Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সহযোগীদের খবর

টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন অঞ্চলে গ্যাসের সম্ভাব্যতা ৬ টিসিএফ

  • ১৫ বছর ধরে ব্লক ১৮-তে অনুসন্ধানে নিষ্ক্রিয় পেট্রোবাংলা
বণিক বার্তা
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪০
টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন অঞ্চলে গ্যাসের সম্ভাব্যতা ৬ টিসিএফ

ছবি: বণিক বার্তা

দেশের সমুদ্রসীমায় গ্যাস ব্লক-১৮-এর অবস্থান। মিয়ানমারের সীমান্ত ঘেঁষা এ গ্যাস ব্লকে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের সম্ভাব্যতার তথ্য মিলছে গবেষণায়।

পূর্বাঞ্চলীয় ফোল্ডবেল্ট ব্লক-১৮-এর আওতাধীন সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ ও কোরাল দ্বীপে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য প্রায় ৬ হাজার ১৪৬ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) বা ছয় টিসিএফ গ্যাস সম্পদ রয়েছে বলে গবেষণায় জানা গেছে। পূর্বাঞ্চলীয় ফোল্ডবেল্টে বিপুল গ্যাসের সম্ভাব্যতার বিষয়টি দেড় দশক আগেও ইঙ্গিত দিয়েছিল মার্কিন প্রতিষ্ঠান গুস্তাভসন অ্যাসোসিয়েটস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে দেশের সমুদ্রসীমার গভীরে গ্যাসের সম্ভাব্যতার নানা প্রক্ষেপণ থাকলেও এসব এলাকায় বৃহৎ আকারে অনুসন্ধানের বড় কোনো কার্যকর উদ্যোগ ও তৎপরতা দেখা যায়নি পেট্রোবাংলা কিংবা জ্বালানি বিভাগের তরফে। বরং গ্যাস পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনাকে উপেক্ষা করে বিগত সময়ে আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের গ্যাস খাতে আর্থিক সংকট দিন দিন বাড়িয়ে তোলা হয়েছে।

দেশের গভীর ও অগভীর সাগরে মোট ২৬টি গ্যাস ব্লক রয়েছে। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলীয় ব্লক-৮ থেকে ব্লক-১৮ প্রবল সম্ভাবনাময় এলাকা হিসেবে বিবেচিত। সাগরে বিদেশী বেশ কয়েকটি কোম্পানি ইজারা নিলেও পরবর্তী সময়ে নানা কারণে তারা ব্লক ছেড়ে চলে যায়। মার্কিন প্রতিষ্ঠান ব্লক ১৮-তে গ্যাসের সম্ভাব্যতার যে তথ্য দিয়েছিল, সেসব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গ্যাসের বাড়তি সম্ভাব্যতার তথ্যও উঠে আসছে গবেষণায়। এমনকি গ্যাস আমদানির বিপরীতে বরং স্থানীয়ভাবে বিনিয়োগ করে বিপুল গ্যাস পেতে পারে বাংলাদেশ—এমন পূর্বাভাসও ছিল। কিন্তু সেসব প্রক্ষেপণ অনুযায়ী বিনিয়োগ না করে অতীতে সিদ্ধান্তহীনতা ও বিদেশী কোম্পানির অপেক্ষায় সময় ক্ষেপণ করা হয়েছে বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

দেশের অফশোর এলাকায় গ্যাসের সম্ভাব্যতার নানা তথ্যের বিষয়টি অস্বীকার করেননি পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা। তবে তাদের ভাষ্য হলো গভীর সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে অতীতের বিভিন্ন সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা, বিনিয়োগে অনাগ্রহ এমনকি দক্ষ লোকবল ও বিশ্বমানের প্রযুক্তিগত সংকট ছিল। এ কারণে গ্যাস উৎপাদন ক্রমান্বয়ে কমলেও স্থানীয়ভাবে বৃহৎ আকারে এসব পূর্বাভাস মূল্যায়িত হয়নি।

দেশের অফশোর অঞ্চলে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন করে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করতে যাচ্ছে পেট্রোবাংলা। সরকারের অনুমতি পেলে আগামী মাসে এ দরপত্র আহ্বান করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সাগরে দরপত্র আহ্বানে পেট্রোবাংলা চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত পেলে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানে যাব।’

দেশের গভীর সাগরে গ্যাসের সম্ভাব্যতার বিষয়টি উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। এতে দেখা গেছে টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন ও কোরাল দ্বীপ অঞ্চলে ছয় টিসিএফের বেশি সম্ভাব্য প্রাথমিক গ্যাস সম্পদের উপস্থিতি রয়েছে। যেখান থেকে উত্তোলনযোগ্য সম্ভাব্যতা ৪ হাজার ৭৪৫ বিসিএফ এবং প্রমাণিত সম্ভাব্যতা ২ হাজার ৬৪ বিসিএফ। ভূতত্ত্ববিদ, বাপেক্সের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারাও বিষয়টি অস্বীকার করেননি।

বেইজিংভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘কেইএআই’ ব্লক-১৮-তে গ্যাসের সম্ভাব্যতা সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। গবেষণা প্রতিবেদনটিতে ‘মন্টে কার্লো সিমুলেশন’ পদ্ধতি প্রয়োগ করে অফশোরের গ্যাস ব্লক-১৮-তে প্রাথমিক সম্ভাব্যতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

‘অ্যাসেসমেন্ট অব প্রসপেক্টিভ গ্যাস রিসোর্সেস অ্যান্ড ডেভেলপ আ প্রডাকশন ভিউ অব ইস্টার্ন ফোল্ডবেল্ট (ব্লক-১৮), বাংলাদেশ ইউজিং মন্টে কার্লো সিমুলেশন মেথড’ শীর্ষক এ গবেষণা প্রতিবেদনে মূলত টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন ও কোরাল দ্বীপ এলাকায় গ্যাসের সম্ভাব্যতা, নিরূপণ ও ভবিষ্যৎ উৎপাদনচিত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

মন্টে কার্লো সিমুলেশন পদ্ধতি হলো একটি পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ কৌশল, যেখানে কোনো অনিশ্চিত বা জটিল সমস্যার সম্ভাব্য ফলাফল অনুমান করার জন্য বহুবার পুনরাবৃত্তি করা হয়। উল্লিখিত গবেষণায় ব্লক-১৮-তে পেট্রোবাংলার জরিপের তথ্য-উপাত্ত এবং বিদেশী জরিপকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও নমুনা বারবার বিশ্লেষণ করা হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনে এ পদ্ধতি ব্যবহার করে উঠে এসেছে, টেকনাফে ভূগর্ভস্থ স্ট্রাকচারে প্রাথমিক গ্যাসের সম্ভাব্য উপস্থিতি (জিআইআইপি) ৮৪৪ দশমিক ৩৫ বিসিএফ বা দশমিক ৮৪ টিসিএফ, কোরাল দ্বীপে ৩ হাজার ৫০৮ দশমিক ৭২ বিসিএফ বা ৩ দশমিক ৫১ টিসিএফ এবং সেন্ট মার্টিনে ১ হাজার ৭৯২ দশমিক ৯১ বিসিএফ বা ১ দশমিক ৭৯ টিসিএফ। এ তিন স্ট্রাকচার (চিহ্নিত জায়গা) থেকে উত্তোলনযোগ্য সম্ভাব্যতা (আরজিআইআইপি) ৪ হাজার ৭৪৫ বিসিএফ। গবেষণায় দেখা গেছে, কোরাল দ্বীপ এলাকায় গ্যাসের প্রাথমিক ও উত্তোলনযোগ্য সম্ভাব্যতা বেশি এবং টেকনাফ অঞ্চলে তুলনামূলক কম।

২০১১ সালে মার্কিন প্রতিষ্ঠান গুস্তাভসন অ্যাসোসিয়েটস যে রিসোর্স রিজার্ভ অনুমান করেছিল, তার ফলাফল ছিল ৪ হাজার ৪৭৩ বিসিএফ। অন্যদিকে বর্তমান গবেষণায় মন্টে কার্লো সিমুলেশন ব্যবহার করে অনুমান বেড়ে ৪ হাজার ৭৪৫ বিসিএফে উন্নীত হয়েছে।

গ্যাসের প্রাথমিক উপস্থিতির সম্ভাব্যতার ওপর ভিত্তি করে ইস্টার্ন ফোল্ডবেল্ট এলাকায় গ্যাসের প্রমাণিত সম্ভাব্যতা ২ হাজার ৬৪ বিসিএফ বা দুই টিসিএফের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশের অফশোরে গ্যাসের উপস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের হাইড্রোকার্বন ইউনিট (এইচসিইউ) ও নরওয়েজিয়ান পেট্রোলিয়াম ডিরেক্টরেট (এনপিডি) ২০০১ সালে কাজ করেছে। পরে ২০১১ সালে আবার এসব এলাকা নিয়ে একটি প্রকল্পে কাজ হয়। ২০১২ সালের এপ্রিলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক তেল, গ্যাস ও খনিজ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গুস্তাভসন অ্যাসোসিয়েটস।

