Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
জামালের ‘সেলুন লাইব্রেরি’
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কাজললেখা

ধারাবাহিক উপন্যাস

ঝরা পাতার সংসার

  • পর্ব : ০১
  • মূল: আইজ্যাক রবিনসন
  • ভাষান্তর: সুমন কায়সার
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:৪৯
ঝরা পাতার সংসার

যুদ্ধ একদিন হঠাৎ করেই আঠার বছরের মাশার পৃথিবীটা বদলে দেয়। ক্ষেপণাস্ত্র, বাঙ্কার, বিচ্ছিন্ন পরিবার, বিবর্ণ স্বপ্ন আর রাজনৈতিক বিভ্রমের মধ্য দিয়ে ইউক্রেনের তরুণীটি প্রশ্ন করতে শেখে যুদ্ধ, ধর্ম, জাতীয়তাবাদ আর মানুষের বানানো সত্যগুলোকে। ‘ঝরাপাতার সংসার’ শুধু এক বিধ্বংসী যুদ্ধের কাহিিন নয়, যুদ্ধ কীভাবে মানুষকে ভেতর থেকেই বদলে দেয়, তার গল্পও।

দিনটা একদমই আর দশটা রবিবারের মতো না। মা চার্চে যায়নি। ভোরবেলাই দাদু বাসায় এসে হাজির। মুখে দুয়েক দিনের না কামানো দাড়িতে তাকে অন্যরকম লাগছে। দাদুর মর্যাদাবোধ বাড়াবাড়ি রকমের। সেই মানুষটার জন্য ব্যাপারটা রীতিমতো বেমানান। বাবাও আজ তার নাশতা নিয়ে অন্যদিনের মতো গোমড়া মুখে গজগজ করল না। শাশা বেনিচকাকে নিয়ে হাঁটতে যায়নি। এমনকি, যে ইগর রবিবার সকাল হলে আমার সঙ্গে দেখা না করে ছাড়েই না, তারও দেখা মিলল না।

আসলে গতকাল রাতেই পাড়ার একটা ফ্ল্যাটে কামানের গোলা এসে লেগেছে। সবাই বলছে, দোনেৎস্কে থাকা আর মোটেই নিরাপদ না। বাঁচতে চাইলে দূরে কোথাও সরে যেতে হবে। অথচ মা আর বাবা দুজনেই তাদের সারাটা জীবন কাটিয়েছে এই মহল্লাতেই। শৈশবে একসঙ্গে খেলেছে পাড়ার পার্কে। তারুণ্যে একসঙ্গে সামলেছে আবেগের ঝড়। বড় হয়ে শুরু করে যুগলজীবন। তাদের কাছে এই শিকড় উপড়ে ফেলা মোটেও সহজ না।

যাই হোক, শহর ছেড়ে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে বাসার সবাই দুই ভাগ হয়ে গেছে। মা যাওয়ার বিপক্ষে। তার সোজা কথা : যেতে চাইলে তোমরা আমার লাশের ওপর দিয়ে যাও।

মৃতদেহের কথাই যখন উঠেছে— কাছের এক কবরস্থানেই শুয়ে আছেন মায়ের বাবা–মা। বয়স কারোই বেশি হয়নি। নানু কাজ করতেন কয়লাখনিতে। খনিতে কাজ করা লোকজনের বেশি বাঁচার কথাও না। তবে সোভিয়েত সরকার আয়ু কেড়ে নেওয়ার দাম চুকাত ভালো বেতন দিয়ে। আমার ইঞ্জিনিয়ার দাদুর বেতন যেখানে ছিল মাসে ১৮০ রুবল সেখানে কয়লাখনিতে কাজ করে নানু মাসে কামাতেন পাঁচশর বেশি। এমনকি আমার নানি দোনেৎস্ক শহরে ট্রাম চালিয়ে পেতেন ইঞ্জিনিয়ারের চেয়ে বেশি বেতন।

বেতন থেকেই পরিষ্কার, আমার নানা আর দাদার পরিবারের আর্থিক অবস্থার ব্যবধান ছিল বিস্তর। তবে মায়ের কাছে শুনেছি, কিশোর বয়সে তাদের প্রেমের সম্পর্কে জীবনযাত্রার ফারাককে কখনো প্রভাব ফেলতে দেয়নি সে। তবে বাবা বলে ঠিক উল্টো কথা। মায়ের পরিবার কীভাবে নতুন ঝকঝকে ভলগা গাড়ি নিয়ে গ্রীষ্মের ছুটিতে ক্রাইমিয়া যেত, সেইসব গল্প মা কত গর্ব করে বলত—বাবা নাকি আজও তার প্রতিটা খুঁটিনাটি মনে রেখেছে।

