Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন রাসেল
শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

বিদেশ যাওয়ার স্বপ্নে ঘাটে ঘাটে বিক্রি

  • অল্প টাকায় বিদেশ পাঠানোর লোভ দেখিয়ে পাচার
  • প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে লোক সংগ্রহ দালালদের
  • মানবপাচারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
  • ভয়ে মামলাও করেন না ভুক্তভোগীরা
  • মামলা করলে দেখানো হয় সন্তান হত্যার ভয়
কাউসার আহমেদ
কাউসার আহমেদ
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৫
বিদেশ যাওয়ার স্বপ্নে ঘাটে ঘাটে বিক্রি

গ্রাফিক্স: আগামীর সময়

ইঞ্জিনের সঙ্গে একটা ছোট্ট রুম। সেখানে ঢোকানো হলো প্রায় ১০০ জনকে। ঠিকমতো বসা তো দূরের কথা, নড়াচড়া করারই ছিল না কোনো সুযোগ। বন্ধ ফ্রিজের মধ্যে আটকে থাকলে যেমন হতে পারে অনুভূতি, লাগছিল তেমনই।

আর এভাবে বন্দি করে শতাধিক মানুষকে জলপথে নেওয়া হচ্ছিল কক্সবাজার থেকে টেকনাফ হয়ে পাশের দেশ মিয়ানমারে। উদ্দেশ্য পাচারের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়।

যদিও এই বন্দিরা স্বেচ্ছায় ধরা দিয়েছিলেন পাচারকারীদের হাতে। তাদের স্বপ্ন ছিল কম খরচে বিদেশ যাওয়ার। আর সেই স্বপ্নপূরণের আশায় পা দিয়েছিলেন এমন এক ফাঁদে, যেখান থেকে বেঁচে ফেরাটাই বরং বিস্ময়ের।

ঘাটে ঘাটে পণ্যের মতো বিক্রি হতে থাকা বা আরও স্পষ্ট করে বললে দালালের হাতবদল হতে থাকা বিল্লালের সঙ্গে কথা হয় আগামীর সময়ের। কেন এত ঝুঁকি নিয়ে যাচ্ছিলেন বিদেশ, কেমন ছিল সেই যাত্রা; এমন প্রশ্নে গল্পের ঝাঁপি খুলে বসেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের কড়ইতলা গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল। স্বপ্ন দেখেছিলেন বিদেশ গিয়ে ভাগ্যবদলের। কম খরচে বিদেশ যাওয়ার জন্য ধরেন স্থানীয় দালাল শাহ আলমের হাত। তবে একা নন, পাঁচ বন্ধু ও পাশের গ্রামের ১৪ জনসহ ১৯ জন শুরু করেন সেই যাত্রা।

শুরুতে কড়ইতলা থেকে নেওয়া হয় ঢাকার সাভারে। এরপর বদল হয়েছে একের পর এক দালাল। একসময় শুরু হয় অজানা গন্তব্যের পথে যাত্রা, যার শেষ ছিল মিয়ানমারের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বন্দিজীবন।

সেখানে আড়াইহাজার থেকে আনা ১৯ জনকেই বিভিন্ন দালালের কাছে করা হয় বিক্রি। এরপর পরিবারের কাছে ফোন করে চাওয়া হয় মুক্তিপণ। যাদের পরিবার টাকা দিতে পেরেছে, তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে দেশে; আর যারা টাকা দিতে পারেনি, তাদের ওপর চলেছে টানা নির্যাতন। আট মাস নির্যাতন চালিয়ে একপর্যায়ে তুলে দেওয়া হয়েছে মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। এরপর আদালতের মাধ্যমে বয়সভেদে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড।

বিল্লাল যখন সেই দুর্বিষহ জীবনের কথা বলছিলেন, তার চোখে স্পষ্ট হচ্ছিল ভয়।

জানালেন, কক্সবাজার হয়ে টেকনাফের দিকে নেওয়ার সময় চোখে পড়েছিল একদল অস্ত্রধারীকে। যাদের হাতের অস্ত্রে লাগানো ছিল সাইলেন্সার। পাহারার নমুনা দেখেই বুঝতে পেরেছিলেন পড়েছেন বড় ফাঁদে। বিদেশযাত্রী নন, তারা আসলে বন্দি।

‘পরে আমাদের জাহাজের ভেতর ছোট ছোট জায়গায় গুঁজে রাখা হয়, ইঞ্জিনের সঙ্গে একটা রুম, তাতে ১০০ জনের ওপরে ছিলাম। নড়াচড়া করারও সুযোগ ছিল না। মনে হচ্ছিল একটা বন্ধ ফ্রিজের মধ্যে আছি’, যোগ করেন বিল্লাল।

তবে এখানেই শেষ নয়। মিয়ানমারে পৌঁছার পর শুরু হয় নতুন অধ্যায়। মুক্তিপণের জন্য প্রতিদিন করা হতো মারধর, আচরণ ছিল অমানবিক, বেঁচে থাকার জন্য যে খাবার দেওয়া হতো, তা এককথায় ছিল অখাদ্য।

বিল্লাল বলছিলেন, ‘এমনভাবে অত্যাচার করত, মনে হতো মরে যাই।’

