হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টানদের জাতীয় কমিটি গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সোমবার বঙ্গভবনে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি
হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, ‘সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন বিষয় যথাযথভাবে তুলে ধরতে এ ধরনের একটি কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।’
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে প্রতিনিধি দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, ‘এ দেশে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলমানসহ সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ এখানে একসঙ্গে বসবাস করে। সবার সমান অধিকার, মর্যাদা ও সুযোগ নিশ্চিত করে একটি সম্প্রীতিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফল করতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি। সংরক্ষিত নারী আসনে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রার্থীদের অধিক হারে মনোনয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সব সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতিকে আসন্ন দুর্গাপূজায় ঢাকেশ্বরী ও রমনা কালীমন্দির পূজামন্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং উপস্থিত থাকার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন— পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার, বিএনপির ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক জন গোমেজ, অমলেন্দু অপু দাস, প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক অর্পনা রায় দাস, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য জয়দেব রায় জয়, সঞ্জিত কুমার দেব জনি, রূপক সিংহ প্রমুখ।



