স্বাস্থ্য টিপস
শারীরিক ওজন বেশি হলে করণীয়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের অতিরিক্ত ওজন বা চর্বি জমে থাকাকে স্থূলতা বলে। এটি মাপার সবচেয়ে প্রচলিত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো বডি মাস ইনডেক্স (BMI)। বিএমআই নির্ণয়ের সূত্র বিএমআই = কিলোগ্রামে শরীরের ওজনকে মিটারে শরীরের উচ্চতার বর্গ দিয়ে ভাগ করতে হয়। ধরুন, কারও ওজন ৫০ কিলো, উচ্চতা ১.৫ মিটার, বিএমই হবে ৫০/(১.৫)২ = ২২.২। এক্ষেত্রে ওজন ১৮.৫ থেকে ২৪.৯ হলে তা স্বাভাবিক ওজন, ২৫ থেকে ২৯.৯ হলে ওভারওয়েট, ৩০ বা তার বেশি হলে স্থূলতা।
স্থূলতার কারণ: বেশি খাওয়া ও কম পরিশ্রমই মূল কারণ। এ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, বংশগত কারণ, হরমোনজনিত সমস্যা, মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব ও কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ওজন বাড়াতে পারে।
ওভারওয়েটের জটিলতা: রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ও রক্তচাপ বেড়ে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহু গুণ বেড়ে যায়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। স্তন, জরায়ু, কোলন, কিডনি ও পিত্তথলির মতো বিভিন্ন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠার প্রবণতা তৈরি হয়। ফ্যাটি লিভার, পিত্তথলিতে পাথর, মানসিক অবসাদ, হীনম্মন্যতা এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাসের কারণ হতে পারে।
চিকিৎসা
- ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ কমাতে হবে
- সারা দিন ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করুন
- খাওয়ার সময় ভালো করে চিবিয়ে খান
- সুষম খাদ্যতালিকা তৈরি করে তা মেনে চলুন
- সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের অ্যারোবিক ব্যায়াম করুন
লেখক : মেডিসিন বিভাগ, আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর, ঢাকা।



