মনপুরা
গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, কারাগারে প্রধান আসামি

প্রধান অভিযুক্ত মো. মিরাজ
ভোলার মনপুরায় গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও তার বাবাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. মিরাজকে (২৫) গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয় তাকে। উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামে গত শনিবার (১০ এপ্রিল) রাতে ঘটে এ লোমহর্ষক ঘটনা ।
পরদিন রবিবার সকালে ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে ওইদিন বিকেলে উপজেলা কমপ্লেক্স এলাকা থেকে মিরাজকে আটক করে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর স্বামী চরাঞ্চলে মহিষ পালন করেন। স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। ঘটনার রাতে মিরাজসহ আরও ৩-৪ জন প্রথমে সিঁদ কেটে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। এ সময় ১০ বছর বয়সী শিশুকন্যার সামনেই গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। যাওয়ার সময় স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে দুর্বৃত্তরা।
ঘটনার পরদিন অভিযুক্তদের ধরতে ওত পেতে থাকেন ভুক্তভোগীর বাবা। ১২ এপ্রিল দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা পুনরায় বাড়ির আশপাশে এলে তিনি তাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় মিরাজকে চিনে ফেলায় তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে গৃহবধূর বাবাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন।
পরে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় স্থানীয়রা। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালীতে পাঠানো হয় তাকে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন বলছিলেন, মিরাজসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী। শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে পাঠানো হয়েছে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।















