Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
বেওয়ারিশ লাশের অভিভাবক হাফেজ সেলিম
সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় টো টো কোম্পানি

বৃষ্টিতে মিরিঞ্জা ভ্যালি ভ্রমণ, যা জানা জরুরি

ইশতিয়াক হাসান
ইশতিয়াক হাসান
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ১২:০৫
বৃষ্টিতে মিরিঞ্জা ভ্যালি ভ্রমণ, যা জানা জরুরি

বৃষ্টির সময় রূপের ডালি মেলে ধরে মিরিঞ্জা ভ্যালি। ছবি: লেখক

চান্দের গাড়িটা যখন পাহাড়ে ওঠা শুরু করে, তখনও বিষয়টা হয়তো খুব ভালোভাবে ঠাহর করতে পারবেন না। কিন্তু কয়েক মিনিট পরই বুঝতে পারবেন, এটা কোনো সাধারণ ভ্রমণ না। বিশেষ করে কয়েক দফা বৃষ্টি হলে মিরিঞ্জা ভ্যালির রাস্তা একেবারেই অন্যরকম হয়ে যায়। শুকনো মৌসুমের ধুলোমাখা পথ কাদা আর পানির মিশেলে হয়ে ওঠে পিচ্ছিল। কোথাও গভীর খাঁজ, কোথাও ঢাল এত খাড়া যে গাড়ি উঠতেই চায় না। একেকটা বাঁকে মনে হয়, এই বুঝি নিয়ন্ত্রণ হারাল। অভিজ্ঞ চালকের হাতে চান্দের গাড়ি না হলে এই পথ সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশেষ করে টানা বৃষ্টির পর পাহাড়ি রাস্তায় ছোটখাটো ধস নামাটা খুব স্বাভাবিক, ফলে আগে থেকে রাস্তার অবস্থা জেনে নেওয়াটা খুব জরুরি। মাস কয়েক আগে যখন গিয়েছিলাম পরিবার সমতে তখনও রাস্তা যথেষ্ট বেগ দিয়েছিল। এখন বৃষ্টি শুরু হয়ে যাওয়ায় সতর্কতা জরুরি।

মিরিঞ্জা ভ্যালিতে সূর্যোদয়। ছবি: লেখক

চূড়ায় উঠেই বদলে যায় সব

কিন্তু এই ভয়, এই প্রবল ঝাঁকুনি সবকিছু এক মুহূর্তে ভুলে যাবেন ওপরে পৌঁছালে। গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হতেই যে নীরবতা চারপাশে নেমে আসে, সেটাই প্রথম ধাক্কা। শহরের মতো কোনো শব্দ নেই। সামনে তাকালে শুধু স্তরে স্তরে পাহাড়, দূরে নীলচে রেখা, মাঝখানে সবুজের ঢেউ। বর্ষায় এই দৃশ্য আরও জীবন্ত। মেঘ এসে হঠাৎ সব ঢেকে দেয়, আবার কয়েক মিনিট পরই সরে গিয়ে খুলে দেয় পুরো দিগন্ত। মনে হয়, চোখের সামনে একটা দৃশ্য না, বরং চলমান একটা ছবি।

মিরিঞ্জা রেঞ্জ আর ভ্যালির ভূগোল

বান্দরবানের মিরিঞ্জা ভ্যালিকে বোঝার জন্য আগে মিরিঞ্জা রেঞ্জটা বোঝা দরকার। পার্বত্য চট্টগ্রামের লামা ও আলীকদম অঞ্চলে বিস্তৃত এই পাহাড়ি রেঞ্জটাই পুরো এলাকার মূল কাঠামো। আর এই রেঞ্জের মাঝখানে তৈরি হওয়া নিচু, সবুজ, বসতিপূর্ণ অংশটাই মিরিঞ্জা ভ্যালি। এখানে এখনো দেখা যায় মারমা ও ম্রো জনগোষ্ঠীর ছোট ছোট গ্রাম, জুম চাষের জমি, বাঁশের ঘর আর সরু পাহাড়ি পথ। পর্যটনের বাইরে এই জায়গার একটা নিজস্ব জীবন আছে, যা নীরবে চলতে থাকে।

