শ্রাবণ সন্ধ্যায় ‘অন্তর্দাহ’: বেদনা ও প্রতিরোধের প্রত্যয়

সংগৃহীত ছবি
শ্রাবণের অঝোর বর্ষণের সন্ধ্যায় রাজধানীর ছায়ানট ভবনের মিলনায়তনে গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও বাদ্যযন্ত্রের সুরে উঠে এসেছে বেদনা, স্মৃতি, শোক ও প্রতিরোধের সম্মিলিত প্রকাশ। ‘গাই বাংলার গান পর্ষদ’-এর আয়োজনে আজ সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ঘণ্টার সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘অন্তর্দাহ—স্মৃতি দ্রোহ মিলন’।
সময়ের অস্থিরতা, গভীর শোক, প্রেম-বিরহ এবং অশুভের বিরুদ্ধে মানুষের চিরন্তন প্রত্যয়কে ধারণ করে সাজানো হয় আয়োজনটি। গান, নৃত্য, আবৃত্তি, বাঁশি ও দলীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে মানুষের অনুভূতি, যন্ত্রণা ও সাংস্কৃতিক চেতনার নানা দিক তুলে ধরা হয়।
আয়োজনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ‘গাই বাংলার গান পর্ষদ’-এর মুখ্য সংগঠক ফজলুল কবীর তুহিন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের জীবনে সংস্কৃতির প্রভাব অপরিসীম। সংস্কৃতি মানুষের মনন, মূল্যবোধ ও মানবিকতাকে বিকশিত করে; কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে চারপাশে যে অসহিষ্ণুতা ও সাংস্কৃতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তার বিপরীতে দাঁড়ানোর প্রত্যয় থেকেই ‘অন্তর্দাহ’-এর আয়োজন।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘অন্তর্দাহ শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসকে আঁকড়ে ধরে মানুষের কাছে ফেরার প্রয়াস।’
অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন অলোক কুমার দাশ, ইউসুফ হাসান অর্ক, মৌসুমী সরকার, মৌমিতা ও অমিতা। মিউজিক্যাল ধ্রুপদ পরিবেশন করেন সবুজ, শান্ত ও কামরুল। নৃত্য পরিবেশন করেন প্রান্তিক, প্লাবন্তি, ইতি ও শান্তনা। আবৃত্তিতে ছিলেন বেলায়েত হোসেন ও মহিউদ্দীন শামীম। এ ছাড়া ছিল দলীয় সংগীতের পরিবেশনা। বাঁশিতে সুর তোলেন তপু দাস।
গান, কবিতা, নৃত্য ও বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে স্মৃতি, শোক, দ্রোহ, মানবিকতা ও সাংস্কৃতিক চেতনার সম্মিলিত প্রকাশ।