বাবারও অবশ্য প্রতি বছর ক্রাইমিয়া যাওয়া হতো। তবে সেটা অচেনা মানুষে ঠাসা দুর্গন্ধময় ট্রেনের বগিতে, যেখানে ভদকা আর সালোর প্রতি যাত্রীদের ভালোবাসা অনেক সময় খাঁটি কমিউনিস্ট দেশপ্রেমিকের আদর্শিক নিষ্ঠাকেও হার মানাত। শেষ পর্যন্ত বাবাও নিজেদের গাড়িতে চড়ার সুযোগ পেয়েছিল। তবে সেটা কোনো চকচকে ভলগা নয়, একটা জিগুলি। দাদু আজ সকালে সেই গাড়িটাই চালিয়ে এসেছেন। এই ফাঁকে বলে রাখি, বাবার কাছেই শুনেছিলাম, বাইরের দুনিয়ায় জিগুলিকে লাডা নামে চেনে। ষাটের দশকে ইতালির ফিয়াটের সঙ্গে চুক্তি করে তাদের একটা মডেলের ভিত্তিতে নাকি সোভিয়েতরা বানায় এই গাড়ি।

কোনো বিশেষ ধর্মীয় বা সামাজিক দিন এলেই মা তার বাবা-মায়ের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যায়। বাদ পড়ে না মে দিবস, নারী দিবস বা বিজয় দিবসের মতো দিনগুলোও। সোভিয়েত আমলে ধর্মকর্মের বিশেষ বালাই ছিল না। তখন অক্টোবর বিপ্লব দিবস আর পিতৃভূমি সুরক্ষা দিবসের পাশাপাশি এই তিনটা দিনই ছিল সবচেয়ে বড় উৎসবের সময়। এই উৎসবের দিনগুলো এখনো বাবা-মায়ের সঙ্গে কাটানো দারুণ সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয় মাকে।

অবশ্য ধর্মীয় দিবসে কবরস্থানে যাওয়া দেখলে আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, মা যেন কবরের পাশেই দাঁড়িয়ে বাবা-মাকে নতুন করে ধর্মে দীক্ষা দিচ্ছে—মরণোত্তর দীক্ষা! কারণ বেঁচে থাকতে তার বাবা-মায়ের ঈশ্বরে বিশেষ বিশ্বাসটিশ্বাস ছিল না।

বাবা-মায়ের কবর থেকে উঠে আসা নীরব ফিসফিসানি যেন দোনেৎস্কের সঙ্গে কঠিন এক বাঁধনে মাকে বেঁধে রেখেছে। এ বাঁধন একই সঙ্গে ভালোবাসার সুখ আর হারানোর বেদনার অদৃশ্য সুতোয় গাঁথা। মা তাই দোনেৎস্কে থেকে যাওয়ার জন্য একরকম কাকুতিমিনতিই শুরু করল। তাতে দাদু বেশ খেপেই গেলেন।

‘দেখো, ভাসিয়া দারুণ কর্মী ছিল। ওর চেয়ে ভালো খনির কাজ আর কেউ পারত না তখন। ও মানুষের জন্য কাজ করেছে। খেটেছে মানবতার জন্য। ওর জীবনের একটা অর্থ ছিল, ছিল উদ্দেশ্যও। কিন্তু ওই কবরখানার কথা যদি বলো—বসন্তে নতুন করে ঘাস গজানো আর শীতে মরে যাওয়া ছাড়া তো কিছু দেখি না আমি,’ রাজ্যের বিরক্তি দাদুর গলায়।
মার মুখে কথা জোগাচ্ছে না। দাদুর কথায় সে হতভম্ব। চোখের কোণে পানি জমছে মনে হলো। দাদু যেন বিব্রতই হলেন মার এ প্রতিক্রিয়ায়।

‘আমি তোমাকে কষ্ট দিতে চাইনি, লুদা। কিন্তু যুদ্ধ তো কাঁদতেও দেয় না। যুদ্ধ চোখের জল শুকিয়ে পাথর বানিয়ে দেয়। তাই বলি, যতক্ষণ কাঁদতে পারছ, পালাও,’ বললেন দাদু।

