Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
পশুপাখি, পথিক সবার জন্য গাছের ফল
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সংস্কৃতি

প্রয়াণ স্মরণে কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বার

বাংলাদেশের জব্বার দ্যা গ্রেট

শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৭
বাংলাদেশের জব্বার দ্যা গ্রেট

বাংলা গানের ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায় আব্দুল জব্বার। ছবি: সংগৃহীত

আব্দুল জব্বার বাংলা গানের ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায়। কুষ্টিয়ার মাটি থেকে উঠে আসা এই শিল্পী নিজের কণ্ঠের জাদুতে জয় করেছিলেন কোটি শ্রোতার হৃদয়। ‘ওরে নীল দরিয়া’, ‘তুমি কি দেখেছ কভু’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’-এর মতো কালজয়ী গানের মাধ্যমে হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির আবেগের মূর্ত প্রতিরূপ। মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে তার গান ছিল মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গাওয়া তার গানগুলো যুদ্ধরত মুক্তিসেনাদের বুকের রক্তে জ্বেলেছিল আগুন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘গানপাগলা’ নামে পরিচিত এই শিল্পী ছিলেন তার অত্যন্ত স্নেহধন্য।

শিল্পী আব্দুল জব্বার (১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৮ - ৩০ আগস্ট, ২০১৭) প্রতিকৃতি: আর করিম

১৯৩৮ সালের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলায় জন্ম নেওয়া এই শিশুটি বড় হয়ে একদিন হয়ে উঠবেন বাংলা গানের কিংবদন্তি, সেটা তখন কে জানত! বাউল-বৈষ্ণবের দেশ কুষ্টিয়ার উদার প্রাকৃতিক পরিবেশে কেটেছে তার শৈশব। লালন সাঁইয়ের এই মাটিতে নদীর ঢেউ আর প্রাণখোলা বাতাসেই যেন রয়েছে সুরের ছোঁয়া। আব্দুল জব্বারের কণ্ঠে সেই সুরেরই স্পর্শ ছিল— মাটির গন্ধ, নদীর টান, মানুষের বেদনা আর স্বপ্নের আকাশ।

পাঁচ ভাই তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট আব্দুল জব্বার ছিলেন ক্রীড়ামোদী। ছোটোবেলায় ক্রিকেট-ফুটবল দুটোতেই বেশ আগ্রহ ছিল। খেলায় জেতার পর দর্শকদের মন মাতাতেন দরদি কণ্ঠে গান শুনিয়ে। মা ফুলজান বেগম ছেলের গান শুনে মুগ্ধ হতেন, উৎসাহ দিতেন। মায়ের সেই প্রেরণা আর ভালোবাসাই ছেলেটাকে গানের পথে ঠেলে দিয়েছিল। ছেলেবেলাতেই বন্ধুদের আড্ডায়, খেলার জয়ের উল্লাসে— সুযোগ পেলেই গেয়ে উঠতেন সিনেমার জনপ্রিয় গান। ১৯৫৬ সালে ম্যাট্রিক পাস করার আগ পর্যন্ত সংগীতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা মেলেনি। মোহিনীমোহন বিদ্যাপীঠ থেকে মেট্রিক পাস করার পর শুরু হলো আনুষ্ঠানিক গানের তালিম। অষ্টম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালীন কুষ্টিয়ায় মহম্মদ ওসমানের কাছে গান শিখতে শুরু করেছিলেন। পরে মকসেদ আলী সাঁই ও ওস্তাদ লুৎফল হকের কাছে তালিম নেন। ওপার বাংলার উচ্চাঙ্গসংগীত শিল্পী শিবুকুমার চ্যাটার্জীর কাছেও কিছুদিন কলকাতায় গান শিখেছেন। আব্দুল জব্বারের বিশ্বাস ছিল, কারো কণ্ঠে যদি সুর থাকে তবে একদিন না একদিন গান গেয়ে সে নাম করবেই।

