পানিসম্পদ খাতে সহযোগিতা জোরদারের আশাবাদ এডিবির

সংগৃহীত ছবি
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সচিবালয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি, বাস্তবায়নসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ প্রকল্প গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এডিবির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী ও খাল পুনরুদ্ধার, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এডিবি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছে।
এ সময় চলমান প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে তা দ্রুত সমাধান করতে হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকল্পের সুফল যাতে সাধারণ মানুষ দীর্ঘমেয়াদে পায়, সেদিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে পানিসম্পদ খাতে এমন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে, যা বন্যা ও নদীভাঙন মোকাবিলা, উপকূলীয় এলাকার সুরক্ষা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় জনগণের প্রয়োজন ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এডিবি প্রতিনিধি দল চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়ে তাদের আগ্রহের কথা জানান এবং পানিসম্পদ খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করে।
বৈঠকের শেষ পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী এডিবি প্রতিনিধি দলকে তাদের সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, চলমান প্রকল্পগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এডিবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
ফরহাদ হোসেন আজাদ আশা প্রকাশ করেন, এই আলোচনা চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি পানিসম্পদ খাতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।



