হতেও পারে

বিমান। এক দেশ থেকে আরেক দেশে ভ্রমণের অন্যতম জনপ্রিয় বাহন। বর্তমানে বিমানে চড়া মানেই জানালার পাশে বসে মেঘ দেখা। খাবারের ট্রে আসার অপেক্ষা করা বা পছন্দের সিনেমা দেখতে দেখতে সময় পার করা। তবে ভবিষ্যতের বিমানযাত্রা মনে হয় এতটা সাধারণ থাকবে না। কেননা ইঞ্জিনিয়াররা এমন একটি বিমানের নকশা ভাবছেন, যেটির ডানা ও শরীর আলাদা করে যাবে না চেনা। কয়েক বছর পর বিমানে উঠে, সিনেমা পছন্দ করে তা দেখা শুরু করার আগেই গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়ার মতো অবস্থা হবে! প্রযুক্তির অগ্রগতিতে যাত্রীবাহী বিমানের নকশা, গতি, জ্বালানি ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, সবকিছুতেই আসতে পারে বড় পরিবর্তন। ভবিষ্যৎ বিমানের এসব ভিন্নতা নিয়ে এ বছরের মে মাসে বিস্তারিত জানিয়েছে ফ্রান্সের বিমানভিত্তিক ওয়েবসাইট এও অ্যাভিয়েশন।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতের বিমানের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে ‘ব্লেন্ডেড উইং বডি’ প্রযুক্তি। এটিতে বিমানের ডানা ও মূল কাঠামো যুক্ত থাকবে একসঙ্গে। ফলে বাতাসের বাধা কমতে পারে এবং সাশ্রয় হতে পারে জ্বালানি। অন্যদিকে, এয়ারবাসের জিরো প্রকল্পে তুলে ধরা হয়েছে হাইড্রোজেনচালিত বাণিজ্যিক বিমানের সম্ভাবনা। এই প্রযুক্তি সফল হলে বিমান চলাচল হতে পারে আরও পরিবেশবান্ধব। পাশাপাশি সাসটেইনেবল অ্যাভিয়েশন ফুয়েলস বা টেকসই বিমান জ্বালানিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে ভবিষ্যতে। প্রতিটি



