বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
ত্রাণ থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি : আগামীর সময়
দুর্যোগ মোকাবিলায় বন্যাদূর্গতদের প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও নগদ সহায়তা বরাদ্দের কথা জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে এমনভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে যেন কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারই ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়।’
আজ মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নে বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় শুধু ত্রাণ বিতরণ নয়, বরং ক্ষয়ক্ষতির দ্রুত তালিকা করে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
তিনি বলেছেন, ‘সোমবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনার প্রতিটি দিক পর্যালোচনার পর প্রতিটি উপজেলায় অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘরবাড়ি মেরামত, রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি ও মৎস্য খাতকে পুনরুজ্জীবিত করাই আমাদের বর্তমান মূল লক্ষ্য।’
পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনাগুলোকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক করেন।
তিনি বলেছেন, ‘পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য বিকল্প স্থানে জমি ও গৃহ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে পাহাড় কাটা বা দখলকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে; কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
উপকূলীয় অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত স্লুইস গেট ও বেড়িবাঁধ সংস্কারের বিষয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তার প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক, জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এবং পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান প্রমুখ।




