পহেলা বৈশাখে নানা আয়োজন বর্ষবরণ পর্ষদের

ছবিঃ আগামীর সময়
বর্ণিল ও আনন্দঘন আয়োজনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে ‘বর্ষবরণ পর্ষদ’। ‘জাগাও পথিকে, ও সে ঘুমে অচেতন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে মঙ্গল শোভযাত্রা ও বর্ষবরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয় ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের মীনা বাজার সংলগ্ন সড়কে।
আয়োজকদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনের মধ্যে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, সংগীত, নৃত্য এবং বাঙালির চিরায়ত লোকজ সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা। সকাল ৯টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উৎসবের সূচনা হয়, যা শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টায়।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শ্রেণি-পেশার মানুষ, সংস্কৃতিকর্মী ও শিল্পীরা। আয়োজকদের ভাষ্য, ‘বাঙালি চিরায়ত সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।’
সকাল ৯টায় সমবেত কণ্ঠে গান দিয়ে দিনব্যাপী পহেলা বৈশাখ আয়োজন শুরু হয়। জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’, ‘ধন ধান্য পুষ্প ভরা’ এবং ‘এসো হে বৈশাখ’— এই তিনটি গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।
এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় ধানমন্ডি-২৭ নম্বরের মীনাবাজারের সামনে থেকে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। রাপাপ্লাজা ঘুরে ২৭নং সড়ক হয়ে আবার অনুষ্ঠান স্থলে ফিরে আসে শোভাযাত্রা। এরপর বেলা ১১টা থেকে মীনাবাজার চত্বরে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা। সেখানে ছিল ব্রতচারী ও ঢালীনৃত্য, মূকাভিনয়, একক আবৃত্তি, একক গান পরিবেশনা।
দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে শুরু হবে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার বৈকালিক অধিবেশন। এ পর্বে থাকবে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ ও বিভিন্ন শাখা সংসদ, উঠোন, তপোবন, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সংগঠনের পরিবেশনায় সমবেত কণ্ঠে সঙ্গীত।
এ ছাড়া বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করবে মুক্তধারা সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র, উদীচী, স্রোত, কথা আবৃত্তি চর্চাসহ বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা। একক সঙ্গীত পরিবেশনায় থাকবেন মকবুল আহমেদ, সুকুমার বিশ্বাস, নারায়ন চন্দ্র শীল, পীযুষ বড়ুয়া, মনিরা রওনক বুবলি, আখি হালদার, শাওন রায়, অরুনিমা আহমেদ প্রথমা, শিল্পী সাহা।
একক আবৃত্তি নিয়ে মঞ্চে উঠবেন বেলায়েত হোসেন, লায়লা আফরোজ, নায়লা তারান্নুম কাকলি, মো. মাসুদ উজ জামান, শিখা সেনগুপ্তা, অনিকেত রাজেশ, শাহদাত হোসেন নিপু, ইকবাল খোরশেদ, অলোক বসু, শাহীদা ফাল্গুনী, মোস্তাফিজুর রহমান মামুন, মেহেদী হাসান প্রমুখ। এ ছাড়া ব্রতচারী নৃত্য পরিবেশন করবে তক্ষশীলা বিদ্যালয়। আর মূকাভিনয় পরিবেশন করবেন রঙ্গন আহমেদ। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শেষ হবে সরদার হিরক রাজা ও তার সঙ্গীদের বাউল গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
















