বড়দেরও কি নিয়মিত কৃমির ওষুধ খেতে হবে?

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কৃমির ওষুধ মানেই যেন শুধু বাচ্চাদের ব্যাপার, এমন একটা ধারণা অনেকের মধ্যেই আছে। কিন্তু কৃমি বয়স মানে না। আমাদের মাটি, পানি ও পরিবেশে জীবাণু ছড়িয়ে থাকায় বড়রাও সহজে আক্রান্ত হতে পারেন। আর ঘরের একজনের কৃমি হলে তা সহজেই অন্যদের মধ্যে ছড়ায়।
সুস্থ সবাইকে সারা বছর অভ্যাসবশত ওষুধ খেয়ে যেতে হবে, তেমন নয়। তবে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্রই ওষুধ খেতে হয়।
যারা বেশি ঝুঁকিতে
· মাটি বা কাদার সংস্পর্শে কাজ করেন যারা
· খালি পায়ে চলাচলের অভ্যাস আছে যাদের
· ভালোভাবে না ধুয়ে শাকসবজি বা ফল খান যারা
· পরিবারে কারও কৃমি ধরা পড়েছে
আক্রান্ত হলে যেসব লক্ষণ
· পেটব্যথা বা ফোলা ভাব
· ক্ষুধামান্দ্য বা ওজন কমে যাওয়া
· মলদ্বারে চুলকানি, বিশেষত রাতে
· দুর্বলতা ও রক্তশূন্যতা
আক্রান্ত হলে পরিবারের সবাই একসঙ্গে ওষুধ খাওয়া উচিত। ওষুধ শুধু কৃমি মারে, ডিম নয়। তাই দুই সপ্তাহ পর আরেকটি ডোজ নেওয়া দরকার। অন্তঃসত্ত্বা বা অসুস্থদের ক্ষেত্রে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মনে রাখবেন, ওষুধ খেলে বর্তমান সংক্রমণ সেরে যাবে; কিন্তু ভবিষ্যতে কৃমি হবে না এমনটি নয়। তাই পরিচ্ছন্নতা, নিয়মিত হাত ধোয়া আর খাবার ঢেকে রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
লেখক: সিনিয়র মেডিকেল অফিসার, আইওএম




