তবে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ডিপফেক। সহজে বললে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে তৈরি করা এক ধরনের নকল, কিন্তু অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ছবি, ভিডিও বা অডিও। প্রযুক্তির এ উদ্ভাবন দিয়ে প্রতিনিয়ত করা হচ্ছে প্রতারণা। পরিচিত স্বজনের কণ্ঠে নকল ফোন করে প্রতারকরা হাতিয়ে নেয় হাজারো টাকা। আবার অনেকে বড় তারকার চেহারা ও কণ্ঠ ব্যবহার করে বানায় ভিন্ন মতবাদ ও উসকানিমূলক ভিডিও। ভয়ানক এ ধরনের ডিপফেক থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে এবার নিজের কণ্ঠস্বরের ট্রেডমার্ক আবেদন করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।
গত সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অফিসে (ইইউআইপিও) করা হয় আবেদনটি। আবেদনটি পাওয়া যাচ্ছে সংস্থাটির ওয়েবসাইটে। আবেদন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মেলোনির কার্যালয়ও।
আবেদনের অংশ হিসেবে মেলোনি রেকর্ড করেছেন চার সেকেন্ডের একটি অডিও। সেখানে তিনি ইতালীয় ভাষায় ‘ইও সোনো জর্জিয়া’, অর্থাৎ ‘আমি জর্জিয়া মেলোনি’ কথাটি বলেছেন মোটে দুবার। তবে ডিপফেক থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে এমন পদক্ষেপ নেওয়ায় মেলোনি প্রথম নন। জানুয়ারিতে মার্কিন অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককনাহি তার ছবি ও কণ্ঠস্বরের ট্রেডমার্ক করে নেন। গায়িকা টেলর সুইফটও এপ্রিলে একই ধরনের পদক্ষেপ নেন। যুক্তরাষ্ট্রে তিনি আবেদন করেন তিনটি ট্রেডমার্কের। এর একটি ছিল তার ‘এরাস ট্যুর’-এর মঞ্চে থাকা অবস্থার একটি ছবি ব্যবহার করে। অন্য দুটি আবেদনে ছিল তার সর্বশেষ অ্যালবামের প্রচারের সময় নিজের পরিচয় দেওয়ার অডিও ক্লিপ। অসংখ্য এআই-নির্মিত ডিপফেকে সুইফটের ছবি ও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও রাজনৈতিক বিষয়ে ভুয়া সমর্থন।



