রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রথম সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিআইডি
বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই ছিল সরকারপ্রধান তারেক রহমানের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ।
আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং জানিয়েছে।
রেওয়াজ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর করে আসার পর তার সফরের বিষয়বস্তু জানতে রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে দেখা করেন।
প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর করে এসেছেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগদান ছিল তার সফরের উদ্দেশ্য।
চার দিনের সফরে সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি ৩০টি সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান।
সাক্ষাতে তারেক রহমান তার যুক্তরাষ্ট্র সফর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, জাতিসংঘের মহাসচিব ও শীর্ষ কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়বস্তু রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভাষণটি ছিল ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দিকনির্দেশনামূলক।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ভাষণটিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানও সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত ও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপ্রধান।
তিনি বলেন, এছাড়া দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছে এই সফর।
দুজনে জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা করেন।
বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।



