অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে

জাহের আলভী- আগামীর সময়
স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় পল্লবী থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়ার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে চেয়েছিলেন জামিন।
এরপর তার আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন৷ ওই আবেদনে বলা হয়, যাহের আলভী বিদেশে পলাতক থাকা অবস্থায় তার আইনজীবী উচ্চ আদালতে যান যেন। দেশে ফিরলে তাকে যেন গ্রেপ্তার বা হেনস্তা না করা হয়।
আদালত জাহের আলভীর পক্ষেই আদেশ দেন। এই আদেশের পর ৫ জুন দেশে ফেরেন যাহের আলভী। এ আসামি ঘটনার সাথে কোনোভাবে জড়িত না। ভিকটিম তার স্ত্রী। তার স্ত্রী আত্মহত্যা করে করে মারা গেছে। তাদের শিশু পুত্র সন্তান রয়েছে। সহ আসামি (মা) কে জামিন দেয়া হয়েছে। আসামি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। বিনা শর্তে বা যে কোনো শর্তে জামিন প্রার্থনা করেন।
শুনানিতে জামিনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। শুনানিতে ইকরার বাবা কবির হায়াত খান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।






