নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা
দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে ৩ আসামি, রিমান্ড শেষে কারাগারে ৩

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে নিউ গিনি প্রোপার্টিজে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে—ফাইল ছবি
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে ‘নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেড’-এর প্রকল্প ভাঙচুর, লুটপাট, চুরির মামলায় তিন আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— মিজানুর রহমান, শাহরিয়ার মাহমুদ ও শাহ আলম।
এদিকে, একই মামলায় দ্বিতীয় দফায় অন্য তিন আসামির তিন দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন— মামুন, মো. আসলাম ও মো. মুন্না।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, এদিন ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করে তিনজন কারাগারে আটক রাখার এবং অপর তিন আসামির ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত দেবনাথ।
শুনানি শেষে তিন আসামির তিন দিনের রিমান্ড এবং অপর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে গত ১ অক্টোবর মিজানুরসহ তিনজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। আর আজ রিমান্ডে যাওয়া তিনজনের গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় তিন দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছিল।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা ইসিবি চত্বরে নিউগিনি প্রোপার্টিজের ক্রয়কৃত জমির ওপর নির্মিত নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সম্পত্তি দখলসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে আসামিরা ওই প্রজেক্টে অনধিকার প্রবেশ করেন।
এ সময় ৩০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এ সময় ওই প্রজেক্টে দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারসহ শ্রমিকদের মারধর ও জখম করেন তারা। পরে নির্মাণাধীন ভবনে রাখা কয়েক কোটি টাকার মালামাল লুট ও ক্ষতি করেন আসামিরা।
এ ছাড়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের স্টুডিওতেও প্রবেশ করে ৯৫ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত করেন তারা। এ ঘটনায় মো. সাইফুল ইসলাম ইমন বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৫০/২০০ জনকে আসামি করা হয়।




