আবারও ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছাদূত তাহসান

সংগৃহীত ছবি
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে চুক্তি নবায়ন করেছেন সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। ২০২১ সালে প্রথমবার সংস্থাটির শুভেচ্ছাদূত হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি।
ইউএনএইচসিআরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তাহসান জানিয়েছেন, ‘রোহিঙ্গারা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় ও নিরাপত্তার খোঁজে আসার পর কেটে গেছে ৯ বছর। টেকসই সমাধান না আসা পর্যন্ত তাদের এই দুর্দশার প্রতি সহানুভূতিশীল থাকা প্রয়োজন আমাদের।’
‘আমি এমন সব পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি, যারা অকল্পনীয় ক্ষতি ও কষ্টের শিকার। তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়। সবার কাছে তুলে ধরতে চাই তাদের গল্পগুলো,’ যোগ করেন তিনি।
তাহসান আগেও জাতিসংঘের এ সংস্থার হয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততার কাজে সহায়তা করেছেন। শরণার্থীদের দুর্দশা, ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা এবং অধিকার রক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করছেন তিনি।
তাহসানকে নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব ইউএনএইচসিআরের রিপ্রেজেন্টেটিভ ইভো ফ্রেইসেনের। ‘তাহসান দীর্ঘদিন ধরে শরণার্থীদের পক্ষে একজন নিবেদিত কণ্ঠস্বর। তার সম্পৃক্ততা এমন এক সহানুভূতি ও দায়িত্ববোধের প্রতিফলন, যা এই সময়ে আমাদের সবার প্রয়োজন। তার চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে পেরে আমরা গর্বিত। শরণার্থীদের সুরক্ষা ও আশার প্রসারে তার সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করি। ১০ লাখের বেশি শরণার্থীকে উদারভাবে আশ্রয় দেওয়া এই দেশে এমন একটি কণ্ঠস্বর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
গত কয়েক বছরে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করেছেন তাহসান। পরিদর্শন করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পগুলো। যুক্ত হয়েছেন শরণার্থী সম্প্রদায়ের সঙ্গে। বিশ্ব শরণার্থী দিবসে বৈশ্বিক সচেতনতামূলক কর্মসূচিতেও ছিল তার অংশগ্রহণ।
বাংলাদেশে বর্তমানে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী। তাদের বেশিরভাগ বসবাস করছে কক্সবাজার জেলার ৩৩টি ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পে। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী ক্যাম্প।
অনেক রোহিঙ্গা প্রায় ৯ বছর ধরে আছেন ক্যাম্পগুলোতে। এখানে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, জীবিকা ও দীর্ঘমেয়াদি সুযোগের প্রবেশাধিকার সীমিত।







