Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বাতিঘর লিটন
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কুহক

কুমড়োর আগে শালগমে খোদাই হতো ভূতের মুখ!

ফিচার ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:১৪
শেয়ার করুন:
কুমড়োর আগে শালগমে খোদাই হতো ভূতের মুখ!

প্রতীকী ছবি

হ্যালোইনের পরিচিত প্রতীক জ্বলজ্বলে কুমড়ো। কিন্তু এই ভৌতিক সাজের ইতিহাসে কুমড়োর আগে জায়গা ছিল শালগমের। শত শত বছর আগে আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের মানুষ শালগমের ভেতর খোদাই করতেন ভয়ংকর মুখ। ভেতরে জ্বালানো হতো মোমবাতি। অন্ধকার রাতে সেই আলো-আঁধারির মুখ দেখে ভয় পেত পথচারীরা।

অক্টোবরের শেষ রাত। চারদিকে অন্ধকার। বাড়ির দরজা কিংবা জানালার পাশে রাখা একটি সবজির ভেতর থেকে জ্বলছে মৃদু আলো। কাছে যেতেই দেখা গেল, সবজিটির গায়ে খোদাই করা চোখ-মুখ। মুখটি যেন হাসছে, আবার মনে হচ্ছে ভয় দেখাচ্ছে। হ্যালোইনের পরিচিত কুমড়োর লণ্ঠনের পেছনে রয়েছে এমনই এক পুরোনো ঐতিহ্য। তবে তখন কুমড়ো নয়, ব্যবহার করা হতো শালগম।

মৃত আত্মা তাড়ানোর বিশ্বাস
এই প্রথার শিকড় খুঁজে পাওয়া যায় আয়ারল্যান্ডের প্রাচীন সামহেইন (Samhain) উৎসবে। কেল্টিক জনগোষ্ঠীর কাছে এটি ছিল গ্রীষ্মের সমাপ্তি ও শীতের আগমনের সময়। অক্টোবরের ৩১ তারিখের রাতকে ঘিরে প্রচলিত বিশ্বাস ছিল, এ সময় জীবিত ও মৃতের জগতের মধ্যকার সীমারেখা অনেকটা পাতলা হয়ে আসে। মৃতদের আত্মা পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে। অশুভ আত্মার হাত থেকে বাঁচতে মানুষ নানা ধরনের ছদ্মবেশ ধারণ করত।

শালগম, আলু কিংবা বিটের মতো সবজির ভেতর ফাঁপা করে তাতে ভয়ংকর মুখ খোদাই করত। এরপর ভেতরে বসানো হতো মোমবাতি। এসব লণ্ঠন বাড়ির দরজার পাশে রাখা হতো কিংবা হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো হতো। উদ্দেশ্য ছিল অশুভ আত্মাকে ভয় দেখিয়ে দূরে রাখা।

আয়ারল্যান্ডের জাতীয় জাদুঘরে এমন একটি শালগমের লণ্ঠনের নমুনা সংরক্ষিত আছেআয়ারল্যান্ডের জাতীয় জাদুঘরে এমন একটি শালগমের লণ্ঠনের নমুনা সংরক্ষিত আছে। ১৯৪৩ সালে ডানেগল কাউন্টির ফিনটাউন এলাকার এক শিক্ষকের কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই অঞ্চলে ১৯০০ সালের দিকে এ ধরনের লণ্ঠন তৈরির প্রচলন ছিল।

শালগম থেকে কুমড়ো
শালগমের লণ্ঠনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ‘স্টিঞ্জি জ্যাক’ নামের এক লোককাহিনি। গল্প অনুযায়ী, জ্যাক নামের এক ব্যক্তি শয়তানকে বারবার বোকা বানিয়েছিলেন। মৃত্যুর পর স্বর্গ ও নরক—কোথাও তাঁর ঠাঁই হয়নি। অন্ধকারে ঘুরে বেড়ানোর জন্য শয়তান তাঁকে একটি জ্বলন্ত কয়লা দিয়েছিল। জ্যাক সেটি রেখেছিলেন ফাঁপা শালগমের ভেতর। সেই থেকে তাঁর নাম হয় ‘জ্যাক অব দ্য ল্যানটার্ন’, যা পরে ‘জ্যাক-ও-ল্যানটার্ন’ নামে পরিচিতি পায়।

উনিশ শতকে আইরিশ অভিবাসীরা নিজেদের ঐতিহ্য নিয়ে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে তাঁরা দেখতে পান, শালগমের তুলনায় কুমড়ো আকারে বড়, সহজে পাওয়া যায় এবং ভেতরটা ফাঁপা করাও তুলনামূলক সহজ। ফলে শালগমের জায়গা দখল করে নেয় কুমড়ো। ধীরে ধীরে কুমড়োর গায়ে ভয়ংকর মুখ খোদাই করে লণ্ঠন বানানোর রীতি ছড়িয়ে পড়ে। এভাবেই পুরোনো আইরিশ ঐতিহ্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন রূপ পেয়ে হ্যালোইনের অন্যতম পরিচিত প্রতীকে পরিণত হয়।

সূত্র: ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আয়ারল্যান্ড, স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিন, হিস্ট্রি ডটকম 

হ্যালোইনভূতভয়কুহকগা ছম ছমভয়ানকমারাত্মকখারাপআত্মাসোল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ফ্লাইটে উঠেই লিটন ফেসবুকে দেখতে পান তার মেয়ে মারা গেছে

    ফ্লাইটে উঠেই লিটন ফেসবুকে দেখতে পান তার মেয়ে মারা গেছে

    এনসিপিতে যোগ দিলেন শিবিরের ৮০ নেতাকর্মী

    এনসিপিতে যোগ দিলেন শিবিরের ৮০ নেতাকর্মী

    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লা খুঁজতে বিশেষ কমিটি!

    পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লা খুঁজতে বিশেষ কমিটি!

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    খুলনা রেঞ্জে শুদ্ধি অভিযান, একযোগে পুলিশের ২৮ সদস্য প্রত্যাহার

    খুলনা রেঞ্জে শুদ্ধি অভিযান, একযোগে পুলিশের ২৮ সদস্য প্রত্যাহার

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    পিটাছড়ায় বন ও প্রাণের উৎসব

    পিটাছড়ায় বন ও প্রাণের উৎসব

    দীপের দেওয়া তথ্যে নানা ‘অসংগতি’

    দীপের দেওয়া তথ্যে নানা ‘অসংগতি’

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সার্বিয়ার নির্বাচন

    বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সার্বিয়ার নির্বাচন

    মার্কিন চুক্তিতে শুধু দেশ নয়, বিক্রি করা হচ্ছে সার্বভৌমত্বও

    মার্কিন চুক্তিতে শুধু দেশ নয়, বিক্রি করা হচ্ছে সার্বভৌমত্বও

    আড়াই মাস পর ফিরছে সৌদিতে নিহত ৫ শ্রমিকের মরদেহ, অপেক্ষায় স্বজনেরা

    আড়াই মাস পর ফিরছে সৌদিতে নিহত ৫ শ্রমিকের মরদেহ, অপেক্ষায় স্বজনেরা

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার