- ২ মাস আগে(১৯:৫১)

ছবি: আগামীর সময়
‘বাড়ি যেতে যে খরচ সেই টেকা দিয়া একটা কাজ করা পারুম’
ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাননি মিলন হরিজন। তার ভাষ্য, ‘বাড়িতে যেতে যে খরচ, সেই টেকা দিয়া সংসারে একটা কাজ করা পারুম। যাইতে আইতে মেলা টেকা খরচ হয়, তাই যাই নাই।’
তিনি বলেছেন, ‘দোকানের পাশাপাশি একটা অফিসে কাজ করি। অফিস থেকে ছুটি দিতে চেয়েছিল, কিন্তু আমি নেই নাই। কাজ করলে যদি কিছু টাকা পাই, তাই আরকি— এবার আর বাড়ি যাই নাই।’
ঈদের সময় অন্যরা যখন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, তখন মিলন হরিজন ব্যস্ত থেকেছেন জীবিকার টানে। বাড়ি ফেরার আনন্দের চেয়ে সংসারের প্রয়োজনকেই এবার তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। - ২ মাস আগে(১৯:৪৯)

ছবি: আগামীর সময়
‘বাড়িতে যাইয়া আর কী করমু ভাই’— ঈদে কাজের চাপ বেশি
ঈদের ছুটিতে যখন সবাই ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ির যায়, তখনও থেমে নেই স্ট্যান্ডের মেকানিক রফিকুল ইসলাম। এবারও তার বাড়ি ফেরা হয়নি।
তিনি আক্ষেপ করে বললেন, ‘বাড়িতে যাইয়া আর কী করমু ভাই? ঈদের সময় কাজের চাপ বেশি থাকে। গাড়ি নষ্টও হয় বেশি। তাই এবারও বাড়ি যাই নাই।’
ঈদের আনন্দের মাঝেও যান্ত্রিক ব্যস্ততায় কেটে যায় রফিকুলের সময়। অন্যদের মতো প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করার সুযোগ না পেলেও, কাজের দায়িত্বই তাকে ধরে রাখে স্ট্যান্ডেই। - ২ মাস আগে(১৯:৩১)

ছবি: আগামীর সময়
‘ভাড়া বাড়ার চিন্তা কইরা আগেই আইসা পড়সি’
‘আগামীকাল থেকেই অফিস তাই আগেই চলে আসলাম। পরে ভাড়া বাড়বে, সিট পাওয়া যাবে না, জ্যাম থাকবে এসব চিন্তা কইরা তাই আগেই আইসা পড়সি’— বলছিলেন রংপুর থেকে আসা সামিউল হক।
‘বাড়িতে তো থাকতে মনেই চায়। মনে হয় আরও কয়েকদিন থাকি। আগে আসলে জ্যাম পাব না, ভাইবা সকালেই রওনা দিছি। আল্লহার রহমতে কোনো জ্যামও আছিলো না, আবার ভাড়াও বেশি নেয় নাই। ভালো মতোই চইলা আসতে পারছি। খুব বেশি সময়ও লাগে নাই’— যোগ করেন সামিউল।
- ২ মাস আগে(১৯:২৮)

ছবি: আগামীর সময়
ছুটির শেষ দিকে ব্যস্ততা ফিরেছে সোহেল মিয়ার
ঈদের দিন বাইক নিয়ে বের হননি সোহেল মিয়া। কারণ জানতেন, সেদিন কোনো ট্রিপ পাবেন না। তাই পুরো দিনটা ঘরেই কাটিয়েছেন তিনি। তবে ঈদের ছুটি শেষের দিকে এসে পরিস্থিতি বদলে গেছে। আজ সকালে বাইক নিয়ে বের হয়েই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন বলে জানালেন সোহেল।
তিনি বললেন, ‘ঈদের দিন গাড়িই বের করি নাই। জানি ট্রিপ পামু না। আজকে বাইক নিয়া বের হইসি। এ পর্যন্ত ৫টা ট্রিপ দিছি।’
‘ঈদের ছুটিতে ঢাকা প্রায় ফাঁকা হয়ে যায়, ফলে যাত্রীও কম থাকে। তাই ওই সময় ট্রিপ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে’— যোগ করেন সোহেল।
ছুটির শেষে শহরে মানুষের চলাচল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবারও ব্যস্ততা ফিরেছে সোহেল মিয়ার মতো রাইডাররা। - ২ মাস আগে(১৯:০৯)

