ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও দোষীদের শাস্তি দাবি

ছবি: ভিডিও থেকে
নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (জেএফকে) অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও এনসিপি ডায়াসপোরার নেতারা। গতকাল সোমবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে ড. ইউনূসকে হেনস্তার চিত্র দেখা গেছে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা আব্দুল লতিফ সম্রাট, জিল্লুর রহমান জিল্লু, গিয়াস আহমেদ, মিল্টন ভূঁইয়া ও আব্দুর সবুর এক প্রতিক্রিয়ায় তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তারা অবিলম্বে সরকারকে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এনসিপি ডায়াসপোরা যুক্তরাষ্ট্রে সংগঠক রওশন হক দোষীদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার দোহা থেকে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে উদ্দেশ্য বিভিন্ন মন্তব্য করা হয়। দুইজনকে এ ঘটনার চিত্র ধারণ করতে দেখা গেছে। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান তার ফেসবুকে নেতাকর্মীদের সাহসী ভূমিকার প্রসংশা করেন।
সোশাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, মহানগর (নিউ ইয়র্ক) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল, তানভীর ও মিজানুর রহমান চৌধুরী যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে তার জন্য আমরা গর্বিত।
সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে শোনা যায়, ড. ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্র সফরের কারণ জানতে চাইছেন ইমদাদ চৌধুরী। এ সময় ইউনূসের উদ্দেশে তিনি, ‘আপনি সন্ত্রাসী, আপনি বাংলাদেশে মানুষ হত্যা করেছেন। কেন এখানে এসেছেন? আমাদের বলুন, কেন এসেছেন?’
ভিডিওতে তিনি ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগ তুলেন।
দেখা গেছে, মুহম্মদ ইউনূস টার্মিনালে অবস্থানের আগে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজান চৌধুরী, নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল, জ্যাকসন হাইটস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর কায়সার এবং আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছিলেন।
২০২৫ সালে জাতিসংঘ সফরকালে ড. ইউনূসের সফরসঙ্গী এনসিপি নেতা আখতার হোসেনের ওপর ডিম ছুড়ে মারার ঘটনা ঘটেছিল।




