অভিনেত্রী শিমু হত্যা মামলায় ২০ সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষ

অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু
অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও তার সহযোগী এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুসরাত জাবীন নিম্মীর আদালতে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের চিকিৎসক প্রজ্ঞা পারমিতা দত্ত সাক্ষ্য দেন।
এ মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আগামী ২৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আগামীর সময়কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম।
আজ কারাগারে থাকা দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাদের আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকালে কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়নের আলীপুর ব্রিজের প্রায় ৩০০ গজ উত্তরে পাকা সড়কের পাশের ঝোপ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিচয় শনাক্তের জন্য মরদেহের আঙুলের ছাপ নেওয়া হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মরদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর বলে শনাক্ত করা হয়।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, দাম্পত্য কলহের জেরে ১৬ জানুয়ারি সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে যেকোনো সময় শিমুকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৯ আগস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম নোবেল ও ফরহাদকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ২৯ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।




