স্বাস্থ্য টিপস
পেইনকিলার খাওয়ার পর কেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়?

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
মাথাব্যথা, দাঁত ব্যথা কিংবা শরীরের বিভিন্ন স্থানের ব্যথা কমাতে অনেকেই পেইনকিলার বা ব্যথানাশক ওষুধ খান। তবে এসব ওষুধ খাওয়ার পর কারও কারও পেটে জ্বালাপোড়া, অস্বস্তি, বমি বমি ভাব কিংবা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়। এর পেছনে রয়েছে ব্যথানাশক ওষুধের কিছু নির্দিষ্ট প্রভাব।
চিকিৎসকদের মতে, আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক ও ন্যাপ্রোক্সেনের মতো নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস (এনএসএআইডি) শরীরে ব্যথা ও প্রদাহ কমায়। তবে একই সঙ্গে এসব ওষুধ পাকস্থলীর সুরক্ষাকারী প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে। ফলে পাকস্থলীর ভেতরের আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এর কারণে অম্লতা, আলসার এমনকি পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণও হতে পারে।
কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন?
- চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মাত্রায় ওষুধ সেবন করতে হবে
- চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী খাবারের সঙ্গে বা পরে ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে এতে আলসার বা রক্তক্ষরণের ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয় না
- একই ধরনের একাধিক ব্যথানাশক একসঙ্গে খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে
- দীর্ঘদিন ব্যথানাশক সেবনের প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে
পেইনকিলার খাওয়ার পর কালো পায়খানা, রক্তবমি বা তীব্র পেটব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ব্যথানাশক প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত, তবে নির্বিচারে নয়।
লেখক : মেডিকেল অফিসার, শেফা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার।



