ধ্রুব এষের গল্প
ই-আই-ই-আই-ও
- ধ্রুব পাখি খুব ভালোবাসেন তোমাদের। ভালোবেসে কত কিছু যে লেখেন, কত কী যে আঁকেন, ইয়ত্তা নেই। এবারে লিখলেন আদুরে পাখিদের নিয়ে এই গল্প। এই ছবিও রজতের আঁকা

একটা পাখি আছে উখিং।
একটা পাখি আছে তৃণ।
একটা পাখি আছে দুপুর।
একটা পাখি আছে জায়রা।
উখিং পাখিটা নীল রঙের।
তৃণ পাখিটা কমলা রঙের।
দুপুর পাখিটা সবুজ রঙের।
জায়রা পাখিটা হলুদ রঙের।
ছোট ছোট এই পাখিরা যখন একসঙ্গে গাছের ডালে বসে থাকে, কী সুন্দর লাগে দেখতে! একটু নীল রং, একটু কমলা রং, একটু সবুজ রং, একটু হলুদ রং একসঙ্গে গাছের ডালে বসে আছে মনে হয়।
আবার তারা যখন একসঙ্গে ওড়ে, কী সুন্দর লাগে দেখতে!
একটু নীল রং, একটু কমলা রং, একটু সবুজ রং, একটু হলুদ রং একসঙ্গে উড়ছে মনে হয়।
আবার তারা যখন একসঙ্গে কিচিরমিচির করে, কী সুন্দর লাগে শুনতে!
একটু নীল রং, একটু কমলা রং, একটু সবুজ রং, একটু হলুদ রং একসঙ্গে কিচিরমিচির করছে মনে হয়।
আবার তারা যখন একসঙ্গে গান করে, আরও কী সুন্দর লাগে শুনতে!
একটু নীল রং, একটু কমলা রং, একটু সবুজ রং, একটু হলুদ রং একসঙ্গে গান করছে মনে হয়:
‘বুড়ো ম্যাকডোনাল্ডের ছিল একটা খামার
ই-আই-ই-আই-ও
আর সেই খামারে তার ছিল কয়টা গরু
ই-আই-ই-আই-ও
হাম্বা এখানে হাম্বা সেখানে
সবখানে হাম্বা
বুড়ো ম্যাকডোনাল্ডের ছিল একটা খামার
ই-আই-ই-আই-ও...।’
বুড়ো ম্যাকডোনাল্ডও গান শুনে খুশি হয়। তার খামারের গরুর দুধ গরম করে ছোট ছোট মগে ঢেলে দিয়ে বলে, ‘পিও বাছারা।’
নীল উখিং পাখি খুবই লক্ষ্মী, কমলা তৃণ পাখি খুবই লক্ষ্মী, সবুজ দুপুর পাখি খুবই লক্ষ্মী, হলুদ জায়রা পাখি খুবই লক্ষ্মী। তারা গরম দুধ খায় আর গান গায়:
‘বুড়ো ম্যাকডোনাল্ডের আছে একটা খামার
ই-আই-ই-আই-ও...।’






