Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সারা জীবনের উপার্জনে স্কুল করেছেন রেখা
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় গান

প্রয়াণদিবসে ফরিদা পারভীন স্মরণ

লালনকে নাগরিকের বসার ঘরে নিয়ে এলেন যিনি

শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:২৭
লালনকে নাগরিকের বসার ঘরে নিয়ে এলেন যিনি

কিংবদন্তি শিল্পী ফরিদা পারভীন। (জন্ম- ১৯৫৪, মৃত্যু- ২০২৫)

যিনি একা হাতে বদলে দিয়েছেন লালন সাঁইয়ের গানের গন্তব্য, এমন মন্তব্য করাই যায় ফরিদা পারভীনকে নিয়ে। তিনি লালনের বাণীকে ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়ি থেকে টেনে এনে মধ্যবিত্তের ড্রয়িংরুমে, শহুরে শ্রোতার কানে, এমনকি বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছেন। সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা ঠিক এই কথাটিই বলেছিলেন, তার বাণীতে “লালন সাঁইয়ের আখড়ায় যে গান হয়, সেই গানকে উনি আধুনিকায়ন করে বা আরও সহজ করে সারা বাংলাদেশের মানুষের ড্রয়িং রুমে নিয়ে এসেছেন।” দীর্ঘদিন ধরে লালনের গান আখড়া ও বাউল সম্প্রদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। সেখান থেকে লালনকে তিনি পৌঁছে দিয়েছেন সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে। শুধু বাংলাদেশে নয়, জাপান, সুইডেন, ডেনমার্ক, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তিনি লালনের গান পরিবেশন করেছেন। এই অসামান্য কৃতিত্বই তাকে ‘লালনকন্যা’ ও ‘লালনসম্রাজ্ঞী’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।

ফরিদা পারভীনের শিল্পীজীবনের মোড় ঘুরে যায় লালনগীতির হাত ধরে। কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় দোল পূর্ণিমার এক অনুষ্ঠানে গুরু মোকছেদ আলী সাঁইয়ের অনুরোধে তিনি প্রথম লালনের গান গাওয়ার সুযোগ পান। গানটি ছিল ‘সত্য বল সুপথে চল’। শুরুতে খুব একটা আগ্রহী না হলেও গানটি গাওয়ার পর তার ভেতরে তৈরি হয় এক গভীর অনুরণন। বিবিসিকে ২০১৩ সালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফরিদা পারভীন নিজেই বলেছিলেন, “আমি খুব তাচ্ছিল্যবশতঃ বলেছিলাম, এসব ফকির-ফাকরার গান আমার ভালো লাগে না।” কেন এমনটা বলেছিলেন তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি যেহেতু নজরুলের গানের চর্চা করছিলাম, ক্ল্যাসিকালের চর্চা করছিলাম, লালন সাঁইজি সম্পর্কে আমার সেই রকম ঠিক ধারণার মধ্যে ছিল না।” পরে তিনি যোগ করেন, “এখন আমি খুব অনুতপ্ত হই, কেন এই কথাটা বলেছিলাম।” সেই প্রথম লালনগানই তাকে অস্থির করে তুলেছিল; তার মনে হয়েছিল, এই গান তাকে আরও শিখতে হবে, আরও গাইতে হবে। সেই শুরু—এরপর লালন হয়ে ওঠেন তার শিল্পীজীবনের অন্যতম প্রধান আশ্রয়। পরবর্তী সময়ে খোদা বক্স সাঁই, ব্রজেন দাস, বেহাল সাঁই, ইয়াছিন সাঁই ও করিম সাঁইয়ের কাছ থেকেও লালনসংগীতে তালিম নেন তিনি।