১৯৫৮ সাল থেকে বেতারের নিয়মিত শিল্পী আব্দুল জব্বার

১৯৫৭ সালে একটি বিচিত্রানুষ্ঠানে তার কণ্ঠে নজরুল সংগীত ‘ঘুমিয়ে আছো বুলবুলি গো মদিনার গুলবাগে’ শুনে মুগ্ধ হয়ে ঢাকা বেতারের গীতিকার আজিজুর রহমান তাকে রাজধানীতে নিয়ে আসেন। ১৯৫৮ সাল থেকে বেতারের নিয়মিত শিল্পী হিসেবে শুরু। কবি আজিজুর রহমানের রচনায় বেতারে গাওয়া তার প্রথম গান ‘হারিয়ে এলাম কোথায় বলো আমার সেই সাথীটিরে’। ১৯৬৪ সাল থেকে বিটিভির নিয়মিত গায়ক হিসেবে পরিচিতি পান। বেতারেই তার কণ্ঠে নজরুল সংগীত শুনে সংগীত পরিচালক রবীন ঘোষ তাকে সিনেমায় প্লেব্যাকের প্রস্তাব দেন। তখনো পর্যন্ত আব্দুল জব্বার মূলত ছিলেন বেতারের শিল্পী।

‘নতুন সুর’ সিনেমার জন্য রবীন ঘোষ ভাবলেন, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় আর ফেরদৌসি রহমানকে ডুয়েট করাবেন। কেজি মোস্তফা জানালেন, ‘একটা ছেলে আছে হেমন্তের মতো গায়।’ ফেরদৌসি রহমান জানালেন, ‘হ্যাঁ, বাসায় এসেছিল আমার, গায় ভালো।’ সেই থেকে শুরু জব্বার সাহেবের সিনেমাতে গান গাওয়া। এহতেশাম পরিচালিত ও রবীন ঘোষ সুরারোপিত ১৯৬২ সালের ‘নতুন সুর’ সিনেমার মাধ্যমে নেপথ্য শিল্পী হিসেবে অভিষেক ঘটে তার। ১৯৬৪ সালে জহির রায়হান পরিচালিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র ‘সংগম’-এর গানেও কণ্ঠ দেন তিনি।

১৯৬৮ সালটা আব্দুল জব্বারের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল। ‘এতটুকু আশা’ ছবিতে সত্য সাহার সুরে গাইলেন ‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়’। গানটা মুক্তি পাওয়ার পর সারাদেশে তোলপাড়। পর্দায় আলতাফ হোসেনের ঠোঁটে এই গান দেখে দর্শকের চোখে পানি। জীবন কী? পরাজয় কী? স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে যায়?— এমন সব প্রশ্ন যেন এই গানের মাধ্যমে খুঁজে পেয়েছে চিরকালের বেদনার ভাষা।

