কী জানি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সালটা ২০৪৫। পৃথিবীর বাইরে মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন শহর। পাহাড়-পর্বত, সমুদ্র ভ্রমণ ফেলে চাঁদ-মঙ্গলে ছুটছে মানুষ। সেখানে তাদের আপ্যায়নে ব্যস্ত সময় পার করছে অত্যাধুনিক সব রোবটও। এমনকি এসব মেশিনের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সদ্য পড়ালেখা শেষ করে সমাজে প্রবেশ করা তরুণরাও। পৃথিবীতে চাকরি বা কাজের সংকট থাকলেও মঙ্গল, চন্দ্র বা অন্যান্য গ্রহে একদমই কোনো সংকট নেই। ভবিষ্যৎ পৃথিবীর আশাভরা এ চিত্রই দেখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জেফ বেজোস। জগৎখ্যাত ই-কমার্স সাইট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ২০২৫ সালে ইতালিয়ান টেকউইক শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে ২০৪৫ সালের সম্ভাবনা-সম্পর্কিত বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। বেজোসের এই পূর্বাভাস নিয়ে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও এএস।
বিশ্বের তৃতীয় ধনী ব্যক্তি বেজোসের মতে, ‘সভ্যতার প্রাচুর্য’-এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। পৃথিবীর ভবিষ্যৎ তার কাছে বেশ ইতিবাচক। প্রযুক্তির নানা উদ্ভাবনে আগামী বছরগুলো হবে আশা এবং প্রফুল্লতায় ভরা। তিনি আভাস দিয়েছেন, কর্মস্থলে যাতায়াতের ব্যাপারটি একসময় অতীতের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। মানুষ পৃথিবীতে কোথাও বসবাস করব তা নিয়ে ভাববার পরিবর্তে, চিন্তা করবে পরবর্তী কোন গ্রহটি ঘুরে দেখা যায়। বেজোস বলেছেন, ‘আমার ধারণা, আগামী দুই দশকের মধ্যে লাখ লাখ মানুষ মহাকাশে বসবাস করবে। এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলবে।’