ফরিদা পারভীনের একক সন্ধ্যার আগে বেঙ্গলে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন শিমুল সালাহ্উদ্দিন
ফরিদা পারভীনের কণ্ঠের বিশেষত্ব ছিল তার গভীরতা ও আন্তরিকতায়। অগ্রজ সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমান বলেছিলেন, “আমরা অনেক সময় গাইলে মনে হয় মুখ থেকে গাই; কিন্তু ফরিদার লালনের গান শুনলে মনে হতো একেবারে ভেতর থেকে গায়। গানের কথা উপলব্ধি করে গাইত। প্রতিটি লাইনের সারমর্ম বুঝে, গভীর থেকে, একদম হৃদয় দিয়ে গাইত ফরিদা।” জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা বিবিসিকে একবার বলেছিলেন, “আমরা তো অনেক রকম ক্যাটাগরিতে আছি—গায়িকা, কণ্ঠশিল্পী, সাধক। উনি আসলে সত্যিকার অর্থে আমাদের এই সংগীতাঙ্গনে খুব কম সাধকদের একজন। উনি গানকে উনার সাধনার পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।” ফরিদা পারভীনের তীক্ষ্ণ কণ্ঠে যে প্রাণ ছিল, তা অনেক শ্রোতাকেই আবেগতাড়িত করে কাঁদিয়েছে বলেও স্মৃতিচারণ করেন কনকচাঁপা।

লালনের গান ছাড়াও ফরিদা পারভীনের কণ্ঠে বেশ কয়েকটি আধুনিক ও দেশাত্মবোধক গান ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’, ‘তোমরা ভুলেই গেছো মল্লিকাদির নাম’ ও ‘নিন্দার কাঁটা যদি না লাগিলো গায়’। ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’ গানটি বিবিসির জরিপে সর্বকালের সেরা ২০টি গানের মধ্যে স্থান করে নিয়েছিল। ফরিদা পারভীনের কণ্ঠে ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘সময় গেলে সাধন হবে না’, ‘মিলন হবে কত দিনে’, ‘বাড়ির কাছে আরশিনগর’—এই গানগুলো শ্রোতাদের কাছে এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়েছিল যে, সেগুলো মানুষের মুখে মুখে ফিরেছে।

দুই শিল্পী, ফরিদা পারভীন ও গাজী আবদুল হাকিম, দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে হয়েছিলেন জীবনসঙ্গীও।
তবে নজরুলসংগীত কিংবা আধুনিক গান চালিয়ে না যাওয়া প্রসঙ্গে বিবিসিকে ফরিদা পারভীন বলেছিলেন, “আমার ভাবনার মধ্যে এসে গেলো যে, নজরুলসংগীত গেয়ে আমি তো ফিরোজা বেগম হতে পারবো না, বা আধুনিক গান গেয়ে আমি তো ফেরদৌসী রহমান হতে পারবো না, বা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় হতে পারবো না। সে জন্য লালন সাঁইজির গান যখন আমার শ্রোতারা ভালোবেসে গ্রহণ করলো, আমার ভিতরে একটা ঐশ্বরিক অনুরণন ঘটেছিল যে সাঁইজির গান করলেই সবচাইতে ভালো হবে।” লালনের গান রিমিক্স বা ফিউশন করা প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, “ফিউশনের নামে কনফিউশন তৈরি হচ্ছে। যন্ত্র ব্যবহার করতে আমার কোনও আপত্তি নেই, কিন্তু মূল সুরটাও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, অনেক যন্ত্রের ঝনঝনানিও হচ্ছে। আমি যদি এখন গান করি, আমার গানটাকে ছাপিয়ে যদি যন্ত্রটা ব্যবহার হয়, তাহলে তো সেই মূল অংশটি থাকলো না।”

