আবারও সংসদে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের দাবি ড. মোশাররফের

ছবি: আগামীর সময়
কুমিল্লাকে ‘কুমিল্লা’ নামেই বিভাগ ঘোষণার দীর্ঘদিনের দাবি আবারও জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী ও পাঁচবারের সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-কুমিল্লা রেলওয়ে কর্ড লাইন প্রকল্প দ্রুত শেষ করা, কুমিল্লা বিমানবন্দর সংস্কার এবং দাউদকান্দিকে পূর্ণাঙ্গ জেলা ঘোষণারও দাবি জানিয়েছেন।
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব দাবি উত্থাপন করেন।
বাজেট প্রসঙ্গে ড. মোশাররফ উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের সময়কার বড় ধরনের অনিয়ম, ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বর্তমান সরকার যে বাজেট প্রস্তাব করেছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তিনি আরও তুলে ধরেন, এরই মধ্যে ১১টি বৃহৎ চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
নিজ নির্বাচনী এলাকা ও কুমিল্লার বিভিন্ন উন্নয়ন দাবির কথা তুলে ধরে তিনি কুমিল্লাকে ‘কুমিল্লা’ নামেই বিভাগ ঘোষণার দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেও একই দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বার্থে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতের সময় ও পরিবহন ব্যয় কমাতে ঢাকা-কুমিল্লা রেলওয়ে কর্ড লাইন প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানান তিনি।
এ ছাড়া ঐতিহাসিক কুমিল্লা বিমানবন্দর দ্রুত সংস্কার করে চালু করা এবং দাউদকান্দিকে পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে উন্নীত করার আহ্বান জানান।
সংসদে বক্তব্যে জাতীয় নির্বাচনকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন ড. মোশাররফ। তাঁর ভাষ্য, দীর্ঘদিন পর দেশের মানুষ অবাধে ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পেয়েছে।
তিনি টানা চতুর্থবার সরকার গঠন করায় বিএনপি এবং দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সংসদে প্রথমবার বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকেও শুভেচ্ছা জানান।
বক্তব্যের একপর্যায়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গণতান্ত্রিক সংগ্রামে অবদানের কথাও স্মরণ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছিলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী ও পাঁচবারের সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।