দেশের অফশোর এলাকায় দেড় দশক ধরে অনুসন্ধান স্থবির হয়ে রয়েছে। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিজয়ের এক যুগ পেরিয়ে গেলেও বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে এখনো কোনো উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। যদিও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ঘেঁষে মিয়ানমার অনুসন্ধান করে বিপুল পরিমাণ গ্যাস আবিষ্কার করেছে। একই অঞ্চল হওয়ায় দেশের জলসীমায় বিপুল পরিমাণ গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনার বিষয়টি তথ্য-উপাত্তেও জোরালোভাবে উঠে আসছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

ভূতত্ত্ববিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক বদরূল ইমাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশে ফোল্ডবেল্ট অঞ্চলে সবসময় গ্যাস পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় এলাকা টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন, ইনানী। এখানে অনেকগুলো স্ট্রাকচার রয়েছে। এ অঞ্চলে মিয়ানমার অনেক আগে থেকে গ্যাস উত্তোলন করছে। অফশোর অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস অনুসন্ধান স্থবির হয়ে আছে। সরকারের উচিত হবে দ্রুত দরপত্রের মাধ্যমে এসব এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধান শুরু করা।’

দেশে নরওয়েজিয়ান পেট্রোলিয়াম ডিরেক্টরেট (এনপিডি) বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং দেশের হাইড্রোকার্বন ইউনিট বিভাগে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মর্তুজা আহমদ ফারুক চিশতী। জানতে চাইলে তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘অফশোর অঞ্চলে বিশেষ করে সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ ও কোরাল দ্বীপ এলাকায় গ্যাসের উপস্থিতির কথা বিভিন্ন তথ্যে পাওয়া গেছে। এসব অঞ্চলে সম্ভাবনা অনেক। তবে অনুসন্ধান কার্যক্রম না চালানো পর্যন্ত ঠিক কী পরিমাণ গ্যাস রয়েছে তা বলা মুশকিল। এসব এলাকায় যদি এক টিসিএফ গ্যাসও পাওয়া যায় সেটাও বৃহৎ মজুদ। স্ট্রাকচার, লিডস, প্রসপেক্টিভ—এ বিষয়গুলোর তো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে।’

দেশের অফশোর এলাকায় নতুন করে দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে পেট্রোবাংলা। এরই মধ্যে দরপত্রসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রমও সম্পন্ন করেছে তারা। সরকারের নির্দেশনা পেলে দ্রুতই টেন্ডারে যেতে চায় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি। তবে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে সাগরে যেসব ব্লক বা এলাকায় গ্যাস পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে সেগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা হবে কিনা সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা।

এবারের ব্লক ইজারার বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেন, ‘অফশোরের সব ব্লকে একসঙ্গে দরপত্র আহ্বান করা হবে। এখানে আলাদা বা বিভক্ত করে দরপত্র আহ্বানের কোনো পরিকল্পনা করা হবে না।’

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে ভারতের সঙ্গে ও ২০১৪ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়। ফলে সমুদ্রে বিরাট এলাকা নিয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়। তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য গভীর সমুদ্রে ১৫টি ও অগভীর সমুদ্রে ১১টি মিলিয়ে মোট ২৬টি ব্লকে বঙ্গোপসাগরকে ভাগ করেছে পেট্রোবাংলা। যদিও এর আগেই শুরু হয়ে যায় সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান। উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি (পিএসসি) ২০০৮-এর আওতায় ২০১০ সালে গভীর সমুদ্রে দুটি ব্লকে কাজ নেয় মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপস। তারা দ্বিমাত্রিক জরিপ চালিয়েছিল। কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়ানোর দাবি পূরণ না হওয়ায় ২০১৫ সালে তারা কাজ ছেড়ে চলে যায়। পিএসসি-২০১২-এর অধীনে ২০১৪ সালে অগভীর সমুদ্রের দুটি ব্লকে চুক্তি করে ভারতের ওএনজিসি ভিদেশ। আর দুটি ব্লকে চুক্তি করে অস্ট্রেলিয়ার স্যান্তোস ও সিঙ্গাপুরের ক্রিস এনার্জির সমন্বয়ে গঠিত যৌথ কোম্পানি। এ অঞ্চলে ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার কথা বলে ২০২০ সালে চলে যায় স্যান্তোস। অন্যদিকে দরপত্র ছাড়াই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইনের অধীনে ২০১৬ সালে সমুদ্রে দুটি ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধানে চুক্তি করে দক্ষিণ কোরিয়ার পস্কো দাইয়ু। তারাও নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ ছেড়ে চলে গেছে ।