কবি ও শিল্পী হাসান মাহমুদের আয়োজনে গান পরিবেশন করছেন শিল্পী আব্দুল জব্বার

আব্দুল জব্বার নিজেই বলেছিলেন, জীবনে যতবার মঞ্চে উঠেছেন, এই গানটা না গাইলে দর্শক তাকে ছাড়েনি। খোদ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় নাকি বলেছিলেন, ‘তুমি বাংলাদেশের জব্বার, তোমার এই গান আমাকে মোহিত করেছে। এত সুন্দর কণ্ঠ, এত সুন্দর গান বিরল।’ একই বছর ‘পিচ ঢালা পথ’ ছবিতে রবিন ঘোষের সুরে ‘পিচঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি’, আর ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’ ছবিতে রাজা হোসেন খানের সুরে ‘সুচরিতা যেয়োনাকো’— এই দুটো গানও তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। ‘পিচঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি, তার সাথে এই মনটারে বেঁধে রেখেছি’— তরুণ রাজ্জাকের ঠোঁটে এই গান আজও যেন পথের প্রতি, জীবনের প্রতি, বেঁচে থাকার প্রতি এক অনির্বচনীয় ভালোবাসা। এই গানটার কোরাসও কি দারুণ— ‘দিন যায় রাত যায় এমনি করে, অলিগলি পথ-ঘাট ঘুরে ঘুরে’। পরবর্তী সময়ে ‘সুচরিতা যেও নাকো’ গানটির মাধ্যমে রোমান্টিক গায়ক হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পেলেন তিনি। আসলে আব্দুল জব্বার ছিলেন সেই শিল্পী, যিনি একই সাথে গাইতে পারতেন জীবনের গভীরতম বেদনা আর প্রেমের নরম আবেগের গান। ‘এক বুক জ্বালা নিয়ে’ থেকে ‘পিচঢালা পথ’— এই বিস্তৃতি শুধু গানের ধরন নয়, জীবনেরও। গ্লানিময় দিন যাপন শেষে কার না গাইতে ইচ্ছে করে, ‘একবুক জ্বালা নিয়ে বন্ধু তুমি কেন একা বয়ে বেড়াও?’ দিন যাপনের নানান আশা নিরাশায় গাইতে হয়, ‘তুমি কি দেখেছো কভু’। স্বাধীনতার আগে জহির রায়হানের ‘সংগম’, ‘জীবন থেকে নেওয়া’, সুভাষ দত্তের ‘আলিঙ্গন’, নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘দীপ নেভে নাই’, ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’, ‘বিনিময়’, ‘নাচের পুতুল’, ‘ছদ্মবেশী’, ‘সিরাজউদ্দৌলা’, ‘আপনপর’, ‘এতটুকু আশা’র মতো সিনেমায় গান গেয়ে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশে ‘মানুষের মন’, ‘স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা’, ‘ঝড়ের পাখি’, ‘আলোর মিছিল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘তুফান’, ‘অঙ্গার’, ‘সারেং বৌ’, ‘সখি তুমি কার’, ‘কলমিলতা’ সিনেমায় তার গাওয়া গানগুলো জনপ্রিয়তা পায়।

পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র ‘সংগম’-এর গানেও কণ্ঠ দেন আবদুল জব্বার

কিন্তু আসল জাদুটা আব্দুল জব্বার দেখালেন ১৯৭৮ সালে। শহীদুল্লাহ কায়সারের কালজয়ী উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘সারেং বৌ’ ছবির কথা। আবদুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত এই ছবিতে কদম সারেং-রূপী ফারুকের নিজের দেশের প্রতি মমতা, বাড়িতে রেখে যাওয়া স্ত্রীর প্রতি আকুলতা— এই আবেগকে মূর্ত করে তুলতে দরকার ছিল এক অনবদ্য গান। সুরকার আলম খান ১৯৬৯ সালে অসুস্থ অবস্থায় একদিন গুনগুন করে একটা সুর মাথায় পেয়েছিলেন। বহুদিন সেই সুরের জন্য উপযুক্ত দৃশ্য খুঁজে পাননি। ‘সারেং বৌ’-এর গল্প শুনে বুঝলেন, এই তো সেই দৃশ্য! সুরের ওপর মুকুল চৌধুরী লিখলেন ‘ওরে নীল দরিয়া, আমায় দে রে দে ছাড়িয়া’। কণ্ঠ দিলেন আব্দুল জব্বার। মুকুল চৌধুরীর লেখা আলম খানের সুরে ‘ওরে নীল দরিয়া’ গানটা প্রচুর বাদ্যযন্ত্র ও নানান শব্দের সংমিশ্রণে বানানো হয়েছিল। গানটার প্ল্যান ছিল সিনেমার ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজবে। কিন্তু প্রয়াত নায়ক ফারুক ছিলেন বুদ্ধিমান, তিনি বললেন, তার লিপে ‘থাকতেই হবে’ গানটা। আবদুল্লাহ আল মামুন ছিলেন পরিচালক, তিনি অনেক বোঝালেন। কিন্তু কাজ হলো না। গান গেল, হিট হলো, কবরী-ফারুকের অভিনয় সবার মন জয় করলো। গানটা রেকর্ডিং-এর সময় কাকরাইলের ইপসা স্টুডিয়োতে ১২ জন রিদম প্লেয়ারসহ ১০ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পী একসঙ্গে বাজিয়েছিলেন। ট্রেনের শব্দ, সাম্পানের বইঠা, পানির ছপছপ শব্দ, একতারা— সব মিলিয়ে তৈরি হলো এক অবিস্মরণীয় সুরের ইন্দ্রজাল। ছবি মুক্তি পাওয়ার পর ‘ওরে নীল দরিয়া’ হয়ে গেল শুধু একটি গান নয়, এক অমোচনীয় ইতিহাস। এই গানই তাকে খ্যাতির চূড়ায় নিয়ে গেলো। আজও যখন কেউ প্রবাস থেকে দেশে ফেরে, যখন কেউ প্রিয়জন থেকে দূরে থাকে, তখন এই গানটা ভেসে ওঠে হৃদয়ে।