পরিবারের কাছে একাধিকবার টেলিফোন করে মুক্তিপণের টাকা দাবি করা হয় বলে জানালেন বিল্লাল। আবুল কালাম আজাদ নামে এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যিনি সাংবাদিক পরিচয়ে ফোন করে টাকা ঠিকই নিয়েছিলেন, কিন্তু বিল্লালকে আর পাঠানো হয়নি বাড়িতে।

মিয়ানমারের কারাগার থেকে সেই আবুল কালামকে এতবার যে টেলিফোন করেছেন বিল্লাল, সেই নম্বরটি রীতিমতো মুখস্থ। সেই নম্বরে শুক্রবার রাতে কল করা হয় আগামীর সময়ের পক্ষ থেকে। অবশ্য সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া হয়নি।

শুরুতে পাচারে সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেন আবুল কালাম। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অর্থ আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলেও অস্বীকার করলেন সেসব।

কিন্তু বিল্লাল বারবারই দাবি করছিলেন, এই ব্যক্তিকেই তার পরিবার টাকা দিয়েছে কয়েক দফায়। এমনকি পরিস্থিতির চাপ, ছেলেকে মুক্ত করতে দালালদের জন্য বারবার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে মানসিক চাপ সইতে না পেরে মারা যান তার মা-ও।

দালালদের কারণে চোখের সামনে নিজের পরিবারকে হতে দেখেছেন ধ্বংস। এখন কাটিয়ে উঠতে পারছেন না মায়ের মৃত্যুর শোকও। বিল্লালের শুধু একটাই চাওয়া, অপরাধীদের যথাযথ বিচার।
একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানা গেল আরেক ভুক্তভোগী জুয়েলের কাছে।

তিনি বলছিলেন, ‘দালালদের প্রলোভনে পড়ে চেয়েছিলাম কম খরচে বিদেশ যেতে। আগে আমাদের এলাকায় অনেকে গেছে, তাই ভাবছিলাম যদি যেতে পারি। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি যে কষ্ট আর অত্যাচার। এমন জানলে টাকা দিয়ে এভাবে আসতাম না।’

‘আমাদের যেভাবে দালাল পরিবর্তন করেছে, মানুষ এভাবে সবজিও বিক্রি করে না।’

নির্যাতনের প্রসঙ্গ টানতেই বললেন, ‘দুই হাত পেছনে বেঁধে জোরে জোরে পিটাই তো। মনে হতো এই বুঝি প্রাণটা গেল। বাসা থেকে টাকা আনতে বলত। টাকা দিলে আমাদের কম মারত।’

প্রায় দেড় বছর নির্যাতন সহ্য করার পর কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে দেশে ফিরেছেন জুয়েল। আর রোজার ঈদের আগের রাতে তিন বছর পর দেশে ফিরেছেন বিল্লাল। এই তিন বছরে কত অর্থ তার পরিবার ও মা মুক্তিপণ হিসেবে দিয়েছেন, তার কাছে নেই সঠিক হিসাবও।

এ প্রসঙ্গে বলছিলেন, ‘জমিজমা যা ছিল, সব শেষ। আমার পরিবারটাই শেষ হয়ে গেল।’

বিল্লাল আর জুয়েল যে দালালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন, তারা স্থানীয়, এলাকার সবাই তাদের চেনেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো- এই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।

আড়াইহাজার থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন আগামীর সময়কে বললেন, এসব ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। যেসব দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তাদের বিরুদ্ধেও কোনো মামলাও নেই।

অথচ আইন বলছে, প্রতারণা বা প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে পাঠানো হলে তা মানবপাচার হিসেবে হয় গণ্য। যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এ ছাড়া লাইসেন্স ছাড়া বিদেশে লোক পাঠানো বা ভুয়া চাকরির প্রলোভন দেখানোও দণ্ডনীয় অপরাধ।

কেন অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা করেননি, সে বিষয়ে প্রশ্ন ছিল ভুক্তভোগীদের কাছে। তারা বললেন, দালালরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন, মামলা করলে সন্তানদের হত্যার ভয় দেখান। তাই কেউ সাহস নিয়ে মামলা করতে চান না।

বিল্লাল বা জুয়েলের মতো কত মানুষ এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন, তার কোনো তথ্য বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কাছে নেই।

তাদের কাছে যে তথ্য পাওয়া গেল সে অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৮০ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫০ বাংলাদেশি বিদেশে কাজ করতে গেছেন শ্রমিক হিসেবে।

আবার ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক বলছে, গত ১০ বছরে অন্তত ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭০ জন অভিবাসী বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধ হয়ে ‘আউটপাস’ নিয়ে দেশে ফিরেছেন।
কিন্তু এখানে কোথাও প্রতারণার শিকার হওয়া বা প্রতারিত হয়ে দেশে ফেরার পরিসংখ্যান নেই।

দালালচক্র

দালালদের এই চক্রটি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও এরা কাজ করে বেশ সুশৃঙ্খলভাবে।

এই চক্রের একদম প্রাথমিক ধাপে থাকেন স্থানীয় দালালরা, যাদের ওপর ভার থাকে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষ সংগ্রহ।

