নিউইয়র্কে দুই বছরেই বাংলাদেশ সোসাইটির ফান্ড ১২ কোটি টাকা

ছবি: আগামীর সময়
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের শীর্ষ সংগঠন ‘বাংলাদেশ সোসাইটি, ইনক’র তহবিলে এখন গচ্ছিত আছে ১২ কোটি টাকা। যা ১ মিলিয়ন ডলারের ওপরে। ২০২৪ সালে দায়িত্ব গ্রহনকালে বর্তমান কমিটি যাত্রা শুরু করেছিল ১ কোটি টাকা নিয়ে। সেলিম— আলীর নেতৃত্বাধীন কমিটি ২০২৪—এর বিরুদ্ধে সম্প্রতি উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অর্থ আত্মসাতের দাবির বিষয়ে অবস্থান পরিষ্কার করতে এক সংবাদ সম্মেলনে সোসাইটির নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেছেন। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নিউইয়র্কের এলমহাস্টর্স্থ সোসাইটির কার্যলয়ে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ , সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দীন দেওয়ান ও সহ সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল। অনুষ্ঠান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন রিজু মোহাম্মদ ও অনিক রাজ। লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন ট্রাস্টি বোর্ডের প্রধান শাহ নেওয়াজ, সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, বর্তমান কার্যকরী পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণকালে সংগঠনের নিট আর্থিক স্থিতি ছিল মাত্র ১ লাখ ১৬ হাজার ডলার। তবে গত ২০ মাসে বিভিন্ন সামাজিক ও কল্যাণমূলক সেবা পরিচালনার পাশাপাশি তহবিল বৃদ্ধি করে বর্তমানে ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক মিলিয়ন ডলারে।
কমিটির বিরুদ্ধে ৭ লাখ ২৫ হাজার ডলার অপচয়ের অভিযোগকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, গত ২০ মাসে নিয়মিত অপারেটিং ও বিভিন্ন কর্মসূচি খাতে মোট ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ২১ হাজার ৮৬৫ ডলার, যা যথাযথ দালিলিক প্রমাণ ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট দ্বারা সমর্থিত। একই সঙ্গে তহবিলে প্রায় ১ মিলিয়ন ডলার গচ্ছিত রয়েছে।
বাংলাদেশ সেন্টার ক্রয় প্রসংগে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ বলেন, জ্যামাইকায় ‘বাংলাদেশ সেন্টার’ ক্রয়ে শর্তসাপেক্ষে ২ লাখ ডলার ডিপোজিট দিয়ে প্রাথমিক চুক্তি করা হয়েছিল। কিন্তু ভবনে কিছু আইনি জটিলতা ও বিক্রেতা পক্ষ নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় সংগঠনের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চুক্তি বাতিল করে ডিপোজিটের পুরো ২ লাখ ডলারই ফেরত আনা হয়েছে।