অন্তরঙ্গ আড্ডায় আব্দুল জব্বার, কবি জাহিদুল হক এবং অনূপ ভট্টাচার্য

আব্দুল জব্বারের কণ্ঠ শুধু আবেগ গলিয়ে আনন্দদানের জন্য ছিল না, হয়ে উঠেছিল এক তীব্র মারণাস্ত্রও। ষাটের দশকের শেষ দিকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় পূর্ব পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীরা গ্রেপ্তার হওয়ার সময় থেকে প্রতিবাদী গণসংগীতে কণ্ঠ দিতে থাকেন তিনি। ১৯৬৬ সাল থেকেই বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দাবিতে উত্তাল সারা দেশ। আগরতলা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে। এমন সময় আব্দুল জব্বার গেয়ে চলেছেন ‘তুমি কি দেখেছো বন্ধু আইয়ুবের পরাজয়’, ‘শহরবাসী শোন’, ‘তোমরা যাদের মানুষ বল না’—এই গানগুলো সে সময়ের প্রতিবাদী মানুষের মনে আগুন জ্বেলেছিল। এই গানগুলো গাইতে গাইতেই স্বাধীনতার আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।

আগরতলা মামলা থেকে রেহাই পেয়ে শেখ মুজিবুর রহমান যে কয়জন মানুষের খোঁজ করেছিলেন তাদের মধ্যে একজন ছিলেন ‘গানপাগলা’ আব্দুল জব্বার। তাকে দেখলেই বুকে জড়িয়ে নিতেন বঙ্গবন্ধু। দেশপ্রেমী এই শিল্পীকে এতটাই পছন্দ করতেন তিনি। এমন একজন শিল্পীর কণ্ঠেই মানায়— ‘শোন একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি’, ‘মুজিব বাইয়া যাও রে, অকূল দরিয়ায়’, ‘সাত কোটি মানুষের একটাই নাম, মুজিবর’, অথবা ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই’।

১৯৬৯ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘বিমূর্ত’ নামের একটি সংগীত বিদ্যালয়। গঠন করেন ‘বঙ্গবন্ধু শিল্পীগোষ্ঠী’, যার সভানেত্রী ছিলেন বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব। মুজিব পরিবারের সাথে গড়ে ওঠে গভীর সম্পর্ক। ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’— এই গানটি আব্দুল জব্বারের জীবনের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে। ১৯৬৯ সালে ফজল-এ-খোদার লেখা এই গানটির সুর করেছিলেন আব্দুল জব্বার নিজেই। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর ট্রাকে করে এই গান গাইতে গাইতে সারা ঢাকা শহর ঘুরে বেড়িয়েছিলেন তিনি। গানের কথাটা বঙ্গবন্ধুর কানে পৌঁছালে তিনি নাকি জব্বারকে ডেকে বলেছিলেন, ‘তোর মতো এত পাতলা-পুতলা একটা পোলা আইয়ুবের বিরুদ্ধে কথা কয়, ডর করে না তোর?’ জব্বার উত্তরে বলেছিলেন, ‘বাবা, আপনে যদি ভয় না পান, তাহলে আমি পাব কেন?’ সেদিন থেকে বঙ্গবন্ধু তাকে ছেলে সম্বোধন করা শুরু করেছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৪ মার্চ গানটি প্রথম বেতারে প্রচার হয়।

শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আব্দুল জব্বার

শেখ মুজিবুর রহমানের খুব স্নেহধন্য ছিলেন আব্দুল জব্বার। সবসময় কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করতেন তিনি। বিভিন্ন সময় সেসব স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন আব্দুল জব্বার। স্বাধীন দেশ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বহু গান গাওয়া এই শিল্পী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে এক জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত তার স্মৃতি কথায় উল্লেখ করেন— ‘তখন বাংলাদেশ সদ্য স্বাধীন হয়েছে। বাবা (বঙ্গবন্ধু) একদিন আমাকে ডেকে বললেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এমন একটা গান বানা তো পাগলা, যেমন একুশে ফেব্রুয়ারিকে নিয়ে আছে ‘আমার ভাইয়ের রক্ত রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’। যেই বলা সেই কাজ। বাবার আদেশ পালন করতে ছুটে গেলাম কবি ও গীতিকার ফজল-এ-খোদার কাছে। লেখা হলো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সেই গান— ‘সালাম সালাম হাজার সালাম সকল শহীদ স্মরণে।’ সুর করে গানটি বাবার সামনেই গাইলাম। বাবা বিস্ময়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘কী চাস তুই আমার কাছে? মন্ত্রী হবি?’ আমার উত্তর ছিলো ‘না’। বেতারের বড় একটা চেয়ার দিই? এবারেও আমার উত্তর ‘না’। তখন বাবা বলেছিলেন, ‘তাহলে তুই কি চাস?’ উত্তরে আমি বলেছিলাম, ‘আমার এখনো অনেক গান গাওয়া বাকি আছে। আমি সারা জীবন গানই গাইতে চাই।’ বাবা তখন আমার মাথায় হাত রেখে বললেন, ‘ওরে পাগলা, তুই তাইলে সারাজীবন গানই গা।’’

মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির যুদ্ধ তহবিল’-এর অর্থ সংগ্রহের শিল্পীদল। ডান দিক থেকে তৃতীয় ব্যক্তি আব্দুল জব্বার এবং চতুর্থ ব্যক্তি দলের নেতা বাদল রশীদ।

২৫ মার্চ রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা হয়েছিল আব্দুল জব্বারের। তখন বলেছিলেন তিনি, ‘সাবধানে থাকিস, অনেক কাজ আছে তোর।’ একাত্তরের বিভীষিকাময় দিনগুলোতে আব্দুল জব্বার সত্যিই সেই কথাটা মনে রেখেছিলেন। ২৫ মার্চের পর স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকা ছেড়ে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে আগরতলা, তারপর কলকাতা। আশুতোষের কণ্ঠে ‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে’ গানটা শুনেই তিনি আগরতলা আসেন। আগরতলার ছোট রেডিয়ো স্টেশনেই দেশের একটা গান গাইবার সুযোগ পান। এরপরে যা হয় সেটা ইতিহাস। সেখানে আপেল মাহমুদের সাথে দেখা হওয়ার পর মুজিবনগরে পৌঁছে যোগ দিলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন, তার গানই প্রথম বাজে, অনুষ্ঠান শুরুর গানেও কোরাসের বাইরে তিনি ছিলেন প্রধান শিল্পী। পরবর্তী নয় মাসে ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘অনেক রক্ত দিয়েছি মোরা’, ‘আমি এক বাংলার মুক্তিসেনা’, ‘বাংলার স্বাধীনতা আনলো কে- মুজিব মুজিব’— এই গানগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা দিয়েছে। তার গান শুনে অনেকেই অংশ নিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। শুধু কি বেতারে গান? কাঁধে হারমোনিয়াম ঝুলিয়ে তিনি ছুটে গেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে। যুদ্ধের থমথমে পরিবেশেও হারমোনিয়ামের রীডের ঝংকারে গেয়ে গিয়েছেন কত কালজয়ী গান। তার আন্তরিক চেষ্টা মুক্তিযোদ্ধাদের মুখে ফোটাতো হাসি, চোখে জন্ম দিতো হেরে না যাওয়ার আশা আর বুকে এনে দিতো স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার শক্তি। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের বিভিন্ন স্থানে গণসংগীত গেয়ে তিনি ১২ লাখ রুপি উপার্জন করেন— সেই টাকা তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেছিলেন। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত তৈরিতে কাজ করেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় গান পরিবেশন করছেন আব্দুল জব্বার, ফরিদা পারভীন ও আপেল মাহমুদ

