লাইফ স্টাইল
গরমে স্মার্ট দিনযাপন

মডেল: সীমি, ছবি: মঞ্জু আলম
গ্রীষ্মের দাবদাহে আমরা সাধারণত যে নিয়মগুলো মানি, সেগুলো এখনকার হিটওয়েভ বা অতি-তপ্ত আবহাওয়া মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়। কাঠফাটা রোদে টিকে থাকতে দরকার কিছু স্মার্ট কৌশল।
ঘর ঠান্ডা রাখার অভিনব কৌশল ক্রস ভেন্টিলেশন হ্যাক। বাইরের বাতাস যদি তপ্ত হয়, সব জানালা খুলে রাখা বোকামি! এর চেয়ে রোদ পড়ে— এমন জানালাগুলো বন্ধ করে দিয়ে ছায়াযুক্ত দিকের জানালা খুলে সেখানে একটি টেবিল ফ্যান উল্টো করে বসিয়ে দিতে পারেন। ফল? ভেতরের গরম বাতাস ওই ফ্যান টেনে বাইরে বের করে দেবে। একে বলে থার্মাল ড্রেনিং। আবার বিছানায় সুতির চাদর ব্যবহারের আগে সেটি প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে কয়েক মিনিটের জন্য ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন; ঘুমানোর আগে চাদরটি বিছিয়ে নিলে যে শীতল আমেজ পাবেন, তাতে দীর্ঘক্ষণ আরামে ঘুমানো যাবে! ঘরের মেঝে দিনে অন্তত দুবার মোছার সময় পানিতে সামান্য ইউক্যালিপটাস তেল বা কর্পূর মিশিয়ে নিতে পারেন, যা ঘরের পরিবেশে একধরনের প্রাকৃতিক শীতলতা ও সতেজতা তৈরি করতে সক্ষম।
আমাদের নাড়ির স্পন্দন যেখানে পাওয়া যায়, যেমন— কবজি, গোড়ালি ও ঘাড়, সেখানে মাঝেমধ্যে বরফ ঘষলে পুরো শরীরের রক্ত সঞ্চালনে শীতল সংকেত পৌঁছে যায়, যা তাৎক্ষণিকভাবে অস্বস্তি কমায়। এই পদ্ধতির নাম বডি থার্মোস্ট্যাট হ্যাক। এ ছাড়া রোদে বের হওয়ার আগে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত এড়ানো গেলে শরীর বেশ হাইড্রেটেড থাকে। কারণ, চিনি ও ক্যাফেইন শরীর থেকে পানি বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া বা ডাইইউরেসিস ত্বরান্বিত করে। এর বদলে ডাবের পানির সঙ্গে সামান্য লেবু চিপে নিলে সেটি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট রিচার্জার হিসেবে কাজ করবে, যা আপনাকে ক্লান্ত হতে দেবে না।
দুপুরের তপ্ত রোদে বের হতে হলে একটু নুন-চিনি মেশানো পানিকে সঙ্গী করা শ্রেয়। কারণ, সাদা পানি তৃষ্ণা মেটালেও শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া পটাশিয়াম আর সোডিয়ামের ঘাটতি মেটাতে পারে না। অন্যদিকে. কালোর চেয়ে বাইরে রুপালি বা হালকা রঙের আবরণ আছে— এমন ছাতা ব্যবহার করলে সরাসরি বিকিরণ থেকে সুরক্ষা মেলে।