দাদুর কাছে যুদ্ধ নতুন কিছু না। দোনেৎস্কে যখন বিশ্বযুদ্ধের আঁচ পৌঁছায়, তখন তার বয়স ছিল মাত্র পাঁচ। কুরস্কের যুদ্ধে মারা গিয়েছিলেন তার বাবা। দাদুর অবশ্য সেসব কথা মনে পড়ে খুব কম। তবে মনে আছে সারাক্ষণ খিদের জ্বালা আর মায়ের শূন্য চাউনির কথা। দোনেৎস্কের দখল আর মুক্তির সেই দুই বছরের কথা বলতে তার মনে আছে শুধু এইটুকুই।

স্তালিনের ভয়ংকর হোলোদমর প্রকল্পে এতিম হয়েছিলেন দাদুর মা। অদৃশ্য শক্তির হাতে এক জীবন্ত নরকে পরিণত হয়েছিল তার জীবন। ১৫ বছর বয়সে ইস্পাত কারখানার দমবন্ধ করা গরমে দিনে ১২ ঘণ্টা খেটে তার শৈশব শেষ হয়। ভবিষ্যৎ স্বামীর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল সেখানেই।

দোনেৎস্ক দখলে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর তার দ্বিতীয় বাচ্চাটা মারা যায়। কয়েক মাস পরই তার স্বামীকে সামরিক বাহিনীতে তলব করা হয়— যুদ্ধ থেকে তিনি আর ফেরেননি। দোনেৎস্কে ফেরা এক আহত সৈনিক একদিন দাদুর মাকে মৃত স্বামীর জুতোজোড়া দেখায়। এর কয়েক সপ্তাহ পর তিনি মৃত সন্তান প্রসব করেন। সব হারানোর পর দুনিয়ায় তার জীবনের একমাত্র যে ধন অবশিষ্ট ছিল—সে আমাদের দাদু।

জীবনের পরিহাসটা এমনই হয় হয়তো—যে মানুষটার শৈশব ছিঁড়েখুঁড়ে দিয়েছিল যুদ্ধ, সে-ই বড় হয়ে স্বেচ্ছায় যুদ্ধে যায়। দাদু কোনো পেশাদার সৈনিক ছিলেন না, জোর করেও তাকে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হয়নি। আফগান যুদ্ধে তিনি নিজেই নাম লিখিয়েছিলেন। সেখানেই তার পরিচয় হয়েছিল আঙ্কেল ভানিয়ার সঙ্গে। আজ বাবা আর দাদু যাচ্ছেন সেই আঙ্কেল ভানিয়ার কাছেই পরিস্থিতি সম্পর্কে পরামর্শ করতে।

দোনেৎস্কে আঙ্কেল ভানিয়াকে চেনে না, এমন মানুষ খুবই কম। কারও কাছে তিনি নব্বইয়ের দশকের কুখ্যাত অপরাধজগতের ‘ছাতা’ হিসেবে পরিচিত। অন্যদের কাছে তিনি দানশীল মানুষ, শিল্পপ্রেমী, আর স্থানীয় ফুটবলের একনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক যাকে ছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হয়তো দোনেৎস্কমুখীই হতো না।

আঙ্কেল ভানিয়ার মতো শিল্পপতিদের কারণেই শিল্পশক্তির দিক থেকে দোনেৎস্ক এখনো ইউক্রেনের মাথার মণি হয়ে আছে। আঙ্কেল দাবি করেন, তার কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই। কিন্তু দোনেৎস্কে তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক প্রভাব আছে—এমন মানুষ বলতে গেলে নেই।

আফগান যুদ্ধের সময় দাদা ছিলেন ভানিয়া আঙ্কেলের মাথার ওপর নির্ভরতার ছায়া। একেবারে ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল’ যাকে বলে। দোনেৎস্কের দুই ভিন্ন আদর্শের মানুষ, জীবনের দুই ভিন্ন সময়ে, দুই সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে যুদ্ধে গিয়েছিলেন। তবু তাদের বন্ধুত্ব রক্তের সম্পর্ককেও হার মানাত।

দাদু ছিলেন একনিষ্ঠ অক্টোব্রিস্ট, পাইওনিয়ার আর কমসোমোল সদস্য। কমিউনিস্ট হিসেবে তার ভাবমূর্তিও ছিল একেবারে নিখুঁত। লম্বাচওড়া স্লাভ জাতের মানুষটাকে কেউ নিখুঁতভাবে শেভ না করে বের হতে দেখেনি। ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান —এসবের আশপাশে থাকতেন না। কমিউনিস্টরা যাকে বলত ‘গরিব ভোলানোর আফিম’ সেই ধর্মেও মতি ছিল না তার।