যেকোনো টিভি ইন্টারভিউ ও অনুষ্ঠানে একটা কথা বারবার বলতেন জব্বার। তিনি বলতেন, ‘আমার জীবনে, আমার চার পাঁচ দশকের সংগীত ক্যারিয়ারে, সবচেয়ে স্মৃতিময় অর্জন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কিংবা পুরো ভারতে ঘুরে ঘুরে গান গেয়েছি, মানুষের যে ভালোবাসা পেয়েছি, কত বিখ্যাত মানুষদের সাথে মিশেছি, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় আমাকে যে স্নেহ করতেন তা একাত্তর না এলে সম্ভব ছিল না।’ এই কথাগুলোর মধ্যেই যেন তার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তির হিসাব লুকিয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধই ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন— গান গেয়ে দেশের জন্য, মানুষকে জাগানোর জন্য, ইতিহাসের অংশ থাকার জন্য।

সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য আব্দুল জব্বার পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা। ১৯৮০ সালে একুশে পদক, ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার— দেশের সর্বোচ্চ এই বেসামরিক সম্মানগুলো তার প্রাপ্য ছিল। বঙ্গবন্ধু পদক, জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কার, বাচসাস আজীবন সম্মাননা, সিটিসেল চ্যানেল আই আজীবন সম্মাননা— এই তালিকা দীর্ঘ। ২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার জরিপে সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছিল তার গাওয়া তিনটি গান— ‘তুমি কি দেখেছ কভু’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, আর ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’। একজন শিল্পীর জন্য এর চেয়ে বড় স্বীকৃতি আর কী হতে পারে!

কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বারের প্রথম মৌলিক গানের অ্যালবাম ‘কোথায় আমার নীল দরিয়া’

কিন্তু আব্দুল জব্বারের জীবনে ছিল একটি অপূর্ণ সাধ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অগণিত সিনেমার গানে কণ্ঠ দিলেও জীবনের প্রথম একক অ্যালবামটি প্রকাশ পেয়েছিল মৃত্যুর মাত্র কিছু দিন আগে, ২০১৭ সালে। নাম ‘কোথায় আমার নীল দরিয়া’। ২০০৮ সালে অ্যালবামটির কাজ শুরু হলেও জটিলতার কারণে মুক্তি পাচ্ছিল না। শেষমেষ মুক্তি পাওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, ‘এটি আমার প্রথম অ্যালবাম। এ অ্যালবামটি করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। গানগুলোর কথা অসাধারণ। এর মধ্যে মা, মাটি, দেশ, ধর্ম, সমাজ সবই আছে।’ গীতিকার আমিরুল ইসলামের লেখা ও সুরকার গোলাম সারোয়ারের সুরে ৯টি মৌলিক গান নিয়ে অ্যালবামটি। ‘আমি আপন ঘরের জানলাম না খবর’, ‘মা আমার মসজিদ’, ‘এখানে আমার পদ্মা মেঘনা’, ‘প্রেমের বিষকাঁটা’, ‘নয়নে মেখো না কাজল’, ‘আমাকে তোমাদের ভালো না লাগলেও’, ‘আমি দুঃখকে বলেছি’—ভিন্নমাত্রিক আবেগের গানগুলো। প্রথমে নাম ভাবা হয়েছিল ‘মা আমার মসজিদ আমার’, কিন্তু শেষমেশ ‘ওরে নীল দরিয়া’ খ্যাত আব্দুল জব্বারের অ্যালবামের নামেও বহাল রইল তার প্রিয় নীল দরিয়া।

