দেশের ৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

ফাইল ছবি
সক্রিয় বৃষ্টি বলয়ের প্রভাব কমতে শুরু করায় দেশ জুড়ে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তবে আজ রবিবার খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে মেঘের দাপট ও বর্ষণের পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকতে পারে।
বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম লিমিটেডের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে এসব তথ্য।
আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ দেশের অধিকাংশ এলাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে প্রধানত মেঘলা থাকবে। খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর বাইরে দেশের অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বর্ষণ হতে পারে।
বৃষ্টি বলয় কম সক্রিয় হয়ে আসার কারণে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে, আর রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির বিরতিকালে দেশ জুড়ে বেশ অস্বস্তিকর ও ভ্যাপসা গরম বিরাজ করতে পারে।
এদিকে, উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের যেসব এলাকায় বৃষ্টি হবে সেখানে মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তাই কালচে মেঘ দেখা দিলে বা বৃষ্টির আবহ তৈরি হলে সর্বসাধারণকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে বর্ষণে শিলাবৃষ্টি বা কালবৈশাখীর কোনো ঝুঁকি নেই, শুধু বৃষ্টি শুরু বা চলাকালে সাময়িক দমকা হাওয়া বইতে পারে। দিন জুড়ে প্রায় ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্বাভাবিক সূর্যের আলো পাওয়া যেতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে কোনো লঘুচাপ বা সিস্টেম না থাকায় উত্তর বঙ্গোপসাগর সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। সমুদ্রে কোনো ধরনের সতর্কসংকেত বহাল নেই।
গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে। এ সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সৈয়দপুরে ৩৫.৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ২২.০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৫টা ৪৩ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ০৪ মিনিটে।