অন্যদিকে, নেশাই ছিল আঙ্কেল ভানিয়ার কান্দাহারে পৌঁছানোর আসল কারণ। দোনেৎস্কে অবৈধ মাদকসহ ধরা পড়েছিলেন। বাধ্যতামূলক যুদ্ধে যাওয়া আর ঠেকায় কে! নামকাওয়াস্তে কিছু ট্রেনিং দিয়েই সোজা আফগানিস্তানে চালান। ট্রেনিং বলতে সম্বল কোনোমতে রাইফেল চালানো আর গ্রেনেড ছোড়ার জ্ঞান।

(চলবে) . . .

আইজ্যাক রবিনসন গত পঁচিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি ও মানবিক সংকটে ক্ষতবিক্ষত মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন বলকান, পূর্ব আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ও অঞ্চলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশাস্ত্রে পড়াশোনার পর তিনি অক্সফোর্ড ও কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন ও মানবাধিকার বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ইংল্যান্ডে পেশাগত আইনগত যোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন দ্য হেগে। তার লেখালেখি নিছক একাডেমিক চর্চা থেকে তৈরি নয়; এর পেছনে আছে দীর্ঘদিনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা—যা তিনি দেখেছেন, খুব কাছ থেকে অনুভব করেছেন, আর শিখেছেন যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে।

ঝরা পাতার সংসারধারাবাহিক উপন্যাস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    দূষণের শুরু আমাদের ঘর থেকেই

    দূষণের শুরু আমাদের ঘর থেকেই

    ০৫ জুন ২০২৬, ০১:১৭

    ঢাকায় হাকান ফিদান, সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা

    ঢাকায় হাকান ফিদান, সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা

    ০৫ জুন ২০২৬, ০০:১৮

    সৌরবিদ্যুৎ যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক ছাড়

    সৌরবিদ্যুৎ যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক ছাড়

    ০৫ জুন ২০২৬, ০০:২০

    জলবায়ু মোকাবিলায় অগ্রাধিকার পাবে গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রশিক্ষণ

    জলবায়ু মোকাবিলায় অগ্রাধিকার পাবে গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রশিক্ষণ

    ০৫ জুন ২০২৬, ০১:১৬

    অর্থ উঠানোর পর ব্যবসায় ধস

    অর্থ উঠানোর পর ব্যবসায় ধস

    ০৫ জুন ২০২৬, ০০:৩৯

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকায় এনসিপির বিক্ষোভ

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকায় এনসিপির বিক্ষোভ

    ০৫ জুন ২০২৬, ০০:৩৮

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা নীতিমালা অনুমোদন

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা নীতিমালা অনুমোদন

    ০৫ জুন ২০২৬, ০১:০৬

    ফিরছে জীববৈচিত্র্য, দ্বীপবাসী জীবিকার সংকটে

    ফিরছে জীববৈচিত্র্য, দ্বীপবাসী জীবিকার সংকটে

    ০৫ জুন ২০২৬, ০০:৫৯

    কৃষকের হাটে কৃষক নেই

    কৃষকের হাটে কৃষক নেই

    ০৫ জুন ২০২৬, ০০:৩৩

    দূষণের দেশে ২২৮ পরিবেশ মামলা

    দূষণের দেশে ২২৮ পরিবেশ মামলা

    ০৫ জুন ২০২৬, ০০:৫৫

    বন্ধ কারখানা চালুর বহুমুখী উদ্যোগ

    বন্ধ কারখানা চালুর বহুমুখী উদ্যোগ

    ০৫ জুন ২০২৬, ০০:১৫

    নয়াদিল্লির হোটেল অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশির মৃত্যু

    নয়াদিল্লির হোটেল অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশির মৃত্যু

    ০৫ জুন ২০২৬, ০২:৩৮

    নোয়াখালীতে ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

    নোয়াখালীতে ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

    ০৫ জুন ২০২৬, ০২:৪২

    ‘চোখে ভাসছে ছেলে দুটি, কীভাবে ভুলি’

    ‘চোখে ভাসছে ছেলে দুটি, কীভাবে ভুলি’

    ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮

    বৈষম্যের অভিযোগ তুলে অবসরের আবেদন সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধানের

    বৈষম্যের অভিযোগ তুলে অবসরের আবেদন সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধানের

    ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:০৮

    advertiseadvertise