আরেক মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মেজর সাদেক, আটকে গেল কারামুক্তি

ফাইল ছবি
রাজধানীর খিলক্ষেত থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় চাকরিচ্যুত সাবেক মেজর সাদেকুল হককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন আসামি সাদেককে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর তিন মাসের কারাদণ্ড দেন সামরিক আদালত। তখন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
পরে ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ৭ আগস্ট গাড়ি পোড়ানোসহ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ভাটারা থানার আরেক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. চাঁদ আলী। পরে গত ১০ আগস্ট আসামির উপস্থিতিতে শুনানি শুরু হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এইচ এম আল-আমিন আদালতকে জানালেন, ঘটনার সময় আসামি কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থেকে তিনি কীভাবে গাড়ি পোড়ান! এ বিষয়ে ভাটার থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ব্যাখা দিতে নির্দেশ দেন বিচারক।
পরে গত ১৬ আগস্ট ব্যাখ্যাসহ প্রতিবেদন দিলেও শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নাকচ করে দেন। পরদিন ১৭ আগস্ট খিলক্ষেত থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৭ মে দুপুর ২টার দিকে খিলক্ষেত বাজারসংলগ্ন এলাকায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সময় সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করায় তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ভাবমূর্তি, সুনাম ক্ষুণ্ন করা ও ঢাকা সেনানিবাসের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে ‘সহযোদ্ধা’ নামক সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়। এ ঘটনায় ঢাকা সেনানিবাসের সদর দপ্তর লজিস্টিকস এরিয়ার আজিজুল ইসলাম পরদিন ১৮ মে খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন।






