হরর ছবি
সিনিস্টার

২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ও স্কট ডেরিকসন পরিচালিত এই সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘এলিসন অসওয়াল্ট’ একজন ক্রাইম-থ্রিলার লেখক। নিজের ক্যারিয়ার পুনরুজ্জীবিত করার আশায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে এমন একটি বাড়িতে ওঠেন, যেখানে আগে ঘটে গিয়েছে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড।
লেখক ঠিক করেছিলেন যে ওই ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নিজের নতুন বইটি লিখবেন। বাড়ির ভেতর হাঁটতে হাঁটতে এলিসন খুঁজে পান কয়েকটি পুরনো ৮ মিলিমিটার হোম-মুভি। আর সেই ফুটেজগুলোই তাকে এমন এক অন্ধকার জগতের দিকে টেনে নেয়, যেখান থেকে ফিরে আসা সহজ নয়। দৃশ্যগুলো ছিল খুবই গা ছমছমে।
পরিবারের স্বাভাবিক, আনন্দময় মুহূর্তকে ধীরে ধীরে নির্মম হত্যাকাণ্ডে পরিণত করার ধরনগুলো এতটাই অস্বস্তিকর যে দর্শক একই সঙ্গে পরের দৃশ্যটি দেখতে চান এবং ভয়ও পান। এলিসনের কৌতূহল ধীরে ধীরে নেশায় পরিণত হয়। সত্যের কাছাকাছি যেতে যেতে নিজের পরিবার, নিরাপত্তা এবং মানসিক স্থিতি.. সবকিছুই ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেন।
সিনিস্টারের আরেকটি আকর্ষণ হলো অতিপ্রাকৃত সত্তার উপস্থিতি। ‘বুগুল’ নামের রহস্যময় সত্তাটিকে পরিচালক খুব বেশি সরাসরি ব্যবহার করেননি; বরং তার উপস্থিতির অদৃশ্য প্রভাবের মাধ্যমে আতঙ্ক তৈরি করেছেন। ফলে দর্শকের কল্পনাই অনেক সময় সিনেমার চেয়েও ভয়ংকর হয়ে ওঠে।