ফরিদা পারভীনের ব্যক্তিজীবনও ছিল এক সুরের মতো—কখনো মধুর, কখনো বেদনার, কখনো তাড়ায় কখনো উদারায়। তিনি বিয়ে করেছিলেন প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী আবু জাফরকে। আবু জাফর ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ও পরে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। ফরিদা পারভীনের গাওয়া শুরুর দিকের অধিকাংশ আধুনিক গানই ছিল আবু জাফরের লেখা ও সুর করা। তাদের চার সন্তান—এক মেয়ে জিহান ফারিয়া এবং তিন ছেলে ইমাম নিমেরি উপল, ইমাম নাহিল সুমন ও ইমাম নোমানি রাব্বি। কিন্তু সংসারের মতপার্থক্য আর ভাবনার ভিন্নতায় তাদের পথ আলাদা হয়ে যায়। আবু জাফর পরিপূর্ণ ইসলামি জীবন দর্শনকে আঁকড়ে ধরলে, ফরিদা পারভীন লালন সাঁইজির ভাব ও ভক্তিপূর্ণ সুরের সরাবে নিমগ্ন থাকেন। দুজন দুপথে হেঁটে গেছেন। আবু জাফর ২০২৪ সালের ৬ ডিসেম্বর ৮১ বছর বয়সে পৃথিবী ত্যাগ করেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের যেখানে সাঁইর বারামখানা অনুষ্ঠানে হারমোনিয়াম বাদনসহ সংগীত পরিবেশনরত ফরিদা পারভীন। ছবি: সাইমন জাকারিয়া
আবু জাফরের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০০৫ সালে ফরিদা পারভীন বিয়ে করেন বাংলাদেশের বিখ্যাত বংশীবাদক গাজী আবদুল হাকিমকে। প্রায় ১৭ বছর আগে গাজী আবদুল হাকিমকে সঙ্গে নিয়ে তেজগাঁওয়ের হোন্ডার গলিতে একটি ভাড়াবাড়িতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ‘অচিন পাখি সংগীত একাডেমি’। সেখানে লোকগান, নজরুলসংগীত, আধুনিক ও শাস্ত্রীয় সংগীতের পাশাপাশি ছবি আঁকা, গিটার ও তবলা শেখানো হয়। ফরিদা পারভীনের মতে, সংগীত হচ্ছে গুরুমুখী বিদ্যা। শিষ্যদের মাঝে বেঁচে থাকতে চেয়েছিলেন তিনি। গাজী আবদুল হাকিম আজও সেই স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছেন।

২০২৪ সালে কিডনি সংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্ত হন ফরিদা পারভীন। তার আগে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই সংক্রমণ যেন তার শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বল দেয়ালে একটা চিড় ধরিয়ে দিয়ে যায়। সপ্তাহে দু’দিন ডায়ালাইসিস করাতে হতো তাকে। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

ফরিদা পারভীন ও তার প্রথম স্বামী গীতিকার আবু জাফর
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশীষ কুমার চক্রবর্তী জানান, “ওনার একটার পর একটা নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়। কিডনির পাশাপাশি ব্রেন ও ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়। অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, রক্তের সংক্রমণও সারা দেহে ছড়িয়ে যায়। তিনি মাল্টিঅর্গান ফেইলিউরের পেশেন্ট ছিলেন।” ১৩ সেপ্টেম্বর শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

ফরিদা পারভীন। ছবি: ইমাম জাফর নোমানী 
ফরিদা পারভীনের শেষ ইচ্ছা ছিল কুষ্টিয়ায় মা-বাবার কবরের পাশে শায়িত হওয়া। তার ছেলে ইমাম নাহিল সুমন প্রথম আলোকে বলেছিলেন, “আম্মা যখন অসুস্থ ছিলেন, তখন তার শেষ ইচ্ছাটা ছিল কুষ্টিয়াতে একবার আসতে চান। এবং ওনার শেষ ইচ্ছাটা ছিল তার মা-বাবার কবরে তাকে শায়িত করা হোক।” ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় পৌর গোরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তাকে।

ফরিদা পারভীনের জন্ম ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর, নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার শাঔঁল গ্রামে। বাবা দেলোয়ার হোসেন ছিলেন পেশায় সাধারণ চিকিৎসক, মা রৌফা বেগম গৃহিণী। শৈশবে মাগুরায় ওস্তাদ কমল চক্রবর্তীর কাছে গানের হাতেখড়ি। এরপর কুষ্টিয়ার ওস্তাদ রবীন্দ্রনাথ রায়, মোতালেব বিশ্বাস ও ওসমান গনির কাছে ক্লাসিক্যালের পাঠ। প্রায় ছয়-সাত বছর তানপুরার সঙ্গে সাধনার পর নজরুলসংগীতের জগতে প্রবেশ। ১৯৬৮ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে তার সংগীতজীবন শুরু। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৭ সালে একুশে পদক পান, ১৯৯৩ সালে ‘অন্ধ প্রেম’ চলচ্চিত্রের ‘নিন্দার কাঁটা’ গানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এবং ২০০৮ সালে জাপানের মর্যাদাপূর্ণ ফুকুওকা এশীয় সাংস্কৃতিক পুরস্কারে ভূষিত হন।

