বিনা ভোটের এমপি ছিলেন শিরীন শারমিন : ফারুকী

গ্রেপ্তারের পর আদালতে নেওয়া হয় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে । সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা।
এদিন বেলা ১ টা ৫৫ মিনিটে আদালতে হাজির করে শিরীন শারমিন চৌধুরীর দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।
শুনানীকালে তিনি বলেছেন, ‘এই আসামি ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী। তিনি ছিলেন বিনা ভোটের এমপি এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের উপকারভোগী। মামলার এজাহারনামীয় ৩ নম্বর এ আসামি এতদিন ছিলেন আত্মগোপনে। অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।’
‘এ মামলার ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এই ঘটনার সাথে আর কারা জড়িত তা জানতে এবং আলামত উদ্ধারের জন্য প্রয়োজন নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ। এজন্য সর্বোচ্চ দুই দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি আসামির’, আদালতকে বলছিলেন তিনি।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে মিছিল করছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। ওইদিন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা, বিপ্লব বড়ুয়া, ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। এসময় গুলিবিদ্ধন হন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। আন্দোলনকারী কয়েকজন তাকে নিয়ে যান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যথাক্রমে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতাল এবং জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয় তাকে। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন ভুক্তভোগী আশরাফুল।















