সকালে বর্জ্য ছিল সন্ধ্যার মধ্যে সাফ
- দক্ষিণ সিটিতে ১৯ হাজার ৬৪১ টন কোরবানির বর্জ্য ডাম্পিং
- উত্তর সিটি ডাম্পিং হয়েছে ১১ হাজার ৪৭১ টন বর্জ্য

সংগৃহীত ছবি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কারের ক্ষেত্রে ঘণ্টাভিত্তিক সময় গণনার রীতি শুরু করেছিলেন, যা এখন দুই সিটি করপোরেশনেই প্রথায় পরিণত হয়েছে। এবারও কোরবানির দিন সেই রীতিরই পুনরাবৃত্তি করেছে ঢাকার দুই সিটি। উত্তর সিটির প্রশাসক ১২ ঘণ্টা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য পরিষ্কারের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেন। শুক্রবার ঢাকার সড়কগুলোতে নজর দিলেই সেই নির্ধারিত সময়ের দৃশ্যমান ও স্বস্তিদায়ক ফলাফল দেখা গেছে।
গতকাল কোরবানির পর থেকেই দুই সিটি করপোরেশন বর্জ্য পরিষ্কারের কাজ শুরু করে। তবে সকালে রাজধানীর বেশ কিছু সড়কে বর্জ্য চোখে পড়ে। এর মধ্যে রামপুরার ওয়াপদা রোড, মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক, গেন্ডারিয়া এবং দয়াগঞ্জ এলাকা উল্লেখযোগ্য। দুপুর পর্যন্ত এসব সড়কে কোরবানির বর্জ্য দেখা গেছে। তবে বিকেল গড়াতেই সেসব বর্জ্য সরিয়ে নেয় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।
ওয়াপদা রোডের বাসিন্দা ইব্রাহিম মিয়া ‘আগামীর সময়’-কে বলেছেন, দুপুরের পরপরই কোরবানির বর্জ্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাই এবার দুর্গন্ধ কম ছিল। গতবারের তুলনায় এবার বর্জ্য পরিষ্কারের গতি ভালো।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণে দুই সিটির হাজার হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মোট ১৯ হাজার ৬৪১ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে চূড়ান্তভাবে ডাম্পিং করেছে। অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট ১১ হাজার ৪৭১ টন বর্জ্য ডাম্পিং করেছে।
ঢাকার দুই সিটির প্রশাসকদের কঠোর নজরদারি, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং লজিস্টিক সাপোর্টের কারণে ঈদের পরদিনই ঢাকাবাসী একটি পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত শহর উপহার পেয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এই গতি ও সাফল্য ভবিষ্যতে আরও উন্নত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।







