স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে অতিথিরা
তরুণদের আত্মহত্যা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নীরবতা ভেঙে উন্মুক্ত আলোচনা, সামাজিক কলঙ্ক দূর করা এবং ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য সহজলভ্য সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলেছেন, আত্মহত্যাকে শুধু ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যা হিসেবে দেখলে এর কার্যকর প্রতিরোধ সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, সরকার, সামাজিক সংগঠন ও গণমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘নীরবতা থেকে পদক্ষেপ: তরুণদের আত্মহত্যা বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন’ শীর্ষক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা। আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত বলেন, ‘জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষের আত্মহত্যার চিন্তা আসতে পারে। ওই সময়ে সহযোগিতার সুযোগ না থাকলে সংকট আরও বাড়ে। তাই মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে সহজলভ্য করার পাশাপাশি বিষয়টিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পাবনার মানসিক হাসপাতালের আধুনিকায়নে সরকার প্রকল্প নিয়েছে। ঢাকার মানসিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোও সমৃদ্ধ করার কাজ চলছে। একই সঙ্গে কমিউনিটিভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রান্তিক মানুষের কাছে এ সেবা পৌঁছে দিতে টেলিকাউন্সেলিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।’
দাপ্তরিক যোগাযোগে রাষ্ট্রপতি আর ‘মহামান্য’ নন, প্রধানমন্ত্রী নন ‘মাননীয়’
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনুষ্ঠানে আঁচল ফাউন্ডেশনের লিড সাইকিয়াট্রিস্ট ডা. সায়েদুল ইসলাম সায়েদ বলেন, ‘আত্মহত্যার পেছনে একক কোনো কারণ থাকে না; বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট একসঙ্গে কাজ করতে পারে। কেউ আত্মহত্যার কথা বললে সেটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা দিতে হবে।’




