শিল্পকারখানায় আর বিনিয়োগে যাচ্ছে না সরকার
- পর্যালোচনা সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
নতুন করে শিল্পকারখানায় সরাসরি বিনিয়োগের পথে সরকার যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বললেন, শিল্প পরিচালনা ও নতুন বিনিয়োগে বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন ও যৌক্তিকতা বিবেচনায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকার অংশীদার বা শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হতে পারে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্তির জন্য বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের চলমান, অননুমোদিত ও নতুন প্রস্তাবিত প্রকল্প পর্যালোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন তিনি।
সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বললেন, প্রকল্প নেওয়ার সময় শুধু বরাদ্দ ও ব্যয়ের পরিমাণ বিবেচনা করলে হবে না। প্রকল্পের প্রত্যাশিত ফলাফল, বাস্তবায়নযোগ্যতা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবও মূল্যায়ন করতে হবে। জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পের সুফল যেন জনগণের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়, ব্যয় ও গুণগত মান বজায় রাখতে হবে।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমের পরামর্শ, দেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও বাজার সম্প্রসারণে মনোযোগ দিতে হবে। ঐতিহ্যবাহী শিল্পের স্বকীয়তা ধরে রেখে আধুনিক শিল্পব্যবস্থার সঙ্গে এর সমন্বয় ঘটাতে হবে।
টাঙ্গাইল শাড়ি ও মসলিনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রকল্প নেওয়ার বিষয়টি সভায় বিশেষভাবে আলোচিত। বক্তারা বললেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে টাঙ্গাইল শাড়ির উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে মসলিনের সংরক্ষণ, গবেষণা, উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারণেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।



