যদি

জঙ্গল সলিমপুর আর কোনো সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে থাকবে না। আলোচিত এই এলাকায় রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রীর এই ঘোষণার পর সেখানে যদি পরিকল্পিতভাবে সফল অভিযান চালানো যায়, তবে দীর্ঘদিনের আতঙ্ক থেকে মুক্তি মিলবে চট্টগ্রামবাসীর, কলঙ্ক থেকে বাঁচবে দেশ।
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরকে বলা হয় ‘দেশের ভেতর আরেক দেশ’, ‘সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল’। নানা সময় সেখানে অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কিন্তু সুফল মেলেনি। বরং সেখানে গিয়ে হামলার শিকার হতে হয়েছে, নিহত হয়েছেন বাহিনীর সদস্য।
অঞ্চলটির দুর্গম ও পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা তুলনামূলকভাবে কঠিন। তাই সেটি অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে অভিযোগ র্যাব, পুলিশ, জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সাংবাদিক ও মানুষের।
বিভিন্ন প্রতিবেদন বলছে, পাহাড় কেটে বানানো সেখানকার খাসজমির বর্তমান বাজারমূল্য কয়েক হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সবটাই সন্ত্রাসীদের দখলে। এ ছাড়া সেখানে ২০-২৫ হাজার বাড়ি আছে। সেখানে অন্তত এক থেকে দেড় লাখ মানুষের বাস। তাদের বেশিরভাগই এসেছেন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে। বাইরের চেয়ে অনেক কম খরচে ছিন্নমূল এসব মানুষ জঙ্গল সলিমপুরে থাকতে পারেন বলে এটি বেশ জনপ্রিয় বিভিন্ন পেশাজীবীর কাছে। এখানকার বাসিন্দাদের এলাকায় ঢোকার জন্য রয়েছে আলাদা পরিচয়পত্র।






