রাজধানীতে নানা আয়োজনে স্মরণ করা হলো জীবনানন্দ দাশকে

জীবনানন্দ দাশ স্মরণে শিল্পীদের পরিবেশনা-মুক্তবাক
রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ৭২তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল ২২ অক্টোবর। রাজধানীতে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্মরণ করা হলো তাকে। এর মধ্যে ‘মরিবার হলো তার সাধ’ শীর্ষক আলেখ্যানুষ্ঠানের আয়োজন করে আবৃত্তি সংগঠন মুক্তবাক। এতে ছিল কবির বাংলা ও ইংরেজি কবিতা, চিঠিপত্র, প্রবন্ধ, উপন্যাসের অংশবিশেষ, গান ও কথামালা। অন্যদিকে, স্রোত আবৃত্তি সংসদ ও ভোলা আবৃত্তি সংসদের যৌথ উদ্যোগে ছিল ‘জীবনানন্দ স্মরণ-২০২৬’।
গত বৃহস্পতিবার ছায়ানট সংস্কৃতিভবন মিলনায়তনে মুক্তবাকের আয়োজনে কবির সাহিত্যকর্মের নানা দিক তুলে ধরেন আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা। অনুষ্ঠানে জীবনানন্দ দাশের বাংলা কবিতা আবৃত্তি করেন ইকবাল খোরশেদ। ইংরেজি কবিতা আবৃত্তি করেন প্রফেসর আহমেদ রেজা, ইরাম মাহফুজা, মধুরা কিঙ্কিনি রূপকথা ও অমিয়া অমানিতা। কবির চিঠিপত্র পাঠ করেন মাহমুদা আখতার, আশরাফ আলী সরকার লিখন ও রহমত আরা লিপি।
জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধ থেকে পাঠ করেন ফারজানা রফিক বাবলী। কবির রচিত উপন্যাস ‘মাল্যবান’-এর অংশবিশেষ উপস্থাপন করেন নায়লা তারান্নুম চৌধুরী কাকলি ও সৈয়দ ফয়সল আহমদ। অনুষ্ঠানে কথামালা উপস্থাপনা করেন রুবিনা শাহনাজ রুপা ও রায়হান হায়দার রঞ্জন। গান গেয়েছেন রাবিতা সাবাহ্ রিখি।
গত শুক্রবার মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে কবির জীবন ও সাহিত্য নিয়ে আলোচনা এবং আবৃত্তির মধ্য দিয়ে তাকে স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে কবি জীবনানন্দ দাশের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করেন কবি নাসির আহমেদ। আমন্ত্রিত শিল্পীদের মধ্যে আবৃত্তি পরিবেশন করেন অমিয়া অমানিতা, মাহফুজ আহমেদ শান্ত, আদৃত আরনি, নাজা রহমান ও সেমন্তি রোদসী। তাদের পরিবেশনায় উঠে আসে কবির প্রকৃতি-অনুভব, রূপসী বাংলার রূপ এবং মানবচেতনা নিয়ে সময়ের বার্তা।
এ ছাড়া আবৃত্তি পরিবেশন করেন ভোলা আবৃত্তি সংসদ এবং স্রোত আবৃত্তি সংসদের আবৃত্তিশিল্পীরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাসুদুজ্জামান।