এরপর সেই সংগ্রহ করা মানুষদের বিক্রি করা হয় ধাপে ধাপে। প্রতিটি ধাপে নির্ধারিত হয় নতুন দাম, যেন মানুষ নয়, বিক্রি হচ্ছে কোনো পণ্য।

আর এই গোটা নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে। এই চক্রের চূড়ায় অবস্থান করা মূল হোতারা তাই রয়ে যান চোখের আড়ালে।

বিল্লালের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের গ্রামের শাহ আলমের খপ্পরে পড়ে বিদেশ যেতে রাজি হয়েছিলেন তারা। এই চক্রের মূল হোতা রশিদুল্লাহ ও শহিদুল্লাহ নামের দুই ভাই, যারা থাকেন থাইল্যান্ড। তাদের গ্রামের বাড়ি বিশনন্দীর মানিকপুর গ্রামে।

মূলত তাদের ইশারাতেই ঢাকা, কক্সবাজার, টেকনাফ হয়ে মানুষ বিক্রি হয় মিয়ানমারে গিয়ে।

দালালদের কাজের ধরন যাচাই করতে ভুক্তভোগী বিল্লালকে দিয়ে টেলিফোন করানো হয় মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা দালাল আবদুল্লাহকে। তাকে বলা হয়, ৭ জন লোক পাঠানো হবে। সেক্ষেত্রে জনপ্রতি কত খরচ পড়বে?

জবাবে টাকা নিয়ে দরকষাকষি শুরু করেন আবদুল্লাহ। একপর্যায়ে ঠিক হয়, প্রথমে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে দিতে হবে। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা দিতে হবে।
এই শর্তে রাজি হওয়ার পর আবদুল্লাহ টেকনাফের এক দালালের টেলিফোন নম্বর দেন। কিন্তু সেই নম্বরে যোগাযোগ করে কাউকে পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সরকারসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা বারবারই দালালদের হাত ধরে বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি করে আসছে নিরুৎসাহিত।

সর্বশেষ গত রবিবারও এক সাক্ষাৎকারে প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নুরুল হক নুর বলেছেন, অবৈধ পথে বিদেশ গমন ঠেকাতে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে চালানো হচ্ছে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন।

কিন্তু কম খরচে বিদেশ যাওয়ার এবং প্রচুর অর্থ উপার্জনের ব্যাপারে স্থানীয় দালালরা যেভাবে প্রলোভন দেখান, সেটি খুব কম মানুষই করতে পারেন প্রতিরোধ। আর সে কারণেই বাড়ছে পাচারের সংখ্যা।

মানবপাচারমুক্তিপণ আদায়
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ১২:০০ টা
    অস্ট্রেলিয়া
    ১
    মিসর
    ১
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ১১:০০ টা
    কানাডা
    ০
    মরক্কো
    ০
    ০৫ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    প্যারাগুয়ে
    ০
    ০৬ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    ব্রাজিল
    ০
    নরওয়ে
    ০
    ০৬ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    মেক্সিকো
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    ০৭ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    পর্তুগাল
    ০
    স্পেন
    ০
    advertisement
    advertisement
    মানুষের তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন রাসেল

    মানুষের তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন রাসেল

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২

    কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ জিতে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

    কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ জিতে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৩

    তৃণমূলে কোন্দলের শঙ্কায় বিএনপি

    তৃণমূলে কোন্দলের শঙ্কায় বিএনপি

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৫

    বাজারে প্রচলিত টাকা কমেছে ১১ হাজার কোটি

    বাজারে প্রচলিত টাকা কমেছে ১১ হাজার কোটি

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৪

    সফল এনসিটি কেন বিদেশিদের হাতে

    সফল এনসিটি কেন বিদেশিদের হাতে

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫০

    ঘানাকে হারিয়ে শেষ ১৬তে কলম্বিয়া

    ঘানাকে হারিয়ে শেষ ১৬তে কলম্বিয়া

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৮

    বিচারক মোশাররফ

    বিচারক মোশাররফ

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০০:০৫

    শোকের সাগরে ভাসছে ইরান

    শোকের সাগরে ভাসছে ইরান

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৬

    স্বচ্ছতার সঙ্গেই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে

    স্বচ্ছতার সঙ্গেই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮

    ইভি ব্যাটারি নির্মাতাদের জন্য পলিউশন ওয়াচডগ গঠন করছে হাঙ্গেরি

    ইভি ব্যাটারি নির্মাতাদের জন্য পলিউশন ওয়াচডগ গঠন করছে হাঙ্গেরি

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০০:৩৩

    নকআউটে রোনালদোর প্রথম গোল

    নকআউটে রোনালদোর প্রথম গোল

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮

    ছায়ানটে বর্ষার অনুষ্ঠান, সুফিয়া কামালকে নিবেদন

    ছায়ানটে বর্ষার অনুষ্ঠান, সুফিয়া কামালকে নিবেদন

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০২

    শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

    শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:২২

    ৪ গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনসিপির

    ৪ গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনসিপির

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৪ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৪ জুলাই)

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩

    advertiseadvertise