আব্দুল জব্বারের ব্যক্তিগত জীবনও ছিল বর্ণাঢ্য। প্রথম স্ত্রী শাহীন জব্বার শাহীন একজন গীতিকার, দ্বিতীয় স্ত্রী রোকেয়া জব্বার মিতা, তৃতীয় স্ত্রী হালিমা জব্বার। দুই ছেলে দুই মেয়ে রেখে গেছেন তিনি। তার গানের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল জীবনের প্রতি তার ভালোবাসা। ‘শিল্পী আমি তাই কবিতা আমার ভালো লাগে, কবিতা আছে তাই এত গান আমার কণ্ঠে জাগে’— এই গানটি যেন তার অন্তরের কথাই বলে। কবিতার মতোই তিনি ছিলেন সুরের কবি, গানের কবি। তার হৃদয়ছোঁয়া বহু গানের মধ্যে একটি গান তার মৃত্যুর সময় ফিরে ফিরে আসছে ভক্ত-শ্রোতাদের মনে। সত্তরের দশকে ‘মা’ অ্যালবামের সেই গান সিনেমাতেও ব্যবহার করা হয়েছিল। ‘বিদায় দাও গো বন্ধু তোমরা, এবার দাও বিদায়’ শিরোনামের ওই গানে আব্দুল জব্বার গেয়েছিলেন— ‘এই বুঝেছি সার, মিছে এ সংসার/হেথা আপন বলে মানতে পারি/এমন কেহ নাই রে/এমন কেহ নাই’ কী অদ্ভুত মিল! জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এই গানটিই যেন তার মুখের ভাষা হয়ে উঠেছিল। সংসারের মায়া, জীবনের হিসাব— সব ছাপিয়ে তিনি ছিলেন এক শিল্পী, যার কাছে গানই ছিল শেষ কথা।

কবিতার মতোই জব্বার ছিলেন সুরের কবি, গানের কবি

এই প্রজন্মের মানুষ আব্দুল জব্বারের গান তেমন শোনে কী আর? তার গান সব সময় তারুণ্যের। এখনও সড়কে চলার সময় গুনগুন করে কার না গাইতে ইচ্ছে করে, ‘পিচ ঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি’।

আব্দুল জব্বারের বাঁচার ইচ্ছে ছিল প্রবল। অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেয়ে আরো কিছুদিন বাঁচার বড় সাধ ছিল তার। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতা আর রোগের লড়াইয়ে শেষমেষ হেরে গেলেন। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন, দুটো কিডনিই বিকল হয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালে থাকা অবস্থায় এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘যখন আমি লাইফ সাপোর্টে থাকব, তখন সবাই আমাকে দেখতে আসবেন। মারা গেলে শহীদ মিনারে নিয়ে যাবেন। আমার এ সব কিছুর দরকার নাই। আমি আরও কিছুদিন বাঁচতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে অনুদানের মাধ্যমে চিকিৎসা সহায়তা করা হলেও বড় অঙ্কের টাকা বাকি থেকে যায়। ২০১৭ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ৯টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন আব্দুল জব্বার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

এই কিংবদন্তি চিরকাল বেঁচে থাকবেন তার কালজয়ী গানে

আজ তার মৃত্যুদিনে ফিরে তাকালে মনে হয়, আব্দুল জব্বার আসলে চলে যাননি। তিনি আছেন— প্রতিবার ‘ওরে নীল দরিয়া’ শোনার সময়, প্রতিবার ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গুনগুন করার সময়, প্রতিবার ‘তুমি কি দেখেছ কভু’ গানের প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হওয়ার সময়। তিনি আছেন সেই পিচঢালা পথে, যে পথ ভালোবেসেছিলেন। আছেন সেই নীল দরিয়ার ঢেউয়ে, যে ঢেউ তাকে ডেকেছিল অনন্ত যাত্রায়। আছেন সেই কবিতায়, যে কবিতার প্রেমে মগ্ন হয়েছিলেন শত রাগে। যে কণ্ঠে বাংলার নদী কথা বলে, সেই কণ্ঠ কি কোনোদিন থামে?