এর পর থেকে দেশের সমুদ্রসীমায় বিদেশী বৃহৎ কোনো কোম্পানি কাজ করেনি। দেশে গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করলে ২০২৪ সালে দরপত্র আহ্বান করে পতিত আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু সেই দরপত্রে বিদেশী কোম্পানি তথ্য-উপাত্ত কিনলেও শেষ পর্যন্ত কোনো কোম্পানি দরপত্র জমা দেয়নি। এদিকে গ্যাস সংকট মেটাতে বিদেশ থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি শুরু করে পেট্রোবাংলা। মূলত এলএনজি আমদানিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে দেশের গ্যাস খাতের অনুসন্ধান স্থবির হয়ে পড়ে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস সংকট মেটাতে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৮ সালে এলএনজি আমদানি শুরু করে। গ্যাস অনুসন্ধানের চেয়ে আমদানির দিকে তাদের ঝোঁক বেশি ছিল। তাই সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ২০১৯ সালে নতুন পিএসসি করা হলেও দরপত্র ডাকা হয়নি। এরপর তিন বছর সময় নিয়ে নতুন পিএসসি-২০২৩ চূড়ান্ত করা হয়। এর মধ্যে সমুদ্রে ১২ হাজার কিলোমিটার লাইন এলাকায় নরওয়ে ও ফ্রান্সের যৌথ কোম্পানি টিজিএস অ্যান্ড স্লামবার্জার পরিচালিত বহুমাত্রিক ভূকম্পন (টুডি) জরিপে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায়। এতে বিদেশী কোম্পানি আগ্রহ দেখাচ্ছিল। ২০২৩ সালের শেষ দিকে গভীর সমুদ্রের ১৫টি ব্লকেই গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহ প্রকাশ করে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি এক্সনমবিল। দরপত্র ছাড়াই চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিল তারা। যদিও তাতে শেষ পর্যন্ত রাজি হয়নি পতিত আওয়ামী সরকার। ২০২৪ সালের মার্চে তারা দরপত্র আহ্বান করে। দরপত্র জমার সময় ছিল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এর আগে আগস্টে সরকারের পতন হয়। পরে দরপত্র জমার সময় তিন মাস বাড়িয়ে ডিসেম্বর করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু এ সময়েও দরপত্র জমা দেয়নি কোনো বিদেশী কোম্পানি।

টেকনাফগ্যাসসমুদ্র
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভায় শফিকুর প্রধানমন্ত্রী, আযাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভায় শফিকুর প্রধানমন্ত্রী, আযাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৪

    জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন

    জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৯

    গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়া বিরাট সতর্কবার্তা

    গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়া বিরাট সতর্কবার্তা

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৩

    রিজার্ভে চাপ বাড়াচ্ছে রূপপুর, জ্বালানি খাতে ১২ ঝুঁকি

    রিজার্ভে চাপ বাড়াচ্ছে রূপপুর, জ্বালানি খাতে ১২ ঝুঁকি

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬

    আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ইরান, অভিযোগ নেতানিয়াহুর

    আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ইরান, অভিযোগ নেতানিয়াহুর

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৯

    এইচ-১বি ভিসায় এক লাখ ডলারের বেশি অতিরিক্ত ফি আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

    এইচ-১বি ভিসায় এক লাখ ডলারের বেশি অতিরিক্ত ফি আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৩

    রোহিঙ্গা শিবিরে সাড়ে ৬ বছরে ২৪৭ হত্যাকাণ্ড

    রোহিঙ্গা শিবিরে সাড়ে ৬ বছরে ২৪৭ হত্যাকাণ্ড

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৩

    আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট

    আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৯

    চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’

    চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১২

    সেই মাদ্রাসা শিক্ষককে ‘ডিএনএ পরীক্ষায়’ নির্দোষ বলেছিলেন সালমান মুক্তাদির

    সেই মাদ্রাসা শিক্ষককে ‘ডিএনএ পরীক্ষায়’ নির্দোষ বলেছিলেন সালমান মুক্তাদির

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২৫

    নতুন নীতিমালার ভীতিতে সার সংকট

    নতুন নীতিমালার ভীতিতে সার সংকট

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২৯

    যুক্তরাষ্ট্রে ২ লাখ আশ্রয়প্রার্থীর ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা

    যুক্তরাষ্ট্রে ২ লাখ আশ্রয়প্রার্থীর ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩০

    ‘শেষ হতা এক্কান, ফিরত চাই আরকান’

    ‘শেষ হতা এক্কান, ফিরত চাই আরকান’

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৪৩

    ভান্ডালজুরি পানি শোধনাগার চট্টগ্রাম ওয়াসার ‘সাদা হাতি’

    ভান্ডালজুরি পানি শোধনাগার চট্টগ্রাম ওয়াসার ‘সাদা হাতি’

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৩

    বরিশালে এবার থ্রি-হুইলার চালকদের আন্দোলনে বন্ধ বাস

    বরিশালে এবার থ্রি-হুইলার চালকদের আন্দোলনে বন্ধ বাস

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৪

    advertiseadvertise