ছবি: আগামীর সময়
'আবার কালও যাত্রা আছে, তাই এখনই গাড়িটা ধুয়ে রাখছি'
‘কুড়িগ্রাম থেকে মাত্রই আসলাম। গাড়িটা ধুলায় একেবারে ভরে গেছে, তাই একটু পরিষ্কার করছি’— ক্লান্ত গলায় কথাগুলো বলছিলেন উত্তরবঙ্গ থেকে আসা একটি বাসের হেলপার আমিনুল ইসলাম।
দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসা বাসটির গায়ে তখনও লেগে আছে পথের ধুলো আর ক্লান্তির ছাপ।
তিনি আরও বললেন, ‘মানুষ বাড়ছে— কালকের তুলনায় আজ যাত্রী আরও বেশি ছিল। আবার কালও যাত্রা আছে, তাই এখনই গাড়িটা ধুয়ে রাখছি। এরপর হয়তো কয়েকদিন আর ধোয়ার সুযোগ হবে না।’ - ২ মাস আগে(১৮:০০)

ছবি: আগামীর সময়
'মানুষ ফিরতেছে দেখে আজকেই স্ট্যান্ডে আইছি'
'ঢাকার প্রায় সব রাস্তাই ঈদের ছুটিতে ফাঁকা থাকে। যাত্রী খুব একটা পাওয়া যায় না। আজকে থেকে যাত্রী আসার কারণে ভাড়া কাটতে পারতেছি,' বলছিলেন সিএনজিচালক সাইফুল ইসলাম জনি।
ঈদের ছুটিতে বিভিন্ন জেলার মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরলেও কয়েকটি পেশার মানুষ থেকে যান ঢাকাতেই। তাঁদেরই একজন সিএনজিচালক জনি। ঈদের দিন তেমন যাত্রী না থাকায় গাবতলী স্ট্যান্ডেও আসেননি তিনি।
জনি বললেন, 'ঈদের দিন খুব বেশি ট্রিপ পাই নাই। যা পাইছি, তা ঈদের পরের দিন। আজকে মোটামুটি কয়েকটা ট্রিপ পাইছি। মানুষজনও ধীরে ধীরে ফিরতেছে। ঈদের দিন তো স্ট্যান্ডেই আসি নাই, খালি ভিতর দিয়া ট্রিপ মারছি। মানুষ ফিরতেছে দেখে আজকেই স্ট্যান্ডে আইছি।'
ঈদের ছুটির ফাঁকা ঢাকায় যাত্রী কম থাকলেও কর্মস্থলে ফেরা মানুষ বাড়তে শুরু করায় গাবতলী এলাকায় আবারও ব্যস্ততা ফিরছে। সেই সঙ্গে কাজের আশায় স্ট্যান্ডে ফিরছেন জনির মতো সিএনজিচালকরাও। - ২ মাস আগে(১৭:৪৪)

ছবি: আগামীর সময়
বাড়ি যাননি ইসমাইল, গাবতলীতেই কেটেছে ঈদ
'ঈদে বাড়িতে যাইয়া কী করুম ভাই, গেলেই খরচ বেশি হয়। তাই ঢাকায়ই ঈদ করছি। এতে কিছু কামাইও হইছে', বলছিলেন গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের বাদাম বিক্রেতা ইসমাইল।
ঈদের সময় আগের মতো বেচাকেনা না থাকলেও বাড়ি যাননি তিনি। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ করার ইচ্ছা থাকলেও খরচের চিন্তায় থেকে গেছেন রাজধানীতেই। গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে বাদাম বিক্রি করেই কেটেছে তাঁর ঈদের দিনগুলো।
ইসমাইল বললেন, 'গরমের দিনে বাদাম খুব বেশি মানুষ খায় না। ভাবতেছি সামনের বছর গরমে গেন্ডারির রস বিক্রি করুম।'
ঢাকায় ঈদ মানে কারও কাছে ফাঁকা শহরের স্বস্তি, কারও কাছে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ। আর ইসমাইলের মতো শ্রমজীবী মানুষের কাছে ঈদও যেন জীবিকারই আরেক নাম।
- ২ মাস আগে(১৬:৩০)

