হরর ছবি
বাস্তুশাস্ত্র

‘বাস্তুশাস্ত্র’ ২০০৪ সালের একটি হিন্দি ভৌতিক সিনেমা। মুক্তি পায় ওই বছরের ২২ অক্টোবর। প্রযোজক রাম গোপাল ভার্মা, পরিচালক সৌরভ নারাং। প্রধান ভূমিকায় সুস্মিতা সেন ও জে ডি চক্রবর্তী। এটি অন্যতম আন্ডাররেটেড একটি হিন্দি হরর সিনেমা।
মুম্বাইয়ের শহরতলিতে একটি বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে আছে এক বিকৃত, অশুভ গাছ। ছবির শুরুতেই একজন সেই বাড়িতে ঢুকে অদৃশ্য শক্তির হাতে প্রাণ হারায়। এরপর সেখানে বাস করতে আসে ঝিলমিল ও বিরাগ রাওয়ের পরিবার। ঝিলমিল স্ত্রীরোগ চিকিৎসক, বিরাগ লেখক। কাজের চাপে দুজনেই ছোট ছেলে রোহনকে সময় দিতে পারে না। একা রোহন মেতে ওঠে মনিশ ও জ্যোতি নামের দুই কাল্পনিক বন্ধুকে নিয়ে। আসলে ওরা এই বাড়িতে আটকা পড়ে থাকা প্রেতাত্মা।
নতুন কাজের মেয়ে রুক্মা বাড়ির অস্বাভাবিকতা টের পায়। মনিশ খাটের নিচ থেকে তার দিকে টেনিস বল ছুড়ে মারে। রুক্মা আসলে চোর, আর অল্প কিছু সময় পরেই নির্জন পথে দ্রুতগামী লরির ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়। ঝিলমিল ধীরে ধীরে চিন্তায় পড়ে যায়। এক রাতে পরিবার সিনেমা দেখতে বেরোলে ঝিলমিলের বোন রাধিকা, প্রেমিক মুরলিকে বাড়িতে ডাকে। ফিরে এসে সবাই দেখে, মুরলির ক্ষতবিক্ষত লাশ আর রাধিকা গাছে ঝুলছে। এক পাগল লোক বারবার ঝিলমিলকে বাড়ি ছেড়ে যেতে সতর্ক করে।
এরপর প্রেতাত্মারা বিরাগকে হত্যা করে নিজেদের দলে টেনে নেয়। আর সে নিজের পরিবারেরই শত্রু হয়ে ওঠে। সাহায্য করতে আসা পুলিশ ইন্সপেক্টরেরও একই পরিণতি হয়। শেষে ঝিলমিল গাড়ি নিয়ে গাছে ধাক্কা মারে, বিস্ফোরণে গাছ পুড়ে যায়। ঝিলমিল ও রোহন হাসপাতালে ভর্তি হয়। কিন্তু শেষ দৃশ্যে রোহনের চোখ কালো হয়ে যায়, ইঙ্গিত দেয় সেও প্রেত হয়ে গেছে।
এটি ছিমছাম, মৃদু গা-ছমছমে ভূতের গল্প। সিনেমাটি নিয়ে যতটা আলোচনা হওয়ার দরকার ছিল, ততটা কখনোই হয়নি।



