এবারের বাজেট সব শ্রেণির মানুষের জন্য : অর্থমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি
এবারের বাজেট সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য। বিগত স্বৈরাচারী সময়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাজেটে প্রতিফলিত হয়নি- এমন মন্তব্য করলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকাল ৩টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর একটি নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি, উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য, দেশের প্রতিটি মানুষকে বাজেট চিন্তায় আনার চেষ্টা করেছি। কেউই এই বাজেটের আওতার বাইরে নেই বলে আমি মনে করি না। যারা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে ছিলেন, তাদেরও বাজেটের আওতায় আনার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এবারের বাজেটে একটি দীর্ঘমেয়াদী রোডম্যাপ দেওয়া হয়েছে, যার ভিত্তিতে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা ভিন্ন, যোগ করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী আরো যোগ করেন, মূল্যস্ফীতি কোনো সাম্প্রতিক সমস্যা নয়; গত কয়েক বছর ধরে এটি ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে এবং গত তিন মাস ধরে ৯ শতাংশের বেশি রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতাও এর অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ব্যাংক খাতের সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রীর ভাষ্য, অতীতের লুটপাট ও অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি বেড়েছে। ফলে তহবিলের ব্যয় (কস্ট অব ফান্ড) বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মূল্যস্ফীতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় আমদানিনির্ভর পণ্যের মূল্যও বেড়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি।




