নৃত্যে শাপলাকুঁড়ির চূড়ান্ত পর্বে যারা

সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে ১৪তম শাপলাকুঁড়ি আয়োজন করছে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমি। বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক ধারাকে দেশ-বিদেশে তুলে ধরতে আনাচ-কানাচে থেকে খুঁজে বের করা হচ্ছে কেরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য ও যন্ত্রসংগীতে পারদর্শী শিশুদের। এরই মধ্যে প্রকাশ হয়েছে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ খুদে নৃত্যশিল্পীদের তালিকা। ১৪তম শাপলাকুঁড়ি প্রচার হবে চ্যানেল আইয়ে, আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে আছে আগামীর সময়। গতকাল শনিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
‘ক’-বিভাগ (সৃজনশীলনৃত্য): কুমিল্লার স্মরণিকা দাস, রংপুরের রাধিকা দাস, রংপুরের অদ্বিতীয়া সরকার শ্রদ্ধা, রংপুরের তাসফিয়া সুলতানা অপ্সরী, ঢাকার নুযহাত আলম আয়রা, ময়মনসিংহের উদিতা ভদ্র, ঢাকার জুনায়েদ আহমেদ, যশোরের তাসনিম জান্নাত, ময়মনসিংহের অদিত্রি দে শ্রুতি, রংপুরের স্বর্ণশ্রী শ্যাম রায়, বগুড়ার সৌরজা কৃতি ও সিলেটের অদিত্রি পাল।
‘খ’-বিভাগ (সৃজনশীলনৃত্য): বরিশালের তানজিলা ইসলাম, রংপুরের আদিবা উলফাত অর্পা, যশোরের সিমনতিনি বিশ্বাস মোহিনী, খুলনার ঈশিকা অর্নি মণ্ডল, রংপুরের আরাধ্য সরকার, কুমিল্লার অহেনজিতা দাস, ঢাকার আরাদ্ধ্যা বৈদ্য, রংপুরের শ্রদ্ধা সরকার, বরিশালের সাবাহ আলম হৃদি, বগুড়ার জেনিফা রহমান পড়শী, খুলনার অনন্যা পাল অর্পা, বগুড়ার সায়ন্তী দাস নিধি ও ময়মনসিংহের মাহিনুর ইসলাম জিদনী।
‘ক’-বিভাগ (লোকনৃত্য): রংপুরের অদ্বিতীয়া সরকার শ্রদ্ধা, কুমিল্লার স্বরণিকা দাস, সিলেটের প্রিয়ন্তিলা ঘোষ, বরিশালের সৃজনি গুহ স্পর্শা, চট্টগ্রামের আয়ুশী দেব এশা, রংপুরের রাধিকা দাস, কুমিল্লার তাহরিম নূর, রংপুরের তাসফিয়া সুলতানা অপ্সরী, বরিশালের পূর্ণতা রায়, যশোরের আরোহী সরকার, রাজশাহীর শ্রাবন্তী সাহা, ঢাকার নুযহাত আলম আয়রা ও চট্টগ্রামের প্রিন্সি চাকমা।
‘খ’-বিভাগ (লোকনৃত্য): খুলনার প্রজ্ঞাঞ্জলী গুঞ্জন, বরিশালের মন্দিরা বালা, বরিশালের সাবাহ আলম হৃদি, যশোরের সিমনতিনি বিশ্বাস মোহিনী, ময়মনসিংহের মাহিনুর ইসলাম জিদনী, রাজশাহীর সৃষ্টি সরকার, রংপুরের আরাধ্য সরকার, কুমিল্লার অহেনজিতা দাস, কুমিল্লার মণিষা রানী দাস, খুলনার ঈশিকা অর্নি মণ্ডল এবং রংপুরের ঈসা ইবনে মাহমুদ ও শ্রদ্ধা সরকার।
‘ক’-বিভাগ (কত্থকনৃত্য): যশোরের আর্যশ্রী বিশ্বাস পৃথা, চট্টগ্রামের আয়ুশি দেব এশা, কুমিল্লার নির্ঝর দাস আদি, ঢাকার শ্রদ্ধা নন্দী, পঞ্চগড়ের শুভমিতা রায় রাই, রংপুরের পৃথিলা পৃথিবী প্রধান, খুলনার সপ্তর্ষী সাহা সুপ্তি, বরিশালের মধুজা দাস, রংপুরের জ্যোর্তিময়ী রায়, ঢাকার পারিকা দাস, খুলনার পরিনীতা বিশ্বাস, খুলনার সায়ন্তী ঢালী ও রংপুরের শ্রেয়সী ঝাঁ প্রাপ্তি।
‘খ’-বিভাগ (কত্থকনৃত্য): যশোরের সিমনতিনি বিশ্বাস মোহিনী, রংপুরের মুমতাহিনা মারিয়া, খুলনার প্রজ্ঞাঞ্জলী গুঞ্জন, ঢাকার দুরন্ত সাহা, খুলনার অনন্যা পাল অর্পা, রংপুরের অতন্দ্রিলা লীলাবতী, ঢাকার আরাদ্ধ্যা বৈদ্য, রংপুরের আদিবা উলফাত অর্পা, রাজশাহীর সৃষ্টি সরকার, বগুড়ার জেনিফা রহমান পড়শী, বগুড়ার সায়ন্তী দাস নিধি ও ঢাকার উপাদ্রিতী সাহা।
‘ক’ ও ‘খ’-বিভাগ (মডার্ননৃত্য): ফরিদপুরের বারিরা ইসলাম মিনি, ঢাকার নুযহাত আলম আয়রা, রাজশাহীর শ্রাবন্তী সাহা, ময়মনসিংহের শতাব্দী রায় স্নেহা, কুমিল্লার তাহরিম নূর, রংপুরের যারিন তাসনিম, রংপুরের মুমতাহিনা মারিয়া, ঢাকার আরাদ্ধ্যা বৈদ্য, রংপুরের সোহানা হোসেন তুবা, রাজশাহীর সুপর্ণা রায় সুস্মিতা এবং ময়মনসিংহের স্পর্শ বিশ্বাস ও পিনাকী বাকালী।
‘ক’ ও ‘খ’-বিভাগ (দলীয়নৃত্য): ঢাকার নুযহাত আলম আয়রা ও তার দল, রংপুরের শুভমিতা রায় রাই ও তার দল, ময়মনসিংহের শতাব্দী রায় স্নেহা ও তার দল, রাজশাহীর শ্রাবন্তী সাহা ও তার দল, খুলনার সায়ন্তী ঢালী ও তার দল, খুলনার প্রজ্ঞাঞ্জলী গুঞ্জন ও তার দল, রাজশাহীর সৃষ্টি সরকার ও তার দল, খুলনার ঈশিকা অর্নি মণ্ডল ও তার দল, ঢাকার আরাদ্ধ্যা বৈদ্য ও তার দল এবং ঢাকার দুরন্ত সাহা ও তার দল।



