বোধ হয়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বাজারে কেনাকাটা করতে যাওয়া মানে একই জিনিস দুই দোকানে ভিন্ন দাম। পণ্য নিয়ে দরকষাকষি। কোনটা আসল, নকল কোনটা বা সঠিক দাম কী, তা নিয়েও থাকে বিভ্রান্তি। অনেক সময় পুরো মার্কেটের তথ্য না জানায় পছন্দের জিনিস কিনতে হয় দ্বিগুণ বা তিনগুণ দামে। তবে প্রযুক্তির অবদানে খরিদ্দারির রূপ শিগগির পাল্টাতে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এমন একসময় আসবে, যখন একটি স্মার্ট চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স পরে মুহূর্তেই জানা যাবে বাজারে কোথায় পণ্য ভালো কোয়ালিটির, দাম হাতের নাগালে আর কে পণ্য বিক্রিতে বেশি লাভের চেষ্টা করছে। তথ্যের শক্তি এবং প্রযুক্তির এমন সম্ভাবনা সামনে রেখেই যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী এবং ভবিষ্যৎবিদ মিশিও কাকু মনে করেন, আগামী বছরগুলোর প্রযুক্তি একদিন ‘পারফেক্ট ক্যাপিটালিজম’-এর কাছাকাছি একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করতে পারে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সঙ্গে ২০২২ সালে একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ মতামত দেন কাকু। তবে ঠিক কোন বছর হবে তা নির্ধারণ করে বলেননি তিনি।
মিশিও কাকু মনে করেন, বিশ্বের বড় বড় অর্থনৈতিক বিপ্লবের পেছনে আসলে কাজ করে পদার্থবিজ্ঞান। বাষ্পীয় ইঞ্জিন থেকে শিল্প-বাণিজ্য বা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট, এসবের পেছনেই রয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের অবদান। তার বিশ্বাস, ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানো টেকনোলজি একইভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতি বদলে দেবে। আর এটিকেই তিনি ‘পারফেক্ট ক্যাপিটালিজম’-এর উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করেছেন। অর্থাৎ এমন একটি বাজার গড়ে উঠবে, যেখানে তথ্য হবে সহজলভ্য। ক্রেতা-বিক্রেতা সবার কাছে থাকবে পণ্যবিষয়ক অফুরন্ত জ্ঞান। এতে ভালো মানের পণ্য বেচাকেনার প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং বাজার হয়ে উঠবে আরও কার্যকর। উদাহরণ হিসেবে কাকু দেখিয়েছেন বর্তমানের অনলাইন মার্কেটিংকে।




