দেখা যাক

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ট্রেলারে ভুলে সিনেমা দেখতে বসে মনে হলো, নাহ! গল্পটা জমছে না। নায়ক-নায়িকা সবই ভালো, তবু কোথায় যেন গরমিল। আরেকটু অন্যরকম হলে বোধহয় ভালো হতো! তা কি আর সম্ভব? হ্যাঁ, এটিও নাকি ‘ছেলের হাতের মোয়া’ হয়ে উঠবে ভবিষ্যতের দুনিয়ায়। পাল্টাতে হবে— চিন্তাটি মাথায় আসতে যতক্ষণ; সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাবে দর্শকের সামনের রুপালি পর্দা বা টেলিভিশনের স্ক্রিন। যেকোনো মাধ্যমে নিজের মনের মতো গল্প ফুটিয়ে আনতে পারবেন সিনেমাপ্রেমীরা। আষাঢ়ে গল্পের ঝুড়ি নিয়ে বসে পাল্টে ফেলা যাবে পুরো কাহিনি। ২০৩৫ সালেই আসছে সেই দিন! ‘দ্য ডিজিটাল স্পিকার’ ওয়েবসাইটে লেখা ২০২৪ সালের এক গবেষণা প্রতিবেদনে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক ভবিষ্যৎবিদ ড. মার্ক ভান রিজমেনাম।
নাম ‘ডিজিটাল ব্লকবাস্টার’। আগামী পৃথিবীর নতুন সে বিনোদনজগৎ বেশ প্রাণবন্ত। হাঁ করে তাকিয়ে থাকতে হবে না নায়ক-নায়িকার দিকে। পর্দা থেকে বেরিয়ে নায়ক-নায়িকা দর্শকের সামনে থ্রিডি রূপে চলে আসবেন প্রিয় অভিনেতারা। অর্থাৎ রমরমা ব্যবহার আসবে হলোগ্রাম প্রযুক্তির। এখনকার মতো ফিক্সড বা একপার্শ্বিক গল্প আর চলবে না তখন। গল্প-কাহিনির ভালো-খারাপ বলে কিছু থাকবে না। সবই হবে এক ধাঁচের। কারণ, দর্শক নিজেই তার সিনেমার পরিচালক! জেনারেটিভ এআই মানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং গেমিং ইঞ্জিনকেও হার মানাবে ভবিষ্যতের এই প্রযুক্তি। মার্কের মতে, পুরো বিনোদনপুর বেঁচে থাকবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আদান-প্রদানমূলক প্রযুক্তি, বাস্তব (হাইপার রিয়ালিস্টিক) ও দর্শকের নিজের বানানো গল্পের ওপর। নাম দিয়েছেন ‘জীবন্ত সিনেমা’ (লিভিং মুভিজ)।