ছবি: আগামীর সময়
ছুটি শেষের পথে, তবু গাবতলীতে ফিরতি চাপ কম
ঈদের ছুটি শেষের দিকে। সরকারি ছুটি ৩১ মে পর্যন্ত থাকলেও অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলের ছুটি শেষ হচ্ছে ৩০ মে। তাই ধারণা করা হয়েছিল, রাজধানীমুখী মানুষের চাপ বাড়বে। তবে সে তুলনায় গাবতলী এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ এখনো কম।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস ঢাকায় ঢুকলেও টার্মিনাল এলাকায় এখনো তেমন ভিড় দেখা যাচ্ছে না। যাত্রীরা ধীরে ধীরে ফিরছেন কর্মস্থলে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছুটি পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় ফিরতি যাত্রীর চাপ এখনো স্বাভাবিক রয়েছে। আগামীকাল থেকে ঢাকামুখী মানুষের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- ২ মাস আগে(১৬:২৫)

ছবি: আগামীর সময়
গাবতলীতে নিরাপদ ফিরতি যাত্রায় পুলিশের চেকপোস্ট
গাবতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়েছে ট্রাফিক মিরপুর বিভাগ, ডিএমপি। বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র ও চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা।
পুলিশ জানায়, ঈদ শেষে মানুষ যাতে নিরাপদে কর্মস্থলে ফিরতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরেও গাবতলী এলাকায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
- ২ মাস আগে(১৬:১০)

ছবি: আগামীর সময়
টিকিটের সংকটে ভেঙে ভেঙে চট্টগ্রামের পথে আজিম
কর্মস্থলে ফেরার এই যাত্রা সবার জন্য সহজ হচ্ছে না। টিকিট না পাওয়ায় অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হচ্ছেন ভেঙে ভেঙে যাত্রা করে।
তেমনই একজন মো. আজিম উদ্দীন। চট্টগ্রামে কর্মস্থলে ফিরতে তিনি পাবনা থেকে প্রথমে আসেন আরিচায়। সেখান থেকে গাবতলী, এরপর গাবতলী থেকে রওনা হন চট্টগ্রামের উদ্দেশে। সরাসরি টিকিট না পাওয়ায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাকে কয়েক ধাপে।
আজিম উদ্দীন বললেন, 'ঈদের সময় ভাড়া অনেক বেড়ে যায়। তখন ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিতে হয়। অথচ সাধারণ সময়ে ১০০০ থেকে ১৩০০ টাকার মধ্যেই যাওয়া-আসা করা যায়।'
তার মতো আরও অনেক যাত্রী ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরতে গিয়ে বাড়তি ভাড়া, টিকিট সংকট ও দীর্ঘ পথের ভোগান্তির মুখে পড়ছেন। তবু জীবিকার তাগিদে সব কষ্ট মেনে আবারও ব্যস্ত নগরীর পথে ফিরছেন তারা।
- ২ মাস আগে(১৬:০২)

ছবি: আগামীর সময়
গাবতলীতে ধীরে ধীরে বাড়ছে ফিরতি যাত্রীদের ভিড়
ঈদের আনন্দ শেষে আবার কর্মস্থলের পথে মানুষ। প্রিয়জনের সঙ্গে কয়েকটি দিন কাটিয়ে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। রাজধানীর গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে ধীরে ধীরে বাড়ছে ফিরতি যাত্রীদের ভিড়।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক বাস ঢাকায় ঢুকছে। বাস থেকে নামছেন ব্যাগ-লাগেজ হাতে যাত্রীরা। কারও চোখে দীর্ঘ পথের ক্লান্তি, কারও মনে প্রিয়জন ছেড়ে আসার আক্ষেপ। তবু জীবিকার টানে সবাইকে ফিরতে হচ্ছে ব্যস্ত নগরী ঢাকায়।
যাত্রীরা বলছেন, ঈদের কয়েকটি দিন পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ভালো কেটেছে। তবে ছুটি শেষ হওয়ায় অফিস, ব্যবসা ও দৈনন্দিন কাজের প্রয়োজনে তাদের আবার রাজধানীতে ফিরতে হচ্ছে।
৩০ মে ২০২৬, রাত ২০:১০
ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হচ্ছে আগামীকাল। তাই এবার শুরু হয়েছে কর্মস্থলে ফেরার পালা। রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে ইতিমধ্যে আসতে শুরু করেছেন যাত্রীরা। গাবতলী থেকে ঢাকায় ফেরা মানুষের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাচ্ছেন আগামীর সময়ের প্রতিবেদক এমিল ইসলাম শাহীন।




