। এই টাকা ফিরিয়ে আনতেও অন্তত ৭ থেকে ২০ বছর বা আরও বেশি সময় লেগে যায়। এত দীর্ঘ সময় লাগার কারণ হলো, ওই দেশগুলোর আদালতে অর্থ পাচারের বিষয়টি প্রমাণ করতে হয়। আরেক দেশে গিয়ে সেখানকার আদালতে অর্থ পাচারের অভিযোগ প্রমাণ করাটা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, অর্থ পাচারের তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করাও বেশ কঠিন। কারণ, অর্থগুলো অন্য দেশে ঢুকেছে বিনিয়োগ হিসেবে। আর সেই বিনিয়োগটা গেছে তৃতীয় আরেকটি দেশ হয়ে। সুতরাং যথাযথ তথ্য-প্রমাণ দেখিয়ে সেটিকে ‘পাচার হিসেবে’ প্রমাণ করা কঠিন। সব মিলিয়ে পাচারের মিলিয়ন ডলারের অর্থ শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে কি না, সেটিই এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন।

তবে আশার কথা হচ্ছে, টাকা ফেরত না এলেও এজন্য মামলা চালাতে সরকারকে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না। কারণ, আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ‘নো উইন, নো ফি’ ভিত্তিতে চুক্তি হয়েছে। অর্থাৎ আইনি প্রতিষ্ঠান যদি পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে পারলে প্রাপ্ত অর্থ থেকে ফি পরিশোধ করা হবে। অন্যথায় কোনো অর্থ দেওয়া হবে না।

এদিকে, এস আলম এরই মধ্যে বিদেশি কিছু আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিও করেছে বলে গণমাধ্যমের খবর প্রকাশ হয়েছে। দেশে-বিদেশে সম্পদ জব্দের প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রে তিনি একটি মামলাও করেন, যার কার্যক্রম এখনো চলমান। ফলে এতসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণ করে পাচারের অর্থ কতুটুকু দেশে ফেরানো সম্ভব হবে, তা নিয়ে অনেকেরই সংশয় রয়েছে। এরপরও অন্তত একটি মামলায়ও জয়লাভ করে পাচারের অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হলে সেটি বাংলাদেশে নতুন একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হতে পারে। পাশাপাশি এর মধ্য দিয়ে পরিষ্কার বার্তা দেওয়া হবে, দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করলে আইনের হাতে ধরা পড়তেই হবে। পাচার হওয়া টাকা ফেরত অাসুক বা নাই আসুক, এই সান্ত্বনাটুকুইবা কম কীসে?

 

লেখক: জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক

 

দুরন্ত ডানাউড়ন্ত টাকাপ্রবাদশ্বেতপত্রকলাম
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    advertisement
    advertisement
    স্বাধীন বেলুচিস্তান এখন পর্যন্ত ফেসবুকের কল্প-গল্প

    স্বাধীন বেলুচিস্তান এখন পর্যন্ত ফেসবুকের কল্প-গল্প

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০০:১৮

    জুলাই শহীদদের ত্যাগের পথ ধরে দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    জুলাই শহীদদের ত্যাগের পথ ধরে দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০০:১৭

    সাত ঘণ্টার মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের আট দফা পাল্টা আঘাত

    সাত ঘণ্টার মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের আট দফা পাল্টা আঘাত

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:১২

    যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ

    যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:০৭

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা হামলা, একাধিক শহরে বিস্ফোরণ

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা হামলা, একাধিক শহরে বিস্ফোরণ

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৫

    জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে ভক্তদের মিলনে অপোর বিশেষ উদ্যোগ

    জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে ভক্তদের মিলনে অপোর বিশেষ উদ্যোগ

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭

    ঋণের বোঝা পাথর শ্রমিকের কাঁধে

    ঋণের বোঝা পাথর শ্রমিকের কাঁধে

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০৩

    ওয়ানট্রুভ্যালুর সঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের চুক্তি

    ওয়ানট্রুভ্যালুর সঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের চুক্তি

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫

    মর্নিং স্টার

    মর্নিং স্টার

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৯

    নড়বড়ে সেই বাঁধ মেরামতের আশ্বাস পাউবোর

    নড়বড়ে সেই বাঁধ মেরামতের আশ্বাস পাউবোর

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০০

    আসল নায়ক ফুয়েন্তে

    আসল নায়ক ফুয়েন্তে

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৮

    ফাইনালের যাত্রায় এক গোল হজম

    ফাইনালের যাত্রায় এক গোল হজম

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৫

    ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে  ট্যালেন্টপুলে  বৃত্তি ছাবিদের

    ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি ছাবিদের

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৮

    ডন বেনিতোর ডন

    ডন বেনিতোর ডন

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৬

    নীতি-সহায়তা ও আইন সংস্কারের আশ্বাস

    নীতি-সহায়তা ও আইন সংস্কারের আশ্বাস

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৯

    advertiseadvertise