মিরিঞ্জা ভ্যালি রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট

একটি নাম থেকে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য

জায়গাটি কিন্তু অনেক পুরনো পর্যটনকেন্দ্র না। ২০২১ সালের দিকে পাহাড়ের ওপর একটি ছোট জুমঘর বানিয়ে “মিরিঞ্জা ভ্যালি” নামটা চালু করেন স্থানীয় উদ্যোক্তা মো. জিয়াউর রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ার পরই জায়গাটা পরিচিত হতে শুরু করে। তারপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গড়ে ওঠে একের পর এক রিসোর্ট। এখন মিরিঞ্জা, সুখিয়া আর আশপাশের এলাকা মিলিয়ে প্রায় ৭০-৮০টির মতো রিসোর্ট রয়েছে, যা পুরো এলাকাকে একটি নতুন পর্যটন জোনে পরিণত করেছে।

কোথায় থাকবেন আর কী পাবেন

এখন এখানে থাকার জন্য অনেক অপশন আছে। মেঘবাড়ি রিসোর্ট, লাতং ভ্যালি রিসোর্ট, মিরিঞ্জা ভ্যালি রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, মারাইংছা হিল রিসোর্ট, ডেঞ্জার হিল রিসোর্ট, আগারাং রিসোর্ট, অ্যাডভেঞ্চার হিল—এই নামগুলো বেশ পরিচিত। বেশিরভাগ রিসোর্টই পাহাড়ের চূড়ায় বা ঢালে তৈরি, যেখানে কটেজের বারান্দা থেকেই দেখা যায় সূর্যোদয় বা মেঘের খেলা। তবে সুবিধা-অসুবিধা মিলিয়েই থাকতে হয়। অনেক জায়গায় এখনো বিদ্যুৎ সোলার বা জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল, পানির সংকটও কোথাও কোথাও আছে। খাবারের ক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট প্যাকেজ—নাশতা, দুপুর ও রাতের খাবার মিলিয়ে—দেওয়া হয়। আলাদা করে বেছে নেওয়ার সুযোগ সীমিত।

মিরিঞ্জা ভ্যালির সবচেয়ে বড় শক্তি তার অপ্রস্তুত, অপরিকল্পিত সৌন্দর্য। ছবি: লেখকমিরিঞ্জা ভ্যালির সবচেয়ে বড় শক্তি তার অপ্রস্তুত, অপরিকল্পিত সৌন্দর্য। ছবি: লেখক

খরচ কেমন

কটেজ ভাড়া সাধারণত ৩০০০ থেকে ৬০০০ টাকার মধ্যে, মৌসুম আর চাহিদা অনুযায়ী বাড়ে-কমে। গ্রুপে গেলে জুমঘরে কম খরচে থাকা যায়। খাবারের প্যাকেজ জনপ্রতি ৭৫০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে। চান্দের গাড়ি ভাড়া দূরত্ব অনুযায়ী ৪০০০ থেকে ৬০০০ টাকা পর্যন্ত যেতে পারে। পিক সিজনে এই খরচ আরও বেড়ে যায়, যা অনেক সময় পর্যটকদের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।

বৃষ্টিতে সতর্কতা

এই সময়টায় যাওয়ার আগে সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয় নিরাপত্তা নিয়ে। টানা বৃষ্টিতে রাস্তা এতটাই পিচ্ছিল হয়ে যায় যে অনেক রিসোর্ট পর্যন্ত গাড়ি পৌঁছাতে পারে না, বাকি পথ হেঁটে উঠতে হয়। পাহাড়ি ঢাল ভিজে থাকায় পা পিছলে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। এছাড়া মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল হওয়ায় জরুরি যোগাযোগও কঠিন হতে পারে। তাই পরিবার নিয়ে গেলে, বিশেষ করে শিশু বা বয়স্ক কেউ থাকলে, সময়টা একটু ভেবে নেওয়াই ভালো।

সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দুটিতেই অনবদ্য মিরিঞ্জা উপত্যকা। ছবি: লেখক

সৌন্দর্য আর দায়বদ্ধতা

মিরিঞ্জা ভ্যালির সবচেয়ে বড় শক্তি তার অপ্রস্তুত, অপরিকল্পিত সৌন্দর্য। কিন্তু এই সৌন্দর্যই এখন হুমকির মুখে। পর্যটক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাস্টিক বর্জ্য, খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল ছড়িয়ে পড়ছে পাহাড়জুড়ে। রিসোর্ট মালিকদের পাশাপাশি পর্যটকদেরও এখানে দায়িত্ব নিতে হবে। না হলে খুব দ্রুতই এই জায়গাটাও সাজেকের মতো চাপের মুখে পড়ে যাবে।

লাতং ভ্যালি রিসোর্ট

ফিরে আসার সময় মন কাঁদবে

শেষ বিকেলে পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে থাকলে একটা অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করে। এই দৃশ্যটা ফেলে যেতে মন চাই না। বাতাসে ভেজা গন্ধ, দূরের সবুজ, মেঘের আসা-যাওয়া সব মিলিয়ে একটা নীরব টান তৈরি হয়। মিরিঞ্জা ভ্যালি ছেড়ে আসার সময় মনে হয়, শুধু জায়গাটা না, নিজের ভেতরের একটা অংশও যেন রেখে যাচ্ছি। তাই একবার যারা সেখানে যান পথের কষ্ট ভুলে মেঘ-পাহাড়ের এই অসাধারণ সৌন্দর্য দেখতে বার বার ফিরে আসেন।

ভ্রমণমিরিঞ্জা ভ্যালিআলীকদমবান্দরবানলামা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    যুদ্ধকালীন নির্বাচন ইউক্রেনকে সুনামির মতো ছিন্নভিন্ন করবে : জেলেনস্কি

    যুদ্ধকালীন নির্বাচন ইউক্রেনকে সুনামির মতো ছিন্নভিন্ন করবে : জেলেনস্কি

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৫৯

    ডেঙ্গুতে থামল আরও ৫ প্রাণ, বেশি মৃত্যু ঢাকায়

    ডেঙ্গুতে থামল আরও ৫ প্রাণ, বেশি মৃত্যু ঢাকায়

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৯

    আগামী চক্রবর্তীর বিয়ের তারিখও চূড়ান্ত হয়েছিল

    আগামী চক্রবর্তীর বিয়ের তারিখও চূড়ান্ত হয়েছিল

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২৪

    কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

    কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:১৩

    গুম-খুনের শিকারদের জন্য হচ্ছে আলাদা অধিদপ্তর

    গুম-খুনের শিকারদের জন্য হচ্ছে আলাদা অধিদপ্তর

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২০:০৪

    ১২ কোটি টাকার বিনিময়ে ১২০০ শিক্ষার্থীর ফল বদল!

    ১২ কোটি টাকার বিনিময়ে ১২০০ শিক্ষার্থীর ফল বদল!

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২৩:১৫

    সুন্দরবনে ফের দস্যু আতঙ্ক, ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

    সুন্দরবনে ফের দস্যু আতঙ্ক, ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৫৭

    দুই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বন্টন, কে দেখবেন কোন বিষয়

    দুই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বন্টন, কে দেখবেন কোন বিষয়

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:৫০

    জামালপুরে দুই শিশুর কান্নায় ফ্ল্যাটে মিলল মায়ের মরদেহ

    জামালপুরে দুই শিশুর কান্নায় ফ্ল্যাটে মিলল মায়ের মরদেহ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২০

    বাল্যবিয়ের পাঠ আছে, নেই প্রতিরোধের প্রস্তুতি

    বাল্যবিয়ের পাঠ আছে, নেই প্রতিরোধের প্রস্তুতি

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:৩৩

    ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন

    ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:০৭

    গণপতি স্যার বলতেন ‘তোরা মানুষ হবি না?’

    গণপতি স্যার বলতেন ‘তোরা মানুষ হবি না?’

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:২৫

    যে মানুষ নদীর, যে মানুষ বৃক্ষের

    যে মানুষ নদীর, যে মানুষ বৃক্ষের

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৬

    সিরিয়ায় হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর সমালোচনায় ইসরায়েলি পত্রিকা

    সিরিয়ায় হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর সমালোচনায় ইসরায়েলি পত্রিকা

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৫

    রোম বিতর্কের পর ভেনিসে

    রোম বিতর্কের পর ভেনিসে

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৬

    advertiseadvertise