নীল দরিয়ার অমর শিল্পীকে আজ গভীর শ্রদ্ধা জানাই। বাংলা গানের এই কিংবদন্তি চিরকাল বেঁচে থাকবেন তার কালজয়ী গানে, বাঙালির হৃদয়ে, ভালোবাসায়।

লেখক, আগামীর সময়ের হেড অব ক্রিয়েটিভ, রিসার্চ অ্যান্ড ইভেন্টস এবং সাহিত্য সম্পাদক

সংস্কৃতিআব্দুল জব্বার
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    গভীর রাতে সাবেক সচিবের জমি দখলের অভিযোগ

    গভীর রাতে সাবেক সচিবের জমি দখলের অভিযোগ

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৫৯

    ‘শারজাহ মডেলে’ সাজতে পারে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর

    ‘শারজাহ মডেলে’ সাজতে পারে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৫

    নেপাল-তিব্বতের বন্যার ছবি চীনে দেখানো হচ্ছে না কেন

    নেপাল-তিব্বতের বন্যার ছবি চীনে দেখানো হচ্ছে না কেন

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩৭

    ইমরান খানকে জেলে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, অভিযোগ ছেলেদের

    ইমরান খানকে জেলে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, অভিযোগ ছেলেদের

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:২৭

    নেপালে বন্যার তাণ্ডব থেকে জীবন ফিরে পাওয়ার গল্প

    নেপালে বন্যার তাণ্ডব থেকে জীবন ফিরে পাওয়ার গল্প

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৯

    এনসিপির সভাস্থলে পাল্টা কর্মসূচির ডাক, যা বলছে জেলা প্রশাসন

    এনসিপির সভাস্থলে পাল্টা কর্মসূচির ডাক, যা বলছে জেলা প্রশাসন

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:১৬

    কুমিল্লায় মহাসড়কে যানজটে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু

    কুমিল্লায় মহাসড়কে যানজটে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৩

    সংকট মেটাতে ‘সার কার্ড’

    সংকট মেটাতে ‘সার কার্ড’

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৮

    দুঃখ প্রকাশ করে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

    দুঃখ প্রকাশ করে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৩০

    ‘জিরো কস্টে’ যাচ্ছেন ১০ হাজার, ভয় সেই পুরনো সিন্ডিকেট

    ‘জিরো কস্টে’ যাচ্ছেন ১০ হাজার, ভয় সেই পুরনো সিন্ডিকেট

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৪০

    বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে বিধিনিষেধ, ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে কী বদলাবে?

    বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে বিধিনিষেধ, ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে কী বদলাবে?

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৫৭

    হিমবাহ ধসে তৈরি হ্রদে কমছে পানি, আপাতত কাটছে বন্যার শঙ্কা

    হিমবাহ ধসে তৈরি হ্রদে কমছে পানি, আপাতত কাটছে বন্যার শঙ্কা

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪৯

    গরম না কমলে কমবে না লোডশেডিং

    গরম না কমলে কমবে না লোডশেডিং

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৩

    উন্নয়নের ডিনামাইটে ক্ষতবিক্ষত হিমালয়

    উন্নয়নের ডিনামাইটে ক্ষতবিক্ষত হিমালয়

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৫

    নেপালের বন্যায় ভেসে আসা সিন্দুক ভেঙে ৯৩ লাখ রুপি চুরি, আটক ২৯

    নেপালের বন্যায় ভেসে আসা সিন্দুক ভেঙে ৯৩ লাখ রুপি চুরি, আটক ২৯

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২৮

    advertiseadvertise