ফরিদা পারভীন লালনের গানের সুর ও বাণীর মর্যাদা রক্ষায় যে অসাধারণ পরিশ্রম করছেন তা আমাদের মুগ্ধ করেছে। তিনি মধ্যবিত্তের কাছে লালনের গানকে পল্লীগীতির বাইরে এনে একটি বিশেষ ধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, হাসপাতালে ফরিদা পারভীনকে দেখতে গিয়ে বলেছিলেন ফরিদা আখতার।
ফরিদা পারভীন চলে গেছেন। কিন্তু তিনি রেখে গেছেন এমন এক সুরের উত্তরাধিকার, যা সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে বেঁচে থাকবে। আখড়ার গানকে তিনি ড্রয়িংরুমে এনেছেন, দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতে পৌঁছে দিয়েছেন। লালনের খাঁচার অচিন পাখির ডানার ঝাপটায় বেজে চলেছে যেনও সেই সুর— ‘মিলন হবে কত দিনে, আমার মনের মানুষের সনে’। ফরিদা পারভীন সেই মিলনের পথচলা চিরকালীন করে দিয়ে গেলেন লালনের গান গাইতে গাইতে বাঙালির হৃদয়ে।

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    প্রবাসীর স্ত্রীর বাসা থেকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    প্রবাসীর স্ত্রীর বাসা থেকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    ২ বছর পর তিতাসে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ

    ২ বছর পর তিতাসে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ

    মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না

    মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না

    বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ, স্বেচ্ছায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা দিলেন নারী যাত্রী

    বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ, স্বেচ্ছায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা দিলেন নারী যাত্রী

    আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে ব্রিকসের দিল্লি ঘোষণা

    আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে ব্রিকসের দিল্লি ঘোষণা

    সারা জীবনের উপার্জনে স্কুল করেছেন রেখা

    সারা জীবনের উপার্জনে স্কুল করেছেন রেখা

    ডেঙ্গুতে ৪ গুণ বেশি মৃত্যুঝুঁকি অন্তঃসত্ত্বার, শঙ্কায় অনাগত শিশুও

    ডেঙ্গুতে ৪ গুণ বেশি মৃত্যুঝুঁকি অন্তঃসত্ত্বার, শঙ্কায় অনাগত শিশুও

    ছয় বছরেও চালু হয়নি ৬ কোটির বাস টার্মিনাল

    ছয় বছরেও চালু হয়নি ৬ কোটির বাস টার্মিনাল

    ব্রিকস বর্জন কেউ বলছেন যৌক্তিক, কারও কাছে সুযোগ হাতছাড়া

    ব্রিকস বর্জন কেউ বলছেন যৌক্তিক, কারও কাছে সুযোগ হাতছাড়া

    হুতিরা ফোনে আমাকে বলেছে, তারা লড়াই করতে চায় না: ট্রাম্প

    হুতিরা ফোনে আমাকে বলেছে, তারা লড়াই করতে চায় না: ট্রাম্প

    আ.লীগের মিছিল নিয়ে প্রশ্ন-চিন্তা

    আ.লীগের মিছিল নিয়ে প্রশ্ন-চিন্তা

    পাসপোর্ট অফিসে টাকা ছাড়া মেলে না সেবা

    পাসপোর্ট অফিসে টাকা ছাড়া মেলে না সেবা

    জিবুতিতে পালিয়েছেন শত শত ইয়েমেনি

    জিবুতিতে পালিয়েছেন শত শত ইয়েমেনি

    নিয়োগকর্তাকেই কাঠগড়ায় তুললেন মার্শাল

    নিয়োগকর্তাকেই কাঠগড়ায় তুললেন মার্শাল

    এবার সৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের হামলা

    এবার সৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের হামলা