সম্ভবত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলাবে মানুষ। সেটি অতি সাধারণ বিষয়। তবে ভবিষ্যতে মানবজাতি শুধু মনে নয়; বদলাবে শরীরও। ২০৮০ সালে যেকোনো ব্যক্তিকে প্রথম দেখাই স্বাভাবিক মনে হলেও কিছুক্ষণ খেয়াল করলে ধরা পড়বে পার্থক্য। তখন সামনে দাঁড়ানো রক্ত-মাংসের মানুষটির হৃদয় হবে কৃত্রিম। চোখ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বায়োনিক। রক্ত সিনথেটিক। তার মস্তিষ্কের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নানা প্রযুক্তির যন্ত্র। কোনো সায়েন্স ফিকশন গল্পের সুপারহিরো মনে হলেও আজ থেকে ৫৪ বছর পর পৃথিবীতে বসবাসরত মানুষ ঠিক এমনই হবে। ২০৮০ সালের এই বিবর্তন সম্পর্কে ধারণা দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎবিষয়ক ওয়েবসাইট ফিউচার টাইমলাইন। সেখানে নানা বিষয়ে পূর্বাভাস দিয়ে থাকেন একই দেশের ভবিষ্যৎবিদ উইল ফক্স।
আসছে বছরে একেক ব্যক্তি সুপারহিরো থেকে কোনো অংশে কম হবে না। ওয়েবসাইটটির তুলে ধরা চিত্র অনুযায়ী, ২০৮০ সালে সাধারণ মানুষের কাছে থাকবে নানাবিধ বায়োটেকনোলজি ইমপ্ল্যান্ট এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসা-সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ কৃত্রিম অঙ্গ, যা কখনোই অকেজো হয় না। যেমন- বায়োনিক চোখ ও কান, যা মানুষকে সুপারম্যানের মতো ইন্দ্রিয়শক্তি প্রদান করবে। থাকবে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধির জন্য ন্যানোস্কেল ব্রেইন ইন্টারফেস। আরও থাকবে কৃত্রিম রক্ত ও শারীরিক তরল, যা প্রাণঘাতী বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে ফেলতে এবং এক নিঃশ্বাসেই দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। শরীরে যেন শক্তি ও সহনক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, সেটির কাজ করবে কৃত্রিম হাত, পা।







