সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে প্রতিবেদন দাখিল ১৩০ বার পেছাল

ফাইল ছবি
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ৫ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে মামলাটির প্রতিবেদন দাখিলে ১৩০ বার পেছাল।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নতুন এ দিন ধার্য করেন।
এদিন এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ধার্য ছিল। তবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তবে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। পরে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ৫ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।
এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন— রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর জামিন রয়েছেন এবং পলাশ জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। বাকিরা কারাগারে আটক রয়েছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। এরপর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই)। ৪ দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ওই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তদন্ত শেষে ৬ মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। আদালতের আদেশের পর ওই বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।



