কেয়া পায়েল ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’

কেয়া পায়েল। ছবি: চরকি
শিরোনাম দেখে ভাববেন না, বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন অভিনেত্রী কেয়া পায়েল! এটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তার প্রথম ওয়েব ফিল্মের নাম। জাহিদ প্রীতমের পরিচালনায় এতে অভিনেতা আরিফিন শুভর সঙ্গে প্রথমবার জুটি বেঁধেছেন তিনি। ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ মুক্তি পাবে চরকিতে। এর মাধ্যমে ওটিটি প্ল্যাটফর্মটির কোনো কনটেন্টে প্রথমবার দেখা যাবে এই নায়িকাকে।
ওয়েব ফিল্মটির গল্প আবর্তিত হয়েছে সমকালীন সমাজের মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক টানাপড়েনকে কেন্দ্র করে। এতে অনামিকা চরিত্রে অভিনয় করছেন কেয়া পায়েল। উচ্চবিত্ত ও আধুনিক শহুরে সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা এই তরুণীর জীবন ঘিরে রয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রোমাঞ্চ, সেলিব্রেটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল জগতের মোহনীয় আকর্ষণ।
নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে কেয়া পায়েল বলেন, ‘আমার চরিত্রটি প্রেমে পড়ার মতো। অনামিকার অনেক স্তর আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয়, দর্শক আমাকে একটু ভিন্নভাবে পাবেন পর্দায়। প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন এবং চিরায়ত পারিবারিক মূল্যবোধের সংঘাতের একটি বাস্তবসম্মত প্রতিচ্ছবি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি এতে রয়েছে হিউমার, রোমান্স ও আবেগঘন পারিবারিক মুহূর্ত, যা দর্শককে স্পর্শ করবে।’
চরকিতে প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কেয়া পায়েল বলেন, ‘বেশ কিছু কারণে কাজটি করে খুব ভালো লাগছে। প্রথমত, আমার সহশিল্পী আরিফিন শুভ। দ্বিতীয়ত, চরকির সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ। তৃতীয়ত, এর নির্মাতা জাহিদ প্রীতম।’
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ আনিস চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। মফস্বলের এই তরুণ স্বাধীন, আত্মনির্ভর ও দায়িত্বশীল। পরিবার, ছোট ভাইবোন ও প্রিয় মানুষদের নিয়েই তার পৃথিবী।
শুভ বলেন, ‘রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার কাজ এটি। শুধু বলার জন্য বলা না, এমন চরিত্রে আগে কাজ করিনি। দর্শক সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত, এখানে আমাকে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ গতানুগতিক পুরুষ চরিত্র নয় এটি।’
‘ঘুমপরী’র পর ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ চরকির জন্য জাহিদ প্রীতমের দ্বিতীয় কাজ। নির্মাতার ভাষ্য, সমকালীন জীবনের জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের বন্ধন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব— সবকিছু এক সুতায় গেঁথে নির্মিত হয়েছে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। তিনি বললেন, ‘এটি কাছাকাছি সময়ের দুই ধরনের মানুষের গল্প। ব্যক্তিসত্তা, পরিবার, সমাজ ও সম্পর্ক নিয়ে তাদের ভাবনার প্রতিফলন দেখা যাবে এই ওয়েব ফিল্মে।’
ওয়েব ফিল্মটির সহ-প্রযোজক হিসেবে ছবিয়ালের পক্ষ থেকে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। তার ভাষায়, ‘ভাবনার ভিন্নতার কারণে দুই মানুষের দ্বন্দ্ব, খুনসুটি ও একে অপরকে বোঝার চেষ্টার বিষয়টি আমাকে আকৃষ্ট করেছে। তাই কাজটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছি।’
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ হচ্ছে চরকির ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের সপ্তম ফিল্ম। চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, “মিনিস্ট্রি অব লাভ প্রকল্পের প্রতিটি গল্পেই সম্পর্কের ভিন্ন ভিন্ন স্তর তুলে ধরা হয়েছে। ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ তেমনই একটি সম্পর্কের গল